Thursday, 16-April, 2026
Home Blog Page 10

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় বা পূর্ব শর্ত।

4
গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত
গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত

ইরাকক্সের এই পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। আমরা আজ আলোচনা করব এডসেন্স নিয়ে।
গুগল এডসেন্স কি? এটি কিভাবে কাজ করে? এবং আপনি কি এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারবেন?
এই গুলো খুবই কমন ও সাধারণ কিছু প্রশ্ন।
আপনার গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত সমুহের ধারনা নিন। এডসেন্স এপ্লাই করার পূর্বে জেনে রাখা উচিত পয়েন্ট গুলো।

গুগল এডসেন্স

আপনি যদি অনলাইন সম্পর্কে সামান্য ধারনা থাকে তাহলে আপনি এডসেন্স সম্পর্কে শুনে থেকবেন।আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন, অনলাইনে নিয়মিত ঘাটাঘাটি করে থাকেন এবং অনলাইনে আয় করতে চান তাহলে আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে ভাল কারে জানতে হবে।

গুগল অ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন আর সেই সাথে আপনার নিজের বিজ্ঞাপন ও এডসেন্সের মাধ্যমে প্রাকাশ করতে পারবেন। এটি Google মালিকানাধীন। আপনার পেমেন্ট পেতে কোন জামেলা পোহাতে হবে না আপনি পেমেন্ট নিয়ে ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারবেন। এডসেন্স গুগলের আয়ের একটি বড় অংশ। গুগলের মাসিক আয় সম্পর্কে আপনার নিশ্চয় ধারণা আছে। এই আয়ের কিছু অংশই গুগল আপনাকে প্রদান করে প্রকাশক হিসেবে।

এডসেন্সের বিজ্ঞাপনগুলি মোবাইল টেব লেপটপ কম্পিউটার সব ডিভাইসগুলিতেও দেয়া যায়।
www.google.com/adsense শর্ত পুরন করে যে কোনও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এডসেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারেন। শুধু ওয়েবসাইট নয় আপনি চাইলে ইউটিঊবের মাধ্যমে ও এডসেন্সে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

গুগল এডসেন্সের অনেক কঠোর নিয়ম আছে যা কোন ভাবেই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। একটি এডসেন্স প্রকাশক হিসাবে আপনার দায়িত্ব সাথে নিয়ম অনুসরণ করাও আপনার গুরু দায়িত্বে।
এডসেন্স ডেস্কটপ ওয়েবসাইট, ভিডিও, গেমস, মোবাইল এপস (মোবাইল এপসের জন্য এডমব প্রয়োজন যা এডসেন্সের অনয় একটি শাখা) এবং আরও অনেক কিছুর জন্য উন্মুক্ত।

এডসেন্স বিজ্ঞাপন টেক্সট এবং ইমেজ সহ বিভিন্ন সাইজ থাকে। যেমনঃ- ব্যানার এড, ইন্ড্রাস্টিয়াল এড, নেটিব এড, রিওয়ার্ড এড, ভিডিও এড ইত্যাদি।
এডসেন্স প্রকাশকদের Google Inc. দ্বারা পেমেন্ট করা হয় যা সম্মানের ভাগীদার।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত

১। সময়ঃ আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট নুন্যতম ১ থেকে ৬ মাস পুরনো হতে হবে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি আপনার ওয়েবসাইট ক্যাটেগরি একক হয় এবং আপনি সুন্দর করে সাজাতে পারেন তাহলে ১ মাসেও সম্ভব। এই ওয়েবসাইট মাত্র ২০ দিনের মাথায় এডসেন্স ছাড়পত্র পায় কারন হিসেবে বলা যায় ইউনিক ক্যাটেগরি।
২। ডোমেইন এক্সটেনশনঃ আপনাকে একটি ভাল মানের ডোমেইন লাগবে, ফ্রি কোন ডোমেইন হলে চলবে না। আপনাকে অবশ্যই একাটি প্রিমিয়াম ডোমেইন লাগবে। আপনার জন্য আদর্শ হল ড্ড কম Example.com , ড্ড নেট Example.net , ড্ড অর্গ Example.org ইত্যাদি।
৩। কন্টেন্ট সংখাঃ কন্টেন্ট বা আর্টিকেল হল আপনার ওয়েব সাইটের পোস্ট।এডসেন্স পেতে হলে ওয়েবসাইটে মিনিমাম ৩০-৩৫ টা ইউনিক আর্টিকেল থাকতে হবে। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরির সাথে মিল থাকতে হবে।
৪। আর্টিকেলের মানঃ আপনার ওয়েবসাইটে সকল পোস্ট বা আর্টিকেল ইউনিক হতে হবে। কোথাও থেকে কপি করা চলবে না। আপনি যদি কপি করে থাকেন তাহলে গুগল বুঝতে পারবে অনাসায়ে। তাই চুরি করতে যাবেন। ধরকার হলে আপনি অন্যের আর্টিকেল থেকে ধারনা নিতে পারবেন।
৫। তৃতীয় নেটওয়ার্কঃ অন্য কোন নেটওয়ার্ক এর এড আপনার সাইটে থাকলে, অ্যাডসেন্স আবেদনের পূর্বেই তা শরিয়ে রাখুন। গুগল সাধারণত ফ্রেশ ওয়েবসাইট পছন্দ করে। তাই আপনি তৃতীয় কোন এড ব্যাবহার করবেন না। তাহলে আপনি এডসেন্স নাও পেতে পারেন।
৬। নিষিদ্ধ কন্টেন্টঃ আপনার সাইটে গুগল কর্তৃক নিষিদ্ধ করা আছে এমন কোন পোস্ট কন্টেন্ট প্রকাশ করা যাবে না। ওয়েবসাইটে Adult/Hacking রিলেটেডে আর্টিকেল প্রকাশ করা যাবেনা। এসব থেকে বিরত থাকুন।
৭। ক্লিন সাইটঃ হোম পেইজ/লেন্ডিং পেইজ সিম্পল রাখুন। সাইট লোডিং টাইম কম রাখার সর্বচ্চো চেষ্টা করুন। কারন গুগল স্লো সাইট পছন্দ করেনা। আপনার সাইট স্পীড টেস্ট করুন আর আপনার সাইট কে রেসপনসিব রাখার চেষ্টা করুন।
৮। থিমসঃ আপনার ওয়েব সাইটের জন্য একটি ভাল মানের ওয়ার্ডপ্রেস থিম লাগবে। রেস্পন্সিব হতে হবে হাল্কা হতে হবে। গুগল এডসেন্স রিকমান্ড করে থাকে Contempo, Notable, Soho, অথবা Emporio-এর মতো থিম ব্যবহার করার জন্য যা সব ডিভাইসেই ভাল লাগে।
সব ডিভাইসেই দেখতে ভাল লাগে এমন একটি প্রতিক্রিয়াশীল থিম ব্যবহার করুন। (সবথেকে ভাল উদাহরণ হল ডায়নামিক ভিউ।)
৯। এডসেন্স কোডঃ এডসেন্স কোড আপনার সাইটে সঠিক ভাবে বসান। আপনি চাইলে আপনার সাইটে গুগল এডসেন্সের অটো কোড সেট আপ করতে পারেন।

কি ভাবে গুগল এডসেন্সের অটো কোড বসাবেন?

গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্ত সমূহ মেনে এডসেন্সসের জন্য আবেদন করে থাকলে গুগল সাধারণত ১০/১২ দিন সময় নেয় সাইট রিভিউ করার জন্যে। অনেক সময় এর আগেও এপ্রোভাল দিয়ে থাকে।

এডসেন্সের জন্য কিছু জরুরী বিষয়।

CPC, CPM, CTR, PPC কি?

CPC কি?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো CPC (Cost Per Click) এর মানে, আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর যতবার আপনার এড এ ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন।
তারমানে এই না, নিজেই নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা যাবে। প্রকাশক নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা কঠোরভাবে নিষেধ। গুগল আমাদের সবার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট। আত্মীয়স্বজন দের দিয়ে অ্যাড এ ক্লিক করানো কৌশল করবেন না। গুগল ধরতে পারলে আপনার একাউন্ট বাতিল করে দিবে। তাই এসব থেকে ১০০ হাত দুরে থাকুন। চেষ্টা করুন রিয়েল ক্লিক আনতে। অর্গানিক রেজাল্ট আপনার জন্য উত্তম।

CPM- Cost per thousand Impression :

ভিজিটর আপনার অ্যাড যতবার ভিউ করলো। প্রতি এক হাজার বার ভিউ এর জন্যে গুগল আপনাকে টাকা পে করবে।

CTR কি?

সি টি আর CTR হল Click Through Rate অর্থাৎ আপনার কত শতাংশ ভিজিটর এড এ ক্লিক করলো। সাধারণত CTR ২-৫% হওয়া ভালো। আপনি যদি বেশি CPC কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল সাজাতে পারেন তবে ২-৫% CTR দিয়েও খুব ভালো ইনকাম করা যায়। CTR ১৫% এর বেশি গেলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। গুগল মনে করে ২-৫% CTR স্ট্যান্ডার্ড। এর বেশি মানে প্রকাশক নিজে বিভিন্ন উপায়ে এড এ ক্লিক করাচ্ছে যা গুগল এর নীতির লঙ্গন।

PPC কি?

PPC হল Pay Per Click যা বিজ্ঞাপনদাতার উপর গুগল এই মেথড ফলো করে। এর মানে আপনার ওয়েবসাইট এ যে বিজ্ঞাপন গুগল দিবে তার উপর প্রতি ক্লিকে গুগল বিজ্ঞাপনদাতা থেকে যে অর্থ নিবে সেটাই PPC বা Pay Per Click।

কত ইনকাম করতে পারবেন?

ইনকাম আপনার আর্টিকেল লেখা এবং ওয়েবসাইট প্রচারের উপর নির্ভর করে। আপনার সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি আপনার CPM হবে। আর CPM বাড়লে CTR এমনিতেই বাড়তে থাকবে।
সর্বদা CTR খেয়াল রাখবেন। প্রতিদিন একবার হলেও আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে লগইন করে দেখে নিন আপনার CTR
CTR ১০% এর বেশি হয়ে গেলে এড অফ করে দিন। ১ দিন দেখুন CTR রেট কমে আসলে আবার এড ডিস্প্লে করুন।
CTR এবং ভিজিটর ডিটেইলস পেতে গুগল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করবেন। গুগল এনালাইটিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী একটি টুল সাইটের জন্যে।

বাংলায় সাইট হলে কি করবেন?

এডসেন্স দিয়ে যদি ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল সাজানো যায় এবং মাসে হাজার ডলার ইনকাম করা যায় সহজেই। আপনার সাইট যদি হয় বাংলায় সেইক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি এডভান্স হতে হবে বেশি প্ররিশ্রম করতে হবে। বাংলায় ভালো CPC কিওয়ার্ড পেতে হলে আপনাকে এক্সট্রা একটু ঝামেলা পোহাতে হবে।
বাংলায় আপনার সাইট হলে অবশ্যই আপনাকে সোসাইল মিডিয়া তে ব্যাপক শক্তিশালী হতে হবে যাতে করে আপনি ভাল প্রচার ও ব্যাপক প্রশার ঘঠাতে পারেন।

আপনার জন্য শুভকামনা।
আপনাদের মতামতে জন্য কমেন্ট বক্স আছে সাথে আপনি চাইলে আমাদের সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন
Contact Us এর মাধ্যমে।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা – উসমানী সাম্রাজ্যের ক্ষমতাধর বিখ্যাত নৌ-সেনাপতি।

1
বারবারোসা
বারবারোসা

খাইরুদ্দিন বারবারোস তিনি একজন সুদক্ষ নৌ-সেনাপতি, ছিলেন উসমানীয় সম্রাজ্যের অ্যাডমিরাল অফ দ্য ফ্লিট।

বারবোসার সংখিপ্ত জীবন কালঃ

জন্মঃ খাইরুদ্দিন বারবারোসা ১৪৭৮ (খ্রি.) লেসবোস দ্বীপপুঞ্জে (পালাইওকিপোস, লেসবোস) জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে খাইরুদ্দিন বারবারোসা-র নাম ছিল “খিজির”। যদিও বারবারোসা ও তার ডাক নাম। মূল নাম বারবারোস হাইরেদ্দিন পাশা যা তার নৌ-সেনাপতি অবস্থায় জানা যায়। তবে তার আরো অনেক ডাক নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে নুন্যতম হলঃ-

১। খয়ের-আ-দ্দীন (খাইরুদ্দিন – এই নামে আমাদের এই দক্ষিণ উপমহাদেশে সু-পরিচিত) এমন কি এই নামে উনাকে জানা যায়।

খাইরুদ্দিন নাম টি এসেছে আররি খয়ের আদ-দীন (  خير الدين) থেকে যার অর্থ – ধার্মিকতা বা ইসলাম ধর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ)। নামটি সম্মান দিয়ে তাকে দিয়েছিলেন সুলতান সুলাইমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট।

২।রেড বিয়ার্ড বা বারবারোস- তিনি ইউরোপীয়দের কাছে রেডবিয়ার্ড হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণ তার ভাই অরুচের কমলা রঙের দাড়ি থাকার কারণে ইউরোপীয়রা তাদের ‘বারবারোসা ভাতৃদ্বয়’ উপাধি দিয়েছিলো। এরপর থেকে হাইরেদ্দীনের তুর্কী নামের সাথে ‘বারবারোস’ শব্দ থেকে এই ডাকনামটি যুক্ত হয়ে হয়।

বারবারোসার নৌ-সেপতির কার্যকাল ছিল ১৫০০-১৫৪৫ খ্রিঃ পর্যন্ত।

বিশেষ অর্জনঃ-স্পেনের অ্যাডমিরাল আন্দ্রে ডুরিয়ো নেতৃত্বে সম্মিলিত খ্রিস্টান বাহিনী হলি লিগের বিরুদ্ধে ১৫৩৮ সালে প্রিভিজার ক্রসেডে বারবারোসার বিজয় ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে উসমানীয় সাম্রাজ্যের আধিপত্যকে আরো বেশি সুরক্ষিত করে। এই আধিপত্য স্থায়ী ছিল, ১৫৭১ সালে ল্যাপান্টোর যুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত।

মৃর্ত্যুঃ-এই মহান নৌ-সেনাপতি ১৫৪৬ খ্রিঃ ৪-ই, জুলাই, ৬৭/৬৮ বছর বয়সে উসমানী সাম্রাজ্যের রাজধানী কন্সটান্টিনোপলে বর্তমানের ইস্তাম্বুলে পরলোক গমন করেন। জীবন দশায় তিনি তার অসামান্য কৃতিত্বের জন্য আজও কিংবদন্তী হয়ে রয়ে গেছেন কোটি মানষের অন্তরে।

নীলনদের প্রতি উমর (রাঃ)এর পত্র

বারবারোসা ‘র প্রাথমিক জীবনঃ-

বারবারোসা
খাইরুদ্দিন বারবারোসা। পোট্রেইট

খাইরুদ্দিনের নিজের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে জানা যায়, তিনি আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত তুর্কী সিপাহি ইয়াকুবের পুত্র ছিলেন ও তার বাবা উসমানীয়দের দ্বারা এই দ্বীপপুঞ্জ অধিকৃত হওয়ার পর এখানে বসবাস করা শুরু করেন। তার মায়ের নাম ক্যাটিরিনা, তিনি ছিলেন একজন গ্রিক।

আলজিয়ার্সে তার তৈরি মসজিদের তালিকা থেকে জানা যায় তার পিতার পুরো নাম ইউসুফ ইয়াকুব আল-তুর্কী ও সেখানেও দাবি করা হয় তার পিতা তুর্কী বংশদ্ভূত ছিলেন।

১৪৬২ সালে লেসবোসে উসমানীয় অভিযানের সময় তিনি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর পুরস্কার হিসেবে  দ্বীপের বোনোভা গ্রামে একটি কেল্লা নির্মাণের সুযোগ পান। ইয়াকুব ও ক্যাটিরিনার দুটি মেয়ে এবং চার জন ছেলে ছিল; ইছাখ, অরুজ, খিজির ও ইলিয়াস। ক্রমেই ইয়াকুব কুমার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান এবং একটি নৌকা সংগ্রহ করে তার মালামাল নিয়ে বাণিজ্য করতে বের হন। তার চার ছেলেরা তাদের বাবাকে ব্যবসায় সাহায্য করত কিন্তু তার মেয়েদের কথা খুব বেশি জানা যায় না। চার ভাইয়ের মাঝে খিজির (বারবারোস) ছিলেন তৃতীয়।

প্রথমদিকে অরুজ তার পিতাকে নৌকার কাজে সাহায্য করত তখন বারবারোস হাড়ি পাতিল তৈরির কাজে সহয়তা করত। চার ভাই তাদের শুরুটা হয়েছিলো ব্যবসায়ী হিসেবে। তারা বাবার কাছ থেকে নৌকা চালানো শিখেছিলো। সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের ব্যবসা শুরু করে। বেশ কয়েক বছর একসঙ্গে কাজ করার পর, চার ভাই ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন অংশে নিজেদের আলাদা ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু রোডস দ্বীপভিত্তিক প্রাইভেটিয়ার্স বাহিনী ‘নাইট টেম্পলাররা‘ তাদের ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষতি সাধন করতে থাকে।

এরই চূড়ান্ত রূপ হিসেবে খিস্টান টেম্পলাররা মেঝ ভাই অরুচকে বন্দি করে এবং দাস হিসেবে রেখে দেয়। অরুজ ২/৩ বছর নিদারুণ কষ্টে বন্দি জীবন পার করেন। তারপর ঐকান্তিক চেষ্টায় টেম্পলারদের কাছ থেকে পালাতে সক্ষম হন। পালিয়ে আসার পর অরুজ ছোট ভাই বারবারোসের (খিজির) সঙ্গে মিলে খ্রিস্টান জলদস্যুদের শিক্ষা দিতে দুই ভাই সমুদ্রে ‘পর্যবেক্ষক দল’ গড়ে তোলেন।

তার ভাইরা প্রথমদিকে নাবিক হিসেবে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীকালে প্রাইভেটিয়ার (শত্রু-জাহাজ আক্রমণ ও লুণ্ঠনের অধিকারপ্রাপ্ত বেসরকারী জাহাজ) হিসেবে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে কাজ শুরু করেন। একের পর এক অসংখ্য খ্রিস্টান জলদস্যু জাহাজে আক্রমণ পরিচালনা করেন। আক্রমণগুলো সফল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুল অর্থ-সম্পদও হস্তগত করেন বারবারোসা ভাতৃদ্বয়।

একসময় তারা নিজেদের শক্তির জায়গাটুকু বুঝতে পারেন এবং সেটাকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রে নাইট টেম্পলারসহ অন্যান্য খ্রিস্টান জলদস্যু জাহাজ লুট করেন। এভাবেই তারা স্পেনীয় এবং অসংখ্য ইউরোপীয় রাজ্যের চোখের বালিতে পরিণত হন।

বারবারোসের সমুদ্রের জীবন

বারবারোসার জাহাজ
A model of Barbarossa’s galley during his campaign in France in 1543, at the Istanbul Naval Museum

খাইরুদ্দিন বারবারোসার বড় ভাই অরুজ-কে বাবা অরুজ হিসেবেও  উল্লেখ পাওয়া যায় কারণ তিনি একসময় আন্দালুস থেকে মুসলিম শরণার্থীদের খ্রিস্টান গণহত্যা থেকে বাঁচাতে নিজের নৌবহরে করে উত্তর আফ্রিকা পৌঁছে দিয়েছিলেন। এই ঘটনার পর পর্তুগীজ এবং স্পেনীয় খ্রিস্টান সন্ত্রাসীরা উত্তর আফ্রিকা উপকূলে আক্রমণ চালাতে শুরু করে, যা আফ্রিকান আমির এবং উসমানীয়দের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই আক্রমণের জবাব দিতে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় বায়েজিদের পুত্র শাহজাদা কুরকুদ অরুজ এবং খিজির(বারবারোস) কে ডেকে পাঠান। তাদের কাজ ছিলো পশ্চিম ভূমধ্যসাগরে খ্রিস্টান নৌবাহিনীকে প্রতিরোধ করা।

কিন্তু ১৫১২ সালে প্রথম সেলিম উসমানী সিংহাসনে বসার পর শাহজাদা কুরকুদকে পারিবারিক কারণে মৃত্যুদণ্ড দেন। নিজেদেরকে সুলতান সেলিমের রোষানল থেকে বাঁচাতে অরুজ এবং বারবারোস উত্তর আফ্রিকান ঘাঁটিতে দেহ ঢাকা দেন। সেখান থেকেই তারা স্পেনীয়দের বিরুদ্ধে আফ্রিকান আমিরদের সাহায্য সহায়তা করতে থাকেন।

বারবারোসা ভাতৃদ্বয় ১৫১৬ খ্রিঃ আলজিয়ার্স আক্রমণ করেন। ফলে এই অঞ্চলটি স্পেনীয়দের হাত থেকে মুসলিমদের হাতে চলে আসে।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা
বারবারোসা সিরিজে বারবারোসা ও তার ভাই অরুজ।

আলজিয়ার্সকে মুক্ত করার পর সুলতানের সুনজরে আসেন অরুজ ও বারবারোসাদের উপর। ফলে এবার তারা জনসম্মুখে আসেন। উসমানীয়রা দুই ভাইয়ের সাথে চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। যে চুক্তির মাধ্যমে সুলতান অরুজকে আলজিয়ার্সের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব দেন। আর খিজির তথা বারবাররোসাকে পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের নৌ-সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেন।

অরুজ স্পেনীয়দের সঙ্গে এক সম্মুখ যুদ্ধে শহিদ হন।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা কে নিয়ে এক টি সিরিজ বের হচ্ছে চলতি বছরের শেষ দিকে বর্তামানে শুটিং এর কাজ চলছে। সিরিজ টি নিয়ে জানতে ভিজিট করুন খাইরুদ্দিন বারবারোসা লিংকে।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা

উসমানী নৌ-সেনাপতি (অটোমান অ্যাডমিরাল)

নৌ-সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর, খাইরুদ্দিন বারবারোসা দুই দশক ধরে  ভূমধ্যসাগর, পূর্ব আটলান্টি সাগর এবং উত্তর আফ্রিকাতে নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছেন। তার বেশ অনেক রণতরী ছিলো, সেই সঙ্গে নৌ ও স্থলবাহিনীর বিশাল বাহিনী। এই বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে ভূমধ্যসাগরে উসমানিয় খেলাফতের প্রভাবকে পাকাপোক্ত করে তোলেন। তারপর মননিবেশ দক্ষিণ ইউরোপের উপকূলবর্তী এলাকায়। আমেরিকার সঙ্গে স্পেনীয়দের বাণিজ্যিক পথগুলো একের পর এক বন্ধ করে দিতে থাকে বারবারোসা। তিনি এসব নৌ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন।

১৫৩৮ খ্রিঃ ক্রোসেড বা হলি লিগের যুদ্ধ

১৫৩৮ সালের প্রেভেজা যুদ্ধ
১৫৩৮ সালের প্রেভেজা যুদ্ধ (ক্রুসেড)। হলি লিগের যুদ্ধ। (sorce: wikipedia)

পোপ তৃতীয় পল বারবারোসার বিরুদ্ধে ১৫৩৮ খ্রিঃ একটি নৌ ক্রুসেডের আয়োজন করেন। পোপের নেতৃত্বে  স্পেন, জেনোয়া, ভেনিস প্রজাতন্ত্র, পাপাল রাজ্য, এবং মাল্টার নাইটদের সমন্বয়ে একটি বিশাল নৌ-বাহিনী গড় তুলে। এই বিশাল যৌথ বাহিনীর নাম দেয় “পবিত্র সংঘহলি লিগ। এই পবিত্র সংঘের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো যে কোনো মূল্যে বারবারোসার নেতৃত্বাধীন মুসলিম নৌ-বাহিনীকে পরাজিত করা।

পোপের নৌবহরের দায়িত্ব দেওয়া হয় অ্যাডমিরাল আন্ড্রে ডরিয়ারকে। এই বিশাল নৌ-বহরে রণতরী ছিল ১৫৭টি। অপরদিকে বারবারোসার নেতৃত্বাধীন মুসলিম বাহিনীর রণতরী ছিল ১২২টি।

১৫৩৮ খ্রিঃদের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রেভেজায় সংঘটিত এই নৌ যুদ্ধে বারবারোসার বাহিনীর কাছে নাজুক ভাবে পরাজিত হয় পোপের যৌথ বাহিনী তথা প্রবিত্র সংঘ। সমাপ্ত হয় ক্রুসেডের বেস্তে যায় হলি লিগ

মুসলিমরা যৌথ বাহিনীর ১০টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছিলো। খ্রিস্টানদের ৩৬টি জাহাজ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এবং আরও ৩টি জাহাজ মুসলমানদের হাতে চলে যায়। এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে  উসমানীয়রা একটি জাহাজও হারায় নি। তবে তাদের ৪০০ জনের মত মুসলিম সৈনিক শহিদ হয় এবং প্রায় ৮০০ জন সৈনিক আহত হয়। খ্রিস্টান হলি লিগের ৩,০০০ নাবিক মুসলমানদের কাছে বন্দি হয়। ফলে রাত না পেরুতেই অ্যাডমিরাল আন্ড্রে ডরিয়া নিজ বাহিনীকে নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র ছিটকে পরেন রাতের আধারে।

চমৎকার এই যুদ্ধ জয়ের পর, উসমানী সুলতানের তোপকাপি প্রাসাদ যেন বারবারোসাকে অভ্যর্থনা জানাতে আকুল হয়ে ছিলো। তখন উসমানী সিংহাসনে ছিলেন সুলতান সুলেমান। তিনি বারবারোসাকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং তাকে পুরষ্কার হিসেবে সমগ্র উসমানী নৌ-বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল হিসেবে পদোন্নতি দেন। সেই সঙ্গে উত্তর আফ্রিকা এবং রোডসের প্রধান প্রশাসক হিসেবেও নিয়োগ করেন বারবারোসা কে আর উপাধি দেন খাইরুদ্দিন অর্থাৎ ধার্মিকতা বা ইসলাম ধর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ

পরের বছরগুলোতে বারবারোসা তিউনিস এবং ত্রিপলি অটোমান শাসনের অধীনে নিয়ে আসেন।

অন্য-আন্যঃ

স্পেন ছিল বারবারোসার জীবনকালে তার আক্রমনের প্রধান টার্গেট। কারণ যখন তিনি ছোট ছিলেন তখন খ্রিষ্টান রাজা ফার্দিনান্দ গ্রানাডা দখল করে গনহত্যা চালায় এবং মুসলিমদের নির্বাসন দেয়। কিন্তু এর প্রতিশোধের কথা তিনি কখনো ভুলেননি। বড় হয়ে বারবারোসা একবার স্পেনের এক বন্দরে হামলা করে প্রায় ৭০ হাজার মরিসকোকে উদ্ধার করে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ায় নিয়ে আসেন। তার জীবদ্দশায় তিনি ও তার বাহিনী ৭ লক্ষ মুসলিমকে স্পেনের খ্রিষ্টানদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার হাত থেকে রক্ষা করেন।

আন্দালুস পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি অসংখ্যবার স্পেনে হামলা করে স্পেনের নৌ-বাহিনীকে হারিয়ে এর উপকূলীয় শহরগুলো জয় করেন।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা ‘র অবসর জীবনঃ

অসুস্থ হয়ে পরলে তিনি তার পুত্রের হাতে আলজিয়ার্সের শাসনভার ন্যস্ত করেন এবং ১৫৪৫ উসমানীয় রাজধানী ততকালীন কন্সটান্টিনোপলে  বর্তমানের ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন। সেখানে কিছুদিন থেকে অস্থির হয়ে আবার জীবনের শেষ অভিযানে বের হয়ে স্পেনের নৌ-বন্দরগুলোতে হামলা চালিয়ে বোমাবর্ষন করে ফিরে আসেন।

আগে থেকেই আসুস্থ থাকায় ৪-ই জুলাই, ১৫৪৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন সমুদ্রের রাজা হিসেবে খ্যাত খাইরুদ্দিন বারবারোসা

তার মৃর্ত্যুর খবর পেয়ে তখন হলি লীগের সম্মিলিত বাহিনী আনন্দ উৎসব করে ও পোপ নিজেও খুশীতে বিশেষ বানী দেন! কারণ খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে তার কোন পরাজয়ের ইতিহাস নেই। তিনি বিভিন্ন নৌ-যুদ্ধে খৃষ্টানদের যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি করেছিলেন তা ইতিহাসে আর কেউ করতে পারেনি।

খাইরুদ্দিন বারবারোসের সমাধিটি বসফরাসের ইউরোপীয় অংশের ব্যসিকটাস শহরে  অবস্থিত। তখন কার বিখ্যাত স্থপতি মেমার সেনান সমাধিটি তৈরি করেছিলেন। সমুদ্রের দিকে ফেরানো বারবারোসার একটি মূর্তিও রয়েছে সেখানে।

পরবর্তী বহু বছর ধরে সমুদ্রগামী নাবিকরা তাদের পরম শ্রদ্ধেয় নেতাকে দেখে সম্মান জানাতো।

বারবারোসা সিরিজ – এনজিন আলতান খাইরুদ্দিন বারবারোস এর ভাই চরিত্রে অভিনয় করবেন।

1
জনপ্রিয় আলোচিত সিরিজ যা এখন পর্দায় আসে তাতেই হইচই শুরু তার নাম খাইরুদ্দিন বারবারোস সিরিজ।
সিরিজ টি নির্মিত হচ্ছে উসমানিয় খেলাফতের সর্বশ্রেষ্ট নাবিক খাইরুদ্দিন বারবারোসের জীবনি নিয়ে।
সিরিজটির মূল নাম হলঃ

বারবারোসলার : ভূমধ্য সাগরের তরবারী

সিরিজটির সকল পর্ব দেখতে উপরের বারবারোসলার লিংক বা লেখায় ক্লিক করুন।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা সিরিজ দিরিলিস এ আরতুগ্রুল গাজী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করা আমাদের সবার

https://eracox.com/wp-content/uploads/2021/06/Anzin-Altan-Barbosa.jpg
এনজিন আলতান – বারবারোস সিরিজের একটি ছবি।

প্রিয় এনজিন আলতান খাইরুদ্দিন বারবারোস এর ভাই এর চরিত্রে অভিনয় করবেন।

তিনি দিরিলিস আরতুগ্রুল নামে ৫ সিজনে ১৫০ ভলিউমের সিরিজে সারা দুনিয়া মাতিয়েছেন। বর্তমানে তিনি আরতুগ্রুল নামে অধিক সুপরিচিত।তার চালচলন কথা বার্তা সব মানুষের মন কেরেছে। সিরিজটি তুর্কি ভাষা হয়েছে, এমন কি আলোচিত প্রেসিডেন্ট রজব তাইওফ এরদোয়ান কে অনেক সময়-ই সুটিং স্পট এ দেখা গেছে।
বর্তমানে পাকিস্তানের PTV তে দেখানো হচ্ছে উর্দু ডাবেড। আমাদের বাংলাদেশে প্রথম ২ সিজন দেখানোর পর অজ্ঞাত এক কারনে বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে ফেসবুকে বেশ আলোরন আছে।
কিছু সোর্স মতে এই সিরিজে পরিচালক পানির মতