লেবুর খোসার উপকারিতা অর্থাৎ লেবুর খোসা বা চামড়াতে কি কি উপকারিতা আছে?
এই নিয়ে আজকের টপিক্স নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। কথা না বাড়িয়ে শুরু করি,
প্রিয় পাঠক- লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহিত করে থাকেন।
লেবুর খোসার উপকারিতা –
নিচে আপনাদের জন্য ৭ টি বিশেষ উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হল।
১। হার্টের উন্নতি
লেবুর খোসার উপকারিতা ‘র মধ্যে পলিফেনল একটি। লেবুর খোসার পলিফেনল উপাদান পাওয়া যায় যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
২। রক্ত সরবরাহের উন্নতি
আপনি যাদি লেবুর খোসা নিয়মিত খেতে থাকেন তাহলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করবে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধরক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
৩। লিভার ফাংশনে উন্নতি
লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক মাত্রায় বেড়ে যায় ফলে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। যার ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৪। স্ট্রেস কমে
লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
৫। হাড় শক্ত হয়
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
৬। ওজন কমে
পেকটিন প্রচুর মাত্রায় থাকে যা ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে থাকে। কারণ এ উপাদান শরীরে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে ঝরিয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
৭। ত্বকের সৌন্দর্য
লেবুর খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বের করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা কমে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে।
পরিশেষে বলা যায যে লেবুর খোসা বা চামরা আপনার জন্য খুবই উপকারি। আপনি প্রতিদিন লেবু খেতে পারেন খোসা সহ। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। আপনি চাইলে আপনার লেখা আমাদের পাঠাতে পারেন অথবা আমাদের ইরাকক্সে লেখক হতে পারেন। তার জন্য ইমেইল করুন বা ফেসবুকে মেসেজ করুন।
বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ চারটি পর্যায়ে প্রকাশ ও দিয়ে থাকে।
যথাঃ-
১। এসএসসি পাশ যোগ্যতায় পুলিশ কনস্টেবল।
২। ডিগ্রি বা অনার্স ও সমমান যোগ্যতায় পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর (এস আই)।
৩। অনার্স – ডিগ্রি ও সমমান যোগ্যতায় পুলিশ সার্জেন্ট।
৪। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) এর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এ এস পি)।
অন্তত প্রতি বছর-ই বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ দিয়ে থাকে। তবে বিশেষ কোন কারণে তা পরিবর্তন হয়ে থাকে। যেমন বর্তমান বছরে এই সময়ে নিয়োগ প্রকাশের কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে হচ্ছে না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হতে চুড়ান্ত অনুমোদন হওয়ার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক বিভিন্ন পত্র পত্রিকা সহ বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পুলিশ সার্কুলার আকারে জারী করা হয়। সাধারণত পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার এক-দেড় মাস পূর্বে পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ
নারী পুরুষ সবাই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেতে কমপক্ষে এসএসসি বা সমমান পাশ হতে হবে। সেই সাথে বেশ কিছু শারিরীক যোগ্যতা থাকলে আপনি খুব সহজে পুলিশের চাকরিতে নিয়োগ পেতে পারবেন।
অন্য-আন্য চাকরির মত পুলিশে কোঠা রয়েছে, যথাঃ- পোষ্য, মুক্তিযোদ্ধা, এতিম ইত্যাদি।
বয়স-
সাধারণ কোঠার প্রার্থীর জন্য বয়স ১৮ থেকে ২০ বছর।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩২ বছর।
মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সন্তানের (নাতি-নাতনি)জন্য বয়স ১৮ থেকে ২০ বছর।
শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতাঃ
এসএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
কমপক্ষে জিপিএ ২.৫ হতে হবে।
অবিবাহিত হতে হবে।
অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ি নাগরিক হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা
নারী ও পুরুষ প্রার্থীদের মধ্যে শারীরিক যোগ্যতার ভিন্নতা রয়েছে। নিছে চক আকারে দেয়া হল,
শারীরিক যোগ্যতা পুরুষ প্রার্থী নারী প্রার্থী
উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
মুক্তি কোঠার উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
ওজন উচ্চতা অনুযায়ি উচ্চতা অনুযায়ি
বুক স্বাভাবিক-৩২ ইঞ্চি, প্রসারণ-৩৪ ইঞ্চি প্রয়োজ্য নয়
উক্ত যোগ্যতা থাকলে আপনি বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
কনস্টেবলে নিয়োগ পক্রিয়।
শারীরিক পরীক্ষাঃ
প্রাথমিক বাছাইয়ে শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিকভাবে মনোনিত হতে হলে প্রার্থীকে প্রথমে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত স্থানে যথা সময়ে শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। শারীরিক মাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করে হবে। প্রবেশপত্রে লিখিত পরীক্ষার স্থান ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষাঃ
শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে ৪০ নাম্বারের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে হবে। এই লিখিত পরীক্ষার সময় সীমা ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। সাধারণত ৪৫% নাম্বার প্রাপ্ত প্রার্থীগণ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যারা মেধা তালিকার শীর্ষে থাকে, তাদের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থীকে কেবলমাত্র পরবর্তী পরীক্ষায় জন্য মননিত করা হয়।
মৌখিক পরীক্ষাঃ
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্দিষ্ট তারিখে ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এখানেও কমপক্ষে ৪৫% নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীরা উত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হয়। সবগুলো পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বারের সমন্বয়ে যারা শীর্ষে থাকবে তাদের মধ্যে থেকে চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়।
(পুলিশ ভ্যরিফিকেশনের মাধ্যমে তাদের তাদের চারিত্রিক এবং অন্য-আন্য দিক দেখে তাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।)
মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষাঃ
সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে যারা চুড়ান্তভাবে মনোনিত হবেন, তাদেরকে শারিরীক কোন সমস্যা আছে কি না, তা যাচাই করার জন্য একটি মেডিকেল টেস্ট হয়ে থাকে। এই মেডিকেল টেস্টে সাধারণত রক্ত পরীক্ষ, এইচআইভি টেস্ট, ডোভ টেস্ট বা মাদকাশক্তি সহ আরো কিছু পরীক্ষা করা হয়। মেডিকেল ফিটনেস যাচাই করার পর যারা যোগ্য প্রার্থী হবেন তাদেরকে মৌলিক প্রশিক্ষন গ্রহনের জন্য এপয়নমেন্ট লেটার দেওয়া বা পাঠানো হয়।
আমাদের আজকের টপিক্স হল কপিরাইট ফ্রি ইমেজ বা ছবি। আমরা যারা ব্লগিং বা আর্টিকেল লিখে থাকি তাদের ফিচার ইমেজের প্রয়োজন হয়। অনেকে গুগল থেকে সার্স দিয়ে সেইসব ইমেজ নামিয়ে থাকে যা আপনার ওয়েব বা ব্লগ সাইটের জন্য মুটেও ভাল নয়।
ফিচার ইমেজে যাদি কপিরাইট থেকে তাহলে আপনার ব্লগের ১২টা বাজতে পারে এতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে। কারণ সরাসরি গুগল থেকে যে ফটোগুলি ডাউনলোড করে ব্লগে ব্যবহার করে সেগুলি বেশিরভাগ কপিরাইট যুক্ত হয়ে থাকে।
কপিরাইট বলতে উক্ত ইমেজ বা ছবিগুলোর উপরে অন্য বেক্তির মালিকানা থাকে যা শুধু সেই ব্যাক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবে না। যদি ক্রয় করে থাকেন তবেই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। শুধু মাত্র ক্রয় সুত্রে আপনি তার মালিকানা পেতে পারেন।
যদি আপনি গুগল থেকে সরাসরি ছবি বা ইমেজ ডাউনলোড করে নিজের সাইটে বা ব্লগে ব্যবহার করেন তার জন্য গুগল ওই সমস্ত ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কপিরাইট কনটেন্ট ব্যবহারের জন্য স্ট্রাইক দিয়ে থাকে।
ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কপিরাইট স্ট্রাইক পরা কখনোই ভালো না এতে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট টি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা ব্লাক লিস্টেড হয়ে যেতে পারে।
তাই আজ আমর আপনার এই সমস্যার সমাধানের জন্য ৫ টি সেরা ওয়েবসাইট নিয়ে হাজির হলাম যেখান থেকে আপনারা আপনাদের কাংখিত ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য ফ্রিতে কপিরাইট ফ্রি ইমেজ এবং ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
আর দেরি না করে চলুন আমরা সেই ওয়েবসাইট গুলি জেনে নেই।
কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোডের ৫টি ফ্রি ওয়েবসাইট
১। Pixabay
পিক্সাবে হল আমার সবচেয়ে প্রিয় একটি Free stunning images & royalty-free stock Site
আমাদের সাইটের বেশির ভাগ ইমেজ ই আমরা পিক্সাবে থেকে ডাউনলোড করে ব্যবাহার করে থাকি। এই সাইটে আপনি সব ধরনের ছবি পাবেন একদম কপিরাইট ফ্রি ইমেজ। আপনি চাইলে সাথে পেইড ইমেজ ও ক্রয় করতে পারেন তবা আমার ধারনা সেটা আপনার দরকার হবে না। প্রায় ৯৫% ইমেজ ই ফ্রি পাবেন।
এই সাইট টি বাবহারে আরো একটি সুবিধা হলে এই সাইটে থেকে ইমেজ ডাউনলোড করতে আপনাকে লগ ইন বা সাইন আপ করা লাগবে নাই।
আমাদের দ্বিতীয় পছন্দের সাইটির নাম হল পিক্সেলস। এই সাইট টি ও চমৎকার আপনি সব ধরনের ইমেজ পাবেন সম্পূন্য কপিরাইট ফ্রি ইমেজ। পিক্সেলস সব সময় ব্লগারদের কাছে খুব জনপ্রিয় কারন এখান থেকে আপনি ১০০% ইমেজ ই সম্পূন্য ফ্রিতে পাবেন।
ভিবিন্ন সাইজের ইমেজ পাবেন। আপনি পছন্দ অনুযায়ি সার্স করে ডাউনলোড করতে পারবেন। বিনা টেনশনে ব্যবহার করতে পারবেন। একাউন্ট করা ছাড়াই ছবি ও ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।
কপিরাইট ফ্রি ইমেজ ডাউনলোডের জন্য আরেক টি জনপ্রিয় সাইটের নাম আনস্পালাশ। এটি শুধু মাত্র কপিরাইট ফ্রি ইমেজের সাইট। ইমেজ গুলো পাবেন ১০০% হাই কোয়ালিটির সাথে ত কপিরাইট ফ্রি থাকছেই।
এই শ্ৰেষ্ঠ ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো ডিভাইসের জন্য হাই কোয়ালিটির ওয়ালপেপার ও ডাউনলোড করা যায় একদম ফ্রিতে।
এখানে আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে জন্য পছন্দসই বিভিন্ন রিসোলিউশনের হাই কোয়ালিটি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ পেয়ে যাবেন অনাসায়ে।
কপিরাইট ফ্রি ইমেজের পাশাপাশি আপনি কপিরাইট ফ্রি ভিক্টর গ্রাফিক্স এবং ইলাস্ট্রেশনের ফ্রি বিপুল সমাহার চান সেক্ষেত্রে ফ্রিপিক আপানার জন্য সেরা ওয়েবসাইট।
এই অসাধারণ সাইটে আপনি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ এর পাশা পাশি কপিরাইট ফ্রি ভিক্টর ইমেজ এবং লোগোও ডাউনলোড করতে পারবেন। শুধু তাই নয় চাইলে কোনো লোগো বা ভিক্টর ইমেজের PSD ফাইলটিও ডাউনলোড করতে পারবেন যা পরে আপনি আপনার ফটোশপ দিয়ে কাস্টমাইজ করতে পারবেন।
সাথে আপনি চাইলে ফ্রিপিক এর প্রিমিয়াম ভার্সন কিনে সমস্ত প্রিমিয়াম ইমেজ, লোগো এবং ভিক্টর ইমেজ ডাউনলোড করতে পারবেন।
আপনার জন্য শুভকামনা নিয়ে আজকের এই কপিরাইট ফ্রি ইমেজ আর্টিকেল এখানেই শেষ করছি। আপনার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি সব চেয়ে ভাল Free stunning images & royalty-free stock Site গুলো তুলে দরতে আপনাদের মাঝে।
আশা করি উক্ত সাইট গুলো আপনাদের উপকারে আসবে। আপনাদের সাহায্য করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আপনার মতামত জানেতে ভুলবেন না।
আপনার কমেন্ট আমাদের জন্য মূল্যবান চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগকরে পারেন।
আমরা অনেকেই ভাবি কীভাবে ব্লগিং থেকে টাকা উপার্জন করবেন, আর আপনি তাদের মধ্যে একজন হলে এই পোস্ট আপনার জন্য। মনযোগ সহকারে আর্টিকেল টি শেষ করুন আশা করি আপনি ভাল ধারনা পাবেন। তা-হলে দেরি না করে শুরু করুন।
ব্লগিং থেকে কীভাবে টাকা উপার্জন করবেন?
এটি একটি কমন ও সাধারন প্রশ্ন। অনেকেই আছেন ব্লগিং করতে চান কিন্তু সঠিক ধারনা না থাকার কারনে পারছেন না তাই আজ আপনাদের বলব কি ভাবে ব্লগিং থেকে আমরা টাকা আয় বা উপার্জন করে থাকি। ব্লগিং এর জন্য আপনাকে ব্লগিং সাইট থাকতে হবে হয় ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার সাইট। আমাদের সাইট হল ওয়ার্ডপ্রেস সাইট। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
ব্লগ ও ব্লগার কি? জানতে এই লিখা টি দেখুন।
ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে ভাল মানের ব্লগিং করতে হবে অর্থাৎ আপনার ব্লগ সাইটে ভিজিটর আসতে হবে এবং ব্লগকে অবশ্যই মনিটাইজ করতে হবে।
মনিটাইজ কি? জানতে ভিজিট করুন
আপনার কাংখিত ব্লগ সাইট কে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। আমরা ভেবে নিব যে আপনার ব্লগ সাইট আছে আর যদি নাও থাকে তাহলে আপনি শুরু করতে যাচ্ছেন তাইত আমাদের এই আর্টকেলে আসছেন। আপনার যদি কোনও প্রকার ব্লগ সাইট থাকে বা এইরকম কিছু শুরু করার কথা ভাবছেন তাহলে আপনার উপার্জন করার সুবিধা আছে।
ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারবেন। আপমরা এই আর্টিকেলে অনলাইনে আয় সংক্রান্ত বিভিন্ন মাধ্যম ও ডিজিটাল কন্টেন্ট মনিটাইজ করার সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতিগুলো নিয়ে আলোচনা করব।
আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করার জন্য নিছে বেশ কিছু অনলাইন পদ্ধতি আছে। যথাঃ
১।এডসেন্স বিজ্ঞাপন (অন্য আরও কম্পানি আছে তবে গুগল এডসেন্স বেস্ট)
২। এফিলিয়েট মার্কেটিং
৩। ড্রপ শিপিং
৪। সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পন্য বিক্রয়।
৫। ট্রেনিং বা অইলান ভিবিন্ন কোচিং করানো।
৬। সাবস্ক্রিপশন
কীভাবে আপনি আপনার ব্লগ সাইটের জন্য উপরের উল্লেখিত কাজগুলি করতে পারেন? তা সহজ করার জন্য মনিটাইজেশনের পদ্ধতি গুলো ভাল ভাবে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মনিটাইজেশন।
টাকা উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য অনেক কম্পানি রয়েছে তাবে আমাদের মতে গুগল এডসেন্স হল সব চেয়ে ভাল একটি মাধ্যম আমরা নিজেরাও গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে থাকি। আপনি আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে সহজে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পেমেন্ট দিয়ে থাকে। আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্ট বা পোস্ট যত বেশি জনপ্রিয় আপনি তত বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।
আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টের সাথে যে-সব বিজ্ঞাপন দেখাতে চান সেগুলির জন্য আপনি বিজ্ঞাপন দেখানোর সাইটে আবেদন করতে পারেন বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
আপনার হয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল এডসেন্সের মতো বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের ব্যবহার করতে পারেন এবং এটি ই জনপ্রিয় ও সহজ। এডসেন্স আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে। এমন কি আপনার অঞ্চল অনুযায়ি উপযোক্ত বিজ্ঞাপন টি প্রদর্শন করে থাকে। বিজ্ঞাপনটি দেখানোর কারণে গুগল আপনাকে সাইটের মালিক হিসেবে পেমেন্ট করে থাকে যখন কোনও ব্যবহারকারী কোনও বিজ্ঞাপন দেখেন বা যোগাযোগ করেন।
এফিলিয়েট মার্কেটিং হল কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কোন প্রোডাক্ট বা পন্য অথবা কোন সেবা বিক্রি করে দেয়া, এবং প্রতিটি বিক্রয়-এর বিপরীতে বিক্রয় মূল্যের ওপর শতকরা (%) হারে কমিশন নেয়া। অর্থাৎ আপনি যদি কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয়ে করে দেন সে কোম্পানির বিক্রয়ের উপর 2% থেকে 70% পর্যন্ত কমিশন দেবে আর এটাই হল এফিলিয়েট।
অনেক ডোমেইন কম্পানি ও এফিলিয়েট প্রধান করে থাকে, যেমন আমি আপনার মাধ্যামে একটি ডোমেইন রেজিট্রেশন করলাম তাতে করে আপনেকে ডোমেইন কম্পানি একটা কমিশন দিবে, এটা আপনার থেকে বেশি নিবে না বরং প্রকৃত মূল্য থেকে আমাকে কিছু অংশ প্রেমেন্ট করবে।
সহজভাবে বলতে গেলে, ড্রপ শিপিং এমন একটি পদ্ধতি যা একটি ব্যবসা পন্য স্টক রাখে না। দরুন আমার পন্য টি আপনি স্টক না করে বিক্রয় করছেন আপনি গ্রহকের কাছ থেকে পেমেন্ট নিয়ে কিছু অংশ আপনি রেখে আমাকে কম দামে পেমেন্ট করছেন আর আমি উক্ত পন্য আপনার গ্রাহকের ঠিকানায় ডেলিভারি করছি।
বলতে গেলে কিছু টা এফিলিয়েটের মতই। পার্থক্য হল আপনি এফিলিয়েট করলে পন্যের মূল্য আমি নির্দারণ করে দিচ্ছি আর আপনি কমিশন পাচ্ছেন অপর দিকে ড্রপশিপিং হল আপনি আমার থেকে পন্য কিনে নিজের মত মূলে বিক্রি করছেন।
একটি উদাহরণ দেই, দরুন আপনি আলি এক্সপ্রেস থেকে কোন পন্য নিয়ে মার্কেটিং করলেন। পন্যটীর দাম আলি এক্সপ্রেস এ ১০০ টাকা আর আপনি আমার কাছে সেটি ১৭০ টাকায় বিক্রি করলেন, আমার থেকে টাকা নিয়ে আপনি আলি এক্সপ্রেস থেকে আমার ঠিকায় দিয়ে পন্য টি ক্রয় করলেন। তাহলে কি হবে আলি এক্সপ্রেস আপনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার ঠিকানায় পন্য পেরন করবে। আর আপনি মার্কেটিং করে ৭০ টাকা লাভবান হলে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পন্য বিক্রয়।
নিজের ব্লগ সাইট থেকে টাকা উপার্জন করার উদ্দেশ্যে অনেক ব্লগার অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে নিজেদের পন্য বা সেবা বিক্রির জন্য একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে থাকেন। প্রোডাক্ট বা পন্য টি হতে পারে ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল। যেমন আপনি একটি বই নিয়ে ব্লগ লিখলেন, যাদি পাঠকরা এই বই নিয়ে আগ্রহী হয় তাহলে আপনি তাদের কাছে বই টি বিক্রি করার অপশন রাখতে পারেন।
আপনার পন্য বা সেবা ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল অর্থাৎ ভার্চুয়াল যাই হোক না কেন, পেমেন্ট গ্রহণের জন্য আপনাকে আপনার সাইটে পেমেন্ট সিস্টেম চালু করতে হবে। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করার সময় আপনাকে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে তা হল- পন্য স্টক স্টোর করা, শিপিং অর্গানাইজ করা, শুল্ক ম্যানেজ করা। ডিজিটাল পন্যে বা সেবায় ঝামেলার জটিলতা কম কারণ সেগুলি অনলাইনে ডেলিভার করা যায়।
আজকাল অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করে ভিবিন্ন জামা কাপর অন্য আন্য পন্য বিক্রি করে থাকে। আর তার বাস্তব উদাহণ আপনাদের সামনেই আছে। আপনার ব্লগ খুব জন প্রিয় অনেক ভিজিটর আসে নিয়মিত সাভাবিক কারণেই আপনার ব্লগ সাইটের প্রতি তাদের আস্তা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার থেকে কেনা কাটা করতে আগ্রহ পাবে।
ট্রেনিং বা অইলান ভিবিন্ন কোচিং করানো।
আপনার ব্লগে যাদি ভাল ভিজিটর বা ট্রাফিক থাকে তাহলে আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করতে পারেন। তার জন্য অনলাইন কোর্স বা কোচিং প্যাকেজ সেট-আপ করতে পারেন। তাতে ফি বা চার্জ বসিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।
আপনার আয় বাড়ানোর আর একটি বিকল্প হল লাইভ ভিডিও কোচিং অফার করা এবং আপনি সময় দিচ্ছেন বলে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে। যাদি আপনার ভিডিও অন্যের উপকারে আসে, যেমন আপনি চাইলে আপনা ব্লগের মাধ্যমে এসইও (সার্স ইঞ্জিন অফটিমাইজেশন) শিখাতে পারেন বিনিময়ে টাকা চার্জ করবেন। এমন অনেক বিষয় আছে যে গুলো নিয়ে আপনি কন্টেন্ট প্রকাশ করে আয় করতে পারবেন।
সাবস্ক্রিপশন বা মেম্বারশিপ
দরুন আপনার ব্লগ সাইটে অনেক অ্যাক্টিভ ভিজিটর আছে যারা আপনার বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী, সেইক্ষেত্রে আপনি আপনার দীর্ঘমেয়াদে উপার্জনের জন্য পেইড মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতি চালু করতে পারেন যা আপনার মূল্যবান কন্টেন্ট ব্যবহারের অন্যতম উপায়। তখন তারা আপনার থেকে মেম্বারশিপ নিতে চাইবে।
এই ধরনের পদ্ধতি তে ভিজিটর নিয়মিতভাবে, মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করে থাকে। এইভাবে ভিজিটদের কাছ থেকে মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন ফি সংগ্রহ করে আপনি বার বার আয় করতে পারেন। বিনিময়ে, আপনি সাবস্ক্রাইবার বা মেম্বারদের প্রিমিয়াম কন্টেন্ট, শেখার সংস্থান, ভিডিও বা অতিরিক্ত পরিষেবা অথাবা কোণ টুল সরবরাহ করতে পারেন। আপনার ব্লগের সাথে মানানসই হবে এমন বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু এক্সটা কোন সেবা দিতে পারেন।
অবশ্যই আপনার কন্টেন্টের মান ভাল হতে হবে কেননা আপনি ই অজথা কাউ কে টাকা প্রদান করবেন যদি আপনি না লাভবান হন।
ইরাকক্সের এই পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। আমরা আজ আলোচনা করব এডসেন্স নিয়ে।
গুগল এডসেন্স কি? এটি কিভাবে কাজ করে? এবং আপনি কি এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারবেন?
এই গুলো খুবই কমন ও সাধারণ কিছু প্রশ্ন।
আপনার গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত সমুহের ধারনা নিন। এডসেন্স এপ্লাই করার পূর্বে জেনে রাখা উচিত পয়েন্ট গুলো।
গুগল এডসেন্স
আপনি যদি অনলাইন সম্পর্কে সামান্য ধারনা থাকে তাহলে আপনি এডসেন্স সম্পর্কে শুনে থেকবেন।আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন, অনলাইনে নিয়মিত ঘাটাঘাটি করে থাকেন এবং অনলাইনে আয় করতে চান তাহলে আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে ভাল কারে জানতে হবে।
গুগল অ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন আর সেই সাথে আপনার নিজের বিজ্ঞাপন ও এডসেন্সের মাধ্যমে প্রাকাশ করতে পারবেন। এটি Google মালিকানাধীন। আপনার পেমেন্ট পেতে কোন জামেলা পোহাতে হবে না আপনি পেমেন্ট নিয়ে ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারবেন। এডসেন্স গুগলের আয়ের একটি বড় অংশ। গুগলের মাসিক আয় সম্পর্কে আপনার নিশ্চয় ধারণা আছে। এই আয়ের কিছু অংশই গুগল আপনাকে প্রদান করে প্রকাশক হিসেবে।
এডসেন্সের বিজ্ঞাপনগুলি মোবাইলটেবলেপটপকম্পিউটার সব ডিভাইসগুলিতেও দেয়া যায়। www.google.com/adsense শর্ত পুরন করে যে কোনও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এডসেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারেন। শুধু ওয়েবসাইট নয় আপনি চাইলে ইউটিঊবের মাধ্যমে ও এডসেন্সে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
গুগল এডসেন্সের অনেক কঠোর নিয়ম আছে যা কোন ভাবেই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। একটি এডসেন্স প্রকাশক হিসাবে আপনার দায়িত্ব সাথে নিয়ম অনুসরণ করাও আপনার গুরু দায়িত্বে।
এডসেন্স ডেস্কটপ ওয়েবসাইট, ভিডিও, গেমস, মোবাইল এপস (মোবাইল এপসের জন্য এডমব প্রয়োজন যা এডসেন্সের অনয় একটি শাখা) এবং আরও অনেক কিছুর জন্য উন্মুক্ত।
এডসেন্স বিজ্ঞাপন টেক্সট এবং ইমেজ সহ বিভিন্ন সাইজ থাকে। যেমনঃ- ব্যানার এড, ইন্ড্রাস্টিয়াল এড, নেটিব এড, রিওয়ার্ড এড, ভিডিও এড ইত্যাদি।
এডসেন্স প্রকাশকদের Google Inc. দ্বারা পেমেন্ট করা হয় যা সম্মানের ভাগীদার।
গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত
১। সময়ঃ আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট নুন্যতম ১ থেকে ৬ মাস পুরনো হতে হবে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি আপনার ওয়েবসাইট ক্যাটেগরি একক হয় এবং আপনি সুন্দর করে সাজাতে পারেন তাহলে ১ মাসেও সম্ভব। এই ওয়েবসাইট মাত্র ২০ দিনের মাথায় এডসেন্স ছাড়পত্র পায় কারন হিসেবে বলা যায় ইউনিক ক্যাটেগরি। ২। ডোমেইন এক্সটেনশনঃ আপনাকে একটি ভাল মানের ডোমেইন লাগবে, ফ্রি কোন ডোমেইন হলে চলবে না। আপনাকে অবশ্যই একাটি প্রিমিয়াম ডোমেইন লাগবে। আপনার জন্য আদর্শ হল ড্ড কম Example.com , ড্ড নেট Example.net , ড্ড অর্গ Example.org ইত্যাদি। ৩। কন্টেন্ট সংখাঃ কন্টেন্ট বা আর্টিকেল হল আপনার ওয়েব সাইটের পোস্ট।এডসেন্স পেতে হলে ওয়েবসাইটে মিনিমাম ৩০-৩৫ টা ইউনিক আর্টিকেল থাকতে হবে। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরির সাথে মিল থাকতে হবে। ৪। আর্টিকেলের মানঃ আপনার ওয়েবসাইটে সকল পোস্ট বা আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে। কোথাও থেকে কপি করা চলবে না। আপনি যদি কপি করে থাকেন তাহলে গুগল বুঝতে পারবে অনাসায়ে। তাই চুরি করতে যাবেন। ধরকার হলে আপনি অন্যের আর্টিকেল থেকে ধারনা নিতে পারবেন। ৫। তৃতীয় নেটওয়ার্কঃ অন্য কোন নেটওয়ার্ক এর এড আপনার সাইটে থাকলে, অ্যাডসেন্স আবেদনের পূর্বেই তা শরিয়ে রাখুন। গুগল সাধারণত ফ্রেশ ওয়েবসাইট পছন্দ করে। তাই আপনি তৃতীয় কোন এড ব্যাবহার করবেন না। তাহলে আপনি এডসেন্স নাও পেতে পারেন। ৬। নিষিদ্ধ কন্টেন্টঃ আপনার সাইটে গুগল কর্তৃক নিষিদ্ধ করা আছে এমন কোন পোস্ট কন্টেন্ট প্রকাশ করা যাবে না। ওয়েবসাইটে Adult/Hacking রিলেটেডে আর্টিকেল প্রকাশ করা যাবেনা। এসব থেকে বিরত থাকুন। ৭। ক্লিন সাইটঃ হোম পেইজ/লেন্ডিং পেইজ সিম্পল রাখুন। সাইট লোডিং টাইম কম রাখার সর্বচ্চো চেষ্টা করুন। কারন গুগল স্লো সাইট পছন্দ করেনা। আপনার সাইট স্পীড টেস্ট করুন আর আপনার সাইট কে রেসপনসিব রাখার চেষ্টা করুন। ৮। থিমসঃ আপনার ওয়েব সাইটের জন্য একটি ভাল মানের ওয়ার্ডপ্রেস থিম লাগবে। রেস্পন্সিব হতে হবে হাল্কা হতে হবে। গুগল এডসেন্স রিকমান্ড করে থাকে Contempo, Notable, Soho, অথবা Emporio-এর মতো থিম ব্যবহার করার জন্য যা সব ডিভাইসেই ভাল লাগে।
সব ডিভাইসেই দেখতে ভাল লাগে এমন একটি প্রতিক্রিয়াশীল থিম ব্যবহার করুন। (সবথেকে ভাল উদাহরণ হল ডায়নামিক ভিউ।) ৯। এডসেন্স কোডঃ এডসেন্স কোড আপনার সাইটে সঠিক ভাবে বসান। আপনি চাইলে আপনার সাইটে গুগল এডসেন্সের অটো কোড সেট আপ করতে পারেন।
কি ভাবে গুগল এডসেন্সের অটো কোড বসাবেন?
গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত সমূহ মেনে এডসেন্সসের জন্য আবেদন করে থাকলে গুগল সাধারণত ১০/১২ দিন সময় নেয় সাইট রিভিউ করার জন্যে। অনেক সময় এর আগেও এপ্রোভাল দিয়ে থাকে।
এডসেন্সের জন্য কিছু জরুরী বিষয়।
CPC, CPM, CTR, PPC কি?
CPC কি?
গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো CPC (Cost Per Click) এর মানে, আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর যতবার আপনার এড এ ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন।
তারমানে এই না, নিজেই নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা যাবে। প্রকাশক নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা কঠোরভাবে নিষেধ। গুগল আমাদের সবার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট। আত্মীয়স্বজন দের দিয়ে অ্যাড এ ক্লিক করানো কৌশল করবেন না। গুগল ধরতে পারলে আপনার একাউন্ট বাতিল করে দিবে। তাই এসব থেকে ১০০ হাত দুরে থাকুন। চেষ্টা করুন রিয়েল ক্লিক আনতে। অর্গানিক রেজাল্ট আপনার জন্য উত্তম।
CPM- Cost per thousand Impression :
ভিজিটর আপনার অ্যাড যতবার ভিউ করলো। প্রতি এক হাজার বার ভিউ এর জন্যে গুগল আপনাকে টাকা পে করবে।
CTR কি?
সি টি আর CTR হল Click Through Rate অর্থাৎ আপনার কত শতাংশ ভিজিটর এড এ ক্লিক করলো। সাধারণত CTR ২-৫% হওয়া ভালো। আপনি যদি বেশি CPC কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল সাজাতে পারেন তবে ২-৫% CTR দিয়েও খুব ভালো ইনকাম করা যায়। CTR ১৫% এর বেশি গেলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। গুগল মনে করে ২-৫% CTR স্ট্যান্ডার্ড। এর বেশি মানে প্রকাশক নিজে বিভিন্ন উপায়ে এড এ ক্লিক করাচ্ছে যা গুগল এর নীতির লঙ্গন।
PPC কি?
PPC হল Pay Per Click যা বিজ্ঞাপনদাতার উপর গুগল এই মেথড ফলো করে। এর মানে আপনার ওয়েবসাইট এ যে বিজ্ঞাপন গুগল দিবে তার উপর প্রতি ক্লিকে গুগল বিজ্ঞাপনদাতা থেকে যে অর্থ নিবে সেটাই PPC বা Pay Per Click।
কত ইনকাম করতে পারবেন?
ইনকাম আপনার আর্টিকেল লেখা এবং ওয়েবসাইট প্রচারের উপর নির্ভর করে। আপনার সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি আপনার CPM হবে। আর CPM বাড়লে CTR এমনিতেই বাড়তে থাকবে।
সর্বদা CTR খেয়াল রাখবেন। প্রতিদিন একবার হলেও আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে লগইন করে দেখে নিন আপনার CTR CTR ১০% এর বেশি হয়ে গেলে এড অফ করে দিন। ১ দিন দেখুন CTR রেট কমে আসলে আবার এড ডিস্প্লে করুন।
CTR এবং ভিজিটর ডিটেইলস পেতে গুগল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করবেন। গুগল এনালাইটিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী একটি টুল সাইটের জন্যে।
বাংলায় সাইট হলে কি করবেন?
এডসেন্স দিয়ে যদি ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল সাজানো যায় এবং মাসে হাজার ডলার ইনকাম করা যায় সহজেই। আপনার সাইট যদি হয় বাংলায় সেইক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি এডভান্স হতে হবে বেশি প্ররিশ্রম করতে হবে। বাংলায় ভালো CPC কিওয়ার্ড পেতে হলে আপনাকে এক্সট্রা একটু ঝামেলা পোহাতে হবে।
বাংলায় আপনার সাইট হলে অবশ্যই আপনাকে সোসাইল মিডিয়া তে ব্যাপক শক্তিশালী হতে হবে যাতে করে আপনি ভাল প্রচার ও ব্যাপক প্রশার ঘঠাতে পারেন।
আপনার জন্য শুভকামনা।
আপনাদের মতামতে জন্য কমেন্ট বক্স আছে সাথে আপনি চাইলে আমাদের সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন Contact Us এর মাধ্যমে।
খাইরুদ্দিন বারবারোস তিনি একজন সুদক্ষ নৌ-সেনাপতি, ছিলেন উসমানীয় সম্রাজ্যের অ্যাডমিরাল অফ দ্য ফ্লিট।
বারবোসার সংখিপ্ত জীবন কালঃ
জন্মঃ খাইরুদ্দিন বারবারোসা ১৪৭৮ (খ্রি.) লেসবোস দ্বীপপুঞ্জে (পালাইওকিপোস, লেসবোস) জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে খাইরুদ্দিন বারবারোসা-র নাম ছিল “খিজির”। যদিও বারবারোসা ও তার ডাক নাম। মূল নাম বারবারোস হাইরেদ্দিন পাশা যা তার নৌ-সেনাপতি অবস্থায় জানা যায়। তবে তার আরো অনেক ডাক নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে নুন্যতম হলঃ-
১। খয়ের-আ-দ্দীন (খাইরুদ্দিন – এই নামে আমাদের এই দক্ষিণ উপমহাদেশে সু-পরিচিত) এমন কি এই নামে উনাকে জানা যায়।
খাইরুদ্দিন নাম টি এসেছে আররি খয়ের আদ-দীন ( خير الدين) থেকে যার অর্থ – ধার্মিকতা বা ইসলাম ধর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ)। নামটি সম্মান দিয়ে তাকে দিয়েছিলেন সুলতান সুলাইমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট।
২।রেড বিয়ার্ড বা বারবারোস- তিনি ইউরোপীয়দের কাছে রেডবিয়ার্ড হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণ তার ভাই অরুচের কমলা রঙের দাড়ি থাকার কারণে ইউরোপীয়রা তাদের ‘বারবারোসা ভাতৃদ্বয়’ উপাধি দিয়েছিলো। এরপর থেকে হাইরেদ্দীনের তুর্কী নামের সাথে ‘বারবারোস’ শব্দ থেকে এই ডাকনামটি যুক্ত হয়ে হয়।
বারবারোসার নৌ-সেপতির কার্যকাল ছিল ১৫০০-১৫৪৫ খ্রিঃ পর্যন্ত।
বিশেষ অর্জনঃ-স্পেনের অ্যাডমিরাল আন্দ্রে ডুরিয়ো নেতৃত্বে সম্মিলিত খ্রিস্টান বাহিনী হলি লিগের বিরুদ্ধে ১৫৩৮ সালে প্রিভিজার ক্রসেডে বারবারোসার বিজয় ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে উসমানীয় সাম্রাজ্যের আধিপত্যকে আরো বেশি সুরক্ষিত করে। এই আধিপত্য স্থায়ী ছিল, ১৫৭১ সালে ল্যাপান্টোর যুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত।
মৃর্ত্যুঃ-এই মহান নৌ-সেনাপতি ১৫৪৬ খ্রিঃ ৪-ই, জুলাই, ৬৭/৬৮ বছর বয়সে উসমানী সাম্রাজ্যের রাজধানী কন্সটান্টিনোপলে বর্তমানের ইস্তাম্বুলে পরলোক গমন করেন। জীবন দশায় তিনি তার অসামান্য কৃতিত্বের জন্য আজও কিংবদন্তী হয়ে রয়ে গেছেন কোটি মানষের অন্তরে।
খাইরুদ্দিনের নিজের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে জানা যায়, তিনি আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত তুর্কী সিপাহি ইয়াকুবের পুত্র ছিলেন ও তার বাবা উসমানীয়দের দ্বারা এই দ্বীপপুঞ্জ অধিকৃত হওয়ার পর এখানে বসবাস করা শুরু করেন। তার মায়ের নাম ক্যাটিরিনা, তিনি ছিলেন একজন গ্রিক।
আলজিয়ার্সে তার তৈরি মসজিদের তালিকা থেকে জানা যায় তার পিতার পুরো নাম ইউসুফ ইয়াকুব আল-তুর্কী ও সেখানেও দাবি করা হয় তার পিতা তুর্কী বংশদ্ভূত ছিলেন।
১৪৬২ সালে লেসবোসে উসমানীয় অভিযানের সময় তিনি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর পুরস্কার হিসেবে দ্বীপের বোনোভা গ্রামে একটি কেল্লা নির্মাণের সুযোগ পান। ইয়াকুব ও ক্যাটিরিনার দুটি মেয়ে এবং চার জন ছেলে ছিল; ইছাখ, অরুজ, খিজির ও ইলিয়াস। ক্রমেই ইয়াকুব কুমার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান এবং একটি নৌকা সংগ্রহ করে তার মালামাল নিয়ে বাণিজ্য করতে বের হন। তার চার ছেলেরা তাদের বাবাকে ব্যবসায় সাহায্য করত কিন্তু তার মেয়েদের কথা খুব বেশি জানা যায় না। চার ভাইয়ের মাঝে খিজির (বারবারোস) ছিলেন তৃতীয়।
প্রথমদিকে অরুজ তার পিতাকে নৌকার কাজে সাহায্য করত তখন বারবারোস হাড়ি পাতিল তৈরির কাজে সহয়তা করত। চার ভাই তাদের শুরুটা হয়েছিলো ব্যবসায়ী হিসেবে। তারা বাবার কাছ থেকে নৌকা চালানো শিখেছিলো। সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের ব্যবসা শুরু করে। বেশ কয়েক বছর একসঙ্গে কাজ করার পর, চার ভাই ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন অংশে নিজেদের আলাদা ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু রোডস দ্বীপভিত্তিক প্রাইভেটিয়ার্স বাহিনী ‘নাইট টেম্পলাররা‘ তাদের ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষতি সাধন করতে থাকে।
এরই চূড়ান্ত রূপ হিসেবে খিস্টান টেম্পলাররা মেঝ ভাই অরুচকে বন্দি করে এবং দাস হিসেবে রেখে দেয়। অরুজ ২/৩ বছর নিদারুণ কষ্টে বন্দি জীবন পার করেন। তারপর ঐকান্তিক চেষ্টায় টেম্পলারদের কাছ থেকে পালাতে সক্ষম হন। পালিয়ে আসার পর অরুজ ছোট ভাই বারবারোসের (খিজির) সঙ্গে মিলে খ্রিস্টান জলদস্যুদের শিক্ষা দিতে দুই ভাই সমুদ্রে ‘পর্যবেক্ষক দল’ গড়ে তোলেন।
তার ভাইরা প্রথমদিকে নাবিক হিসেবে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীকালে প্রাইভেটিয়ার (শত্রু-জাহাজ আক্রমণ ও লুণ্ঠনের অধিকারপ্রাপ্ত বেসরকারী জাহাজ) হিসেবে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে কাজ শুরু করেন। একের পর এক অসংখ্য খ্রিস্টান জলদস্যু জাহাজে আক্রমণ পরিচালনা করেন। আক্রমণগুলো সফল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুল অর্থ-সম্পদও হস্তগত করেন বারবারোসা ভাতৃদ্বয়।
একসময় তারা নিজেদের শক্তির জায়গাটুকু বুঝতে পারেন এবং সেটাকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রে নাইট টেম্পলারসহ অন্যান্য খ্রিস্টান জলদস্যু জাহাজ লুট করেন। এভাবেই তারা স্পেনীয় এবং অসংখ্য ইউরোপীয় রাজ্যের চোখের বালিতে পরিণত হন।
বারবারোসের সমুদ্রের জীবন
A model of Barbarossa’s galley during his campaign in France in 1543, at the Istanbul Naval Museum
খাইরুদ্দিন বারবারোসার বড় ভাই অরুজ-কে বাবা অরুজ হিসেবেও উল্লেখ পাওয়া যায় কারণ তিনি একসময় আন্দালুস থেকে মুসলিম শরণার্থীদের খ্রিস্টান গণহত্যা থেকে বাঁচাতে নিজের নৌবহরে করে উত্তর আফ্রিকা পৌঁছে দিয়েছিলেন। এই ঘটনার পর পর্তুগীজ এবং স্পেনীয় খ্রিস্টান সন্ত্রাসীরা উত্তর আফ্রিকা উপকূলে আক্রমণ চালাতে শুরু করে, যা আফ্রিকান আমির এবং উসমানীয়দের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই আক্রমণের জবাব দিতে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় বায়েজিদের পুত্র শাহজাদা কুরকুদ অরুজ এবং খিজির(বারবারোস) কে ডেকে পাঠান। তাদের কাজ ছিলো পশ্চিম ভূমধ্যসাগরে খ্রিস্টান নৌবাহিনীকে প্রতিরোধ করা।
কিন্তু ১৫১২ সালে প্রথম সেলিম উসমানী সিংহাসনে বসার পর শাহজাদা কুরকুদকে পারিবারিক কারণে মৃত্যুদণ্ড দেন। নিজেদেরকে সুলতান সেলিমের রোষানল থেকে বাঁচাতে অরুজ এবং বারবারোস উত্তর আফ্রিকান ঘাঁটিতে দেহ ঢাকা দেন। সেখান থেকেই তারা স্পেনীয়দের বিরুদ্ধে আফ্রিকান আমিরদের সাহায্য সহায়তা করতে থাকেন।
বারবারোসা ভাতৃদ্বয় ১৫১৬ খ্রিঃ আলজিয়ার্স আক্রমণ করেন। ফলে এই অঞ্চলটি স্পেনীয়দের হাত থেকে মুসলিমদের হাতে চলে আসে।
বারবারোসা সিরিজে বারবারোসা ও তার ভাই অরুজ।
আলজিয়ার্সকে মুক্ত করার পর সুলতানের সুনজরে আসেন অরুজ ও বারবারোসাদের উপর। ফলে এবার তারা জনসম্মুখে আসেন। উসমানীয়রা দুই ভাইয়ের সাথে চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। যে চুক্তির মাধ্যমে সুলতান অরুজকে আলজিয়ার্সের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব দেন। আর খিজির তথা বারবাররোসাকে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের নৌ-সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন।
অরুজ স্পেনীয়দের সঙ্গে এক সম্মুখ যুদ্ধে শহিদ হন।
খাইরুদ্দিন বারবারোসা কে নিয়ে এক টি সিরিজ বের হচ্ছে চলতি বছরের শেষ দিকে বর্তামানে শুটিং এর কাজ চলছে। সিরিজ টি নিয়ে জানতে ভিজিট করুন খাইরুদ্দিন বারবারোসা লিংকে।
খাইরুদ্দিন বারবারোসা
উসমানী নৌ-সেনাপতি (অটোমান অ্যাডমিরাল)
নৌ-সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর, খাইরুদ্দিন বারবারোসা দুই দশক ধরে ভূমধ্যসাগর, পূর্ব আটলান্টি সাগর এবং উত্তর আফ্রিকাতে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছেন। তার বেশ অনেক রণতরী ছিলো, সেই সঙ্গে নৌ ও স্থলবাহিনীর বিশাল বাহিনী। এই বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে ভূমধ্যসাগরে উসমানিয় খেলাফতের প্রভাবকে পাকাপোক্ত করে তোলেন। তারপর মননিবেশ দক্ষিণ ইউরোপের উপকূলবর্তী এলাকায়। আমেরিকার সঙ্গে স্পেনীয়দের বাণিজ্যিক পথগুলো একের পর এক বন্ধ করে দিতে থাকে বারবারোসা। তিনি এসব নৌ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন।
১৫৩৮ খ্রিঃ ক্রোসেড বা হলি লিগের যুদ্ধ
১৫৩৮ সালের প্রেভেজা যুদ্ধ (ক্রুসেড)। হলি লিগের যুদ্ধ। (sorce: wikipedia)
পোপ তৃতীয় পল বারবারোসার বিরুদ্ধে ১৫৩৮ খ্রিঃ একটি নৌ ক্রুসেডের আয়োজন করেন। পোপের নেতৃত্বে স্পেন, জেনোয়া, ভেনিস প্রজাতন্ত্র, পাপাল রাজ্য, এবং মাল্টার নাইটদের সমন্বয়ে একটি বিশাল নৌ-বাহিনী গড় তুলে। এই বিশাল যৌথ বাহিনীর নাম দেয় “পবিত্র সংঘ” হলি লিগ। এই পবিত্র সংঘের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো যে কোনো মূল্যে বারবারোসার নেতৃত্বাধীন মুসলিম নৌ-বাহিনীকে পরাজিত করা।
পোপের নৌবহরের দায়িত্ব দেওয়া হয় অ্যাডমিরাল আন্ড্রে ডরিয়ারকে। এই বিশাল নৌ-বহরে রণতরী ছিল ১৫৭টি। অপরদিকে বারবারোসার নেতৃত্বাধীন মুসলিম বাহিনীর রণতরী ছিল ১২২টি।
১৫৩৮ খ্রিঃদের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রেভেজায় সংঘটিত এই নৌ যুদ্ধে বারবারোসার বাহিনীর কাছে নাজুক ভাবে পরাজিত হয় পোপের যৌথ বাহিনী তথা প্রবিত্র সংঘ। সমাপ্ত হয় ক্রুসেডের বেস্তে যায় হলি লিগ।
মুসলিমরা যৌথ বাহিনীর ১০টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছিলো। খ্রিস্টানদের ৩৬টি জাহাজ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এবং আরও ৩টি জাহাজ মুসলমানদের হাতে চলে যায়। এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে উসমানীয়রা একটি জাহাজও হারায় নি। তবে তাদের ৪০০ জনের মত মুসলিম সৈনিক শহিদ হয় এবং প্রায় ৮০০ জন সৈনিক আহত হয়। খ্রিস্টান হলি লিগের ৩,০০০ নাবিক মুসলমানদের কাছে বন্দি হয়। ফলে রাত না পেরুতেই অ্যাডমিরাল আন্ড্রে ডরিয়া নিজ বাহিনীকে নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র ছিটকে পরেন রাতের আধারে।
চমৎকার এই যুদ্ধ জয়ের পর, উসমানী সুলতানের তোপকাপি প্রাসাদ যেন বারবারোসাকে অভ্যর্থনা জানাতে আকুল হয়ে ছিলো। তখন উসমানী সিংহাসনে ছিলেন সুলতান সুলেমান। তিনি বারবারোসাকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং তাকে পুরষ্কার হিসেবে সমগ্র উসমানী নৌ-বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল হিসেবে পদোন্নতি দেন। সেই সঙ্গে উত্তর আফ্রিকা এবং রোডসের প্রধান প্রশাসক হিসেবেও নিয়োগ করেন বারবারোসা কে আর উপাধি দেন খাইরুদ্দিন অর্থাৎ ধার্মিকতা বা ইসলাম ধর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ ।
পরের বছরগুলোতে বারবারোসা তিউনিস এবং ত্রিপলি অটোমান শাসনের অধীনে নিয়ে আসেন।
অন্য-আন্যঃ
স্পেন ছিল বারবারোসার জীবনকালে তার আক্রমনের প্রধান টার্গেট। কারণ যখন তিনি ছোট ছিলেন তখন খ্রিষ্টান রাজা ফার্দিনান্দ গ্রানাডা দখল করে গনহত্যা চালায় এবং মুসলিমদের নির্বাসন দেয়। কিন্তু এর প্রতিশোধের কথা তিনি কখনো ভুলেননি। বড় হয়ে বারবারোসা একবার স্পেনের এক বন্দরে হামলা করে প্রায় ৭০ হাজার মরিসকোকে উদ্ধার করে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ায় নিয়ে আসেন। তার জীবদ্দশায় তিনি ও তার বাহিনী ৭ লক্ষ মুসলিমকে স্পেনের খ্রিষ্টানদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার হাত থেকে রক্ষা করেন।
আন্দালুস পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি অসংখ্যবার স্পেনে হামলা করে স্পেনের নৌ-বাহিনীকে হারিয়ে এর উপকূলীয় শহরগুলো জয় করেন।
খাইরুদ্দিন বারবারোসা ‘র অবসর জীবনঃ
অসুস্থ হয়ে পরলে তিনি তার পুত্রের হাতে আলজিয়ার্সের শাসনভার ন্যস্ত করেন এবং ১৫৪৫ উসমানীয় রাজধানী ততকালীন কন্সটান্টিনোপলে বর্তমানের ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন। সেখানে কিছুদিন থেকে অস্থির হয়ে আবার জীবনের শেষ অভিযানে বের হয়ে স্পেনের নৌ-বন্দরগুলোতে হামলা চালিয়ে বোমাবর্ষন করে ফিরে আসেন।
আগে থেকেই আসুস্থ থাকায় ৪-ই জুলাই, ১৫৪৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন সমুদ্রের রাজা হিসেবে খ্যাত খাইরুদ্দিন বারবারোসা।
তার মৃর্ত্যুর খবর পেয়ে তখন হলি লীগের সম্মিলিত বাহিনী আনন্দ উৎসব করে ও পোপ নিজেও খুশীতে বিশেষ বানী দেন! কারণ খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে তার কোন পরাজয়ের ইতিহাস নেই। তিনি বিভিন্ন নৌ-যুদ্ধে খৃষ্টানদের যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি করেছিলেন তা ইতিহাসে আর কেউ করতে পারেনি।
খাইরুদ্দিন বারবারোসের সমাধিটি বসফরাসের ইউরোপীয় অংশের ব্যসিকটাস শহরে অবস্থিত। তখন কার বিখ্যাত স্থপতি মেমার সেনান সমাধিটি তৈরি করেছিলেন। সমুদ্রের দিকে ফেরানো বারবারোসার একটি মূর্তিও রয়েছে সেখানে।
পরবর্তী বহু বছর ধরে সমুদ্রগামী নাবিকরা তাদের পরম শ্রদ্ধেয় নেতাকে দেখে সম্মান জানাতো।
সিরিজটির সকল পর্ব দেখতে উপরের বারবারোসলার লিংক বা লেখায় ক্লিক করুন।
খাইরুদ্দিন বারবারোসা সিরিজ দিরিলিস এ আরতুগ্রুল গাজী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করা আমাদের সবার
এনজিন আলতান – বারবারোস সিরিজের একটি ছবি।
প্রিয় এনজিন আলতান খাইরুদ্দিন বারবারোস এর ভাই এর চরিত্রে অভিনয় করবেন।
তিনি দিরিলিস আরতুগ্রুল নামে ৫ সিজনে ১৫০ ভলিউমের সিরিজে সারা দুনিয়া মাতিয়েছেন। বর্তমানে তিনি আরতুগ্রুল নামে অধিক সুপরিচিত।তার চালচলন কথা বার্তা সব মানুষের মন কেরেছে। সিরিজটি তুর্কি ভাষা হয়েছে, এমন কি আলোচিত প্রেসিডেন্ট রজব তাইওফ এরদোয়ান কে অনেক সময়-ই সুটিং স্পট এ দেখা গেছে।
বর্তমানে পাকিস্তানের PTV তে দেখানো হচ্ছে উর্দু ডাবেড। আমাদের বাংলাদেশে প্রথম ২ সিজন দেখানোর পর অজ্ঞাত এক কারনে বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে ফেসবুকে বেশ আলোরন আছে।
কিছু সোর্স মতে এই সিরিজে পরিচালক পানির মতো টাকা ঢালছেন এবং তুর্কীর অন্য সকল সিরিজ থেকে এইটার বাজেট অনেক অনেক গুন বেশি। এমন কি সুটিং চলাকালেই ব্যাপক আলোরন যাগিয়েছে সিরিজ টি। রূপালি পর্দায় আসার আগেই ফেসবুকে এ নিয়ে ঝড় বইছে রীতিমত।
খাইরুদ্দিন বারবারোস
খাইরুদ্দিন বারবারোস মুসলিম উম্মাহ র সবচেয়ে সাহসী এবং চতুর নৌ-সেনাপতি। তার মত দুর্ধর্ষ ও বিচক্ষণ নৌ-সেনাপতি গোটা ইউরোপে একজনও ছিলো না। তার বুদ্ধিমত্তায় উসমানীরা সামুদ্রপথে একদিন যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল।
এক কথায় পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া সেই সেনাপতির নাম খাইরুদ্দিন বারবারোসা। খাইরুদ্দিন বারবারোসাকে উম্মাহ স্মরণ করে কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হল,
১। তিনি অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহর মহান খেদমতে।
২। তিনি-ই আন্দালুস থেকে ৭০ হাজার মুসলমানকে মুক্ত করে আলজেরিয়া নিয়ে আসেন।
৩। স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের হাত থেকে ভূমধ্যসাগরকে তিনি নিরাপদ করে তোলেন।
৪। প্রিভেজার যুদ্ধে তিনি ক্রুসেডারদের নির্মমভাবে পরাজিত করেন।
বড় বাজেটের এই বারবারোস সিরিজ কোন কোন জিনিসগুলি তুলে ধরে সেইটাই এখন দেখার বিষয়। আসা করা যায় সেপ্টেম্বর এর দিকে আমরা দেখতে পারব।
যেখানে এত এত ফিচার যুক্ত মোবাইল ফোন রয়েছে। সেটা কে ফেলে রেখে এই মোটা মোটা বই থেকে বড় বড় প্রশ্ন পড়তে কারোই ভাল লাগে না। কিন্তু লেখা পড়া টা এত কষ্টকর হওয়ার কথা না মনে হয় একদম রসহীন।
কিছু এমন পদ্ধতি রয়েছে যা অনুসরন করলে এই বুরিং লেখা-পড়া কে মজার করা সম্ভব।
কিছু ছাত্র-ছাত্রী থাকে যাদের কে সবাই বই পোকা হিসেবে চিনে। তারা কিভাবে পড়া-শুনা করে যে তারা প্রতিনিয়ত ভাল নম্বর পায়!!
আর সেই রহস্য আপনাদের মাঝে নিয়ে আসার জন্য আজ এই আর্টিকেল। বিভিন্ন টপারদের ইন্টারভিউ থেকে টিপস নিয়ে হাজির হলাম এবং সাথে তাদের পড়ার ও লিখার ধরন নিয়ে। আজ এই আর্টিকেলে সেই রহস্য জানতে পারবেন।
তাই মনযোগ দিয়ে এই আর্টিকেল টি পড়তে থাকুন।
আপনি মানুন আর নাই মানুন আজ কাল সমাজে একজন স্টুডেন্টের যোগ্যতা যাচাই করা হয় তার পরিক্ষার রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে। সেটা কি তার মুখস্ত বিদ্যা না প্রকৃত বিদ্যা তা যাচাই হয় না।
অনেক আছে যা মুখে বলতে পারে না কিন্তু লিখতে পারে আবার অনেকে বইয়ের ভিতর ছাড়া আর কিছুই জানে না।
যাই হোক এই যুগে আপনাকে যোগ্যতার প্রমান দিতে হলে অবশ্যই বেশি নাম্বার পেতে হবে এবং তার বিকল্প নেই। তাই পড়া-শুনার জন্য নাম্বার টা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যেখানে গ্রেট বা নাম্বার ই সব কিছু সেখানে প্রেক্টিস ছাড়া উপায় নাই।
লিখার চর্চা
আপনি যতই জানুন যতই পড়ুক তাতে লাভ নেই যদি আপনি নির্দিষ্ট সময়ে পরিক্ষার খাতায় না লিখতে পারেন, কোন লাভ নেই আর তার মানে আপনি যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারেন নি। তাই আপনাকে লিখার চর্চা ব্যতিত উপায় নেই। লিখতে হবে নির্দষ্ট সময়ের মধ্যে। তাই এক্সামের হলে যাওয়ার আগে আপনাকে প্রচুর লিখার পেক্টিস করা লাগবে। বিগত বছরের প্রশ্ন সংগ্রহ করে সময় দরে লিখার গতি বাড়াতে থাকুন।
মক টেস্ট
পরিক্ষার প্রশ্নের সময় দরে পেক্টিস করা কেই মক টেস্ট বলা হয়ে থাকে। পরিক্ষার যোগ্যতার প্রমান দিতে আপনাকে মক টেস্টের চর্চা বা পেক্টিস করা লাগবে প্রচুর। টপার্সদের মত অনুসারে বিগত বছরের প্রশ্ন নিয়ে মক টেস্ট দিলে পরিক্ষার হলে নিজে কে ১০০% যোগ্যতার পরিচয় দিতে সহায়তা করে। তাই প্রচুর মক টেস্ট দিন আর নিজ কে যোগ্য করে তুলুন।
মক টেস্ট দিলে পরিক্ষার প্রশ্নের ধরন নিয়ে পরিষ্কার ধারানা পাওয়া যায়। সাথে কোন প্রশ্নে কত সময় ব্যয় করবেন তার একটা অভিজ্ঞতা পাবেন।
আপনি আরও খেয়াল করবেন যে, এমন অনেক প্রশ্ন বা টপিক্স আছে যা প্রায় প্রতি বছর এসে থাকে। সেদিকে আপনার অভিজ্ঞতা হবে আর আপনি সেই টপিক্সে যোর দিতে পারবেন। তাই মক টেস্ট অত্যান্ত জরুরি।
ভাল প্রেজেন্টেশন
আপনার পরিক্ষার নাম্বার অনেক খানি নির্ভব করে আপনার লিখার প্রেজেন্টেশনের উপন। ধরুন আপনি একটা প্রশ্ন খুব ভাল করে লিখলেন আপনার ধারনা আপনি ১০ থেকে ৯ পাবেন কিন্তু আপনি যাদি সুন্দর হাতে লিখা আর সুন্দর প্যারাগ্রাফ আকারে না লিখেন তাহলে আপনি ৫ নম্বর না পেতে পারেন। তাই লিখা সুন্দর করে ভাল ভাবে গুছিয়ে লিখতে হবে।
যদি আপনি ই খাতা টা দেখেন তাহলে এলমেল ও অসুন্দর লিখায় ভাল নাম্বার দিবেন না। যেহেতু শিক্ষক আপনার খাতার উপর নির্ভর করে আপনা কে নাম্বার দিবে তাই আপনি কত বুদ্ধিমান কত জানেন তা বিচার করবে না তাই খাতার ভাল হতে হবে।
যেহেতু তারা কম সময়ে অনেক খাতা দেখেন তাই তার আশা করে যে আপনি পরিষ্কার করে গুছিয়ে লিখবেন যাতে সহজে ও কম সময়ে পড়া যায়।
কি লিখছেন এবং কি ভাবে লিখছে দুটাই সমান জরুরি।
কি ভাবে ভাল প্রেজেন্টেশন করবেন?
কি ভাবে পরিষ্কার ও গুছিয়ে লিখবেন?
১। যা জানতে চাওয়া হয়েছে ঠিক ততটুকুই সংখেপে উত্তর লিখুন।
২। উত্তরের মধ্যে বেশি গুরত্ব পূর্ণ শব্দ গুলো চাইলে আন্ডারলাইন করতে পারেন তবে এক প্রশ্নে ৪/৫ টার বেশি করবেন না।
৩। যতদূর সম্ভব উত্তর পয়েন্ট আকারে লিখুন।
৪। প্রতি টি প্রশ্নের ঊত্তর শেষে দু লাইন ফাকা রেখে পরের প্রশ্নের উত্তর শুরু করুন।
৫। ৪নাম্বারের উপরের প্রশ্ন হলে পরের পেজ থেকে শুরু করুন। কারন কোন পেজের শেষের থেকে কোন নতুন প্রশ্ন শুরু না করাই ভাল।
৬। হাতের লিখা পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন তাই বলে বইয়ের মত হতে হবে এমন নয় সহজে পড়তে পারলেই হল। অতি সুন্দর করতে গিয়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।
৭। চেষ্টা করুন প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ঊত্তর লিখতে।
পড়ায় দূঢ়তা ও সামঁজস্যতা
আপনাকে লেখা পড়ায় দূঢ়তা ও সামঁজস্যতা থাকতে হবে। আপনাকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়তে হবে তাতে করে আপনার ব্রেইন আসতে আসতে তা মাথায় জমা করবে এবং তার স্থায়িত্ব পাবে।
একজন টপার স্টুডেন্ট কখনও পরিক্ষার আশায় বসে থাকে না তারা রুজ অল্প অল্প করে পড়তে থেকে। তাই আপনাকে পড়ায় দূঢ়তা রাখতে হবে।
পাশা-পাশি আপনাকে এক প্রশ্নের সাথে অন্য সামঁজস্য প্রশ্ন গুলিও পরতে হবে তাতে করে সহজে সামঁজস্য প্রশ্ন গুলি সহজে আপনার মাথায় গেথে যাবে।
পরে পরিক্ষার আগে শুধু পড়া গুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলেই হয়। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে পড়ার চাপ থেকেও বাচায়। তাই আপনাকে পড়ার জন্য সময় বের করে নিতে হবে দরকার হলে অন্য আন্য দিকে সময় কমাতে হবে। যেমন অনলাইনে সময় কমিয়ে পড়ায় সময় বাড়াতে হবে।
পরিক্লপনা করা
পৃথিবির সব কাজেই পরিক্লপনার প্রয়োজন হয়। পরিক্লপনা ব্যবতিত কোন কাজে সমফল হওয়া যায় না। তেমনই আপনাকে পড়া-শুনা করার জন্য পরিক্লপনা করতে হবে। প্রতি টা টপার তাদের পড়া শুনার জন্য প্লান পরিক্লপনা করেন। নির্দিষ্ট সময়ে সিলেবাস শেষ করার।
যেমন আপনার কিছু দূর্বল বিষয় থাকতে পারে সে সবে বেশি সময় দিতে হবে। এমন কি টপাররা ও এমন টাই করে থাকে। তারা সে সব সাব্জেক্ট এ বেশি সময় দেয়। আর আপনি সেই বই টি পড়তে চান না এটাই আপনার আর টপারদের মধ্যকার পার্থক্য। তাই আপনি যে সাব্জেক্টে দূর্বল সে বিষয়ে এক্সট্রা সময় দিন।
পরিক্লপনার জন্য যা যা করবেন?
এলার্মঃ- প্রতিদিন পড়তে বসার জন্য এলার্ম ব্যাবহার করুন। যেন পড়তে বসা টা আপনার অব্যাশে পরিণত হয়।
রুটিন তৌরি করুনঃ- প্রতিদিনের পড়ার একটা রুটিন করে সেট টেবিলের সামনে বা সহজে চোখে পরে এমন স্থানে লাগিয়ে রাখুন যেন চলতে ফিরতে আপনার চখে পরে।
টার্গেট লিস্টঃ- প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিনে আপনি কি কি পড়ে শেষ করবেন বা কোন কোন বিষয় কতটুকু পড়বেন তার একটা টার্গেট লিস্ট তৌরি করুন।
সময় নির্ধারনঃ- প্রতি টি পড়া শেষ করা আগে সময় নির্দারন করুন এবং চেষ্টা করুন উক্ত সময়ে শেষ করতে। না পারলে চিন্তা করুন এটা চালিয়ে যাবেন না পরের টা শুরু করবেন।
চিত্তবিনোদন পরিহারঃ- বর্তমানে আপনার প্রচুর সময় খেয়ে নিচ্ছে আধুনিক চিত্তবিনোদন গুলো যথা ফেসবুক, ইমো , হোটাস এপ, টিকটক, লাইকি, বিগু ইত্যাদি। এ গুলা শুধু আপনার সময় নিচ্ছে আর তাদের ব্যবসা করে যাচ্ছে। আপনি পরিক্ষায় ফেল করলে তাদের কিছু আসে যায় না।
জীবনে চিত্তবিনোদনের জন্য অনেক সময় পাবেন। কিন্তু পরিক্ষা ও পড়া লেখার সময় একটা সময় ফুরিয়ে যাবে।
তবে বর্তমানে এ গুলো থেকে একভারে বের হওয়া সম্ভব না তাই সময় কমিয়ে দিন।
মনে রাখবেন আজ যার সাথে এত সময় দিচ্ছেন সেই আপনেকে নিয়ে তামসায় মেতে ঊঠবে আপনি পরিক্ষায় ফেইল করলে। আপনার জীবন আপনাকেই সামলাতে হবে। তাই মন কে কন্ট্রোল করতে শিখুন মন আপনাকে কন্ট্রোল করার আগেই।
পরিশেষে আপনাকে বলব
আজ থেকে আপনি আর্টিকেল টি অনুসরণ করুন। পুরুটা না করতে পারলেও অল্প চেষ্টা করুন। আমাদের কথা শুনে দুদিন ট্রায় করে দেখুন, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
কিছু বলার বা জিজ্ঞসা করার থাকলে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান কমেন্ট করুন আমরা আছি আপনার সহযোগিতায়।
কে না চায় একজন ভাল হতে, সবাই চায়। ফাস্ট ব্যাঞ্চের স্টুডেন্ট থেকে শুরু করে লাস্ট ব্যাঞ্চের স্টুডেন্ট সবাই চায় একজন ভাল স্টুডেন্ট হতে।
যাই হোক আজ আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে আসছি এমন এক আর্টিকেল যার মাধ্যমে আপনি একজন ভাল ছাত্র হতে পারবেন ইনশাল্লাহ। তবে হা আমি কেবল আপনাকে রাস্তা দেখাতে পারব চলতে হবে আপনার। আমরা বলতে পারি আপনি যদি আমাদের দেখানু রাস্তা অনুসরণ করেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত।
আমরা চাই আপনি অল্প পরিশ্রমে একজন ভাল ছাত্র হয়ে উঠুন। আজ এই আর্টিকেল আপনাকে শিখাবে কি করে অল্প পরিশ্রমে ভাল ছাত্র হবেন। তাই দেরি না করে শুরু করুন।
একজন ভাল ছাত্র হতে হলে বেশ কিছু গুণাবলি থাকা জরুরি। যেমন ক্লাসে মনযোগি, সময়ের সচেতন, লিখা সুন্দর, সাজানু গুছানো লিখা, শৃঙ্খলাবোধ, নিয়ম মেনে পড়াশুনা করা, সততা, ধর্মচর্চা, শরীরচর্চা, গুরুজনদের সম্মান করা এবং ছোট দের স্নেহ করা ইত্যাদি গুনাবলি থাকা অতিব জরুরি।
ভালো ফলাফলের জন্য করণীয়
ভাল ফলাফলের জন্য নিয়মিত পড়াশুনার বিকল্প নেই। আপনাকে নিয়মিত ভাল ভাবে পড়তে হবে দৈনিক ৫/৬ ঘন্টা। ভালভাবে অধ্যায়ন করলে শ্রেণী শিক্ষক দ্বারাই ভাল ফলাফল করা সম্ভব। গৃহশিক্ষক বা কোচিংয়ের প্রয়োজন হয় না তেমন।
পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা আসলেই কোনো কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনাকে পরিক্ষার আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে। বেশি বেশি মক টেস্ট দিতে হবে, লেখার মান ভাল করতে হবে, প্রশ্ন কাঠামো বুঝতে হবে, মান-বন্টন ইত্যাদি খেয়াল রাখতে হবে।
কিভাবে ভাল ছাত্র হবেন !!! জানতে হলেই আপড়ুনঃ-
কি ভাবে পরিক্ষার প্রস্তুতি নিবেন খুব সহজে???
নতুন কাঠামো পদ্ধতি
বর্তমানে শিক্ষার নতুন কাঠামো লেখা-পড়ার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আজকাল পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সৃজনশীল ছাত্র-ছাত্রীদের অজানাকে জানার কৌশল করে দিয়েছে।
তাই মনোযোগ সহ কারে প্রশ্ন কাঠামো বুঝতে হবে। প্রশ্ন কাঠামো অনুযায়ী পড়াশুনা করতে হবে এবং পরিক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতা
বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। পৃথিবি এখন হাতের মুঠোয়। হাতের স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করে সারা দুনিয়া ঘুরা যায়, বিশ্বের নামি দামি লাইবেরি তে পড়া যায়। অনেক ওয়েব সাইটে আর্টিকেল পড়া যায় শিক্ষা বিষয়ক।
শিক্ষার্থীকে তাদের জ্ঞান কে বৃদ্ধি করতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাবহার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আপনি অজানা জ্ঞান থেকে নিজে পিছিয়ে পড়বেন যা অবশ্যই কাম্য নয়।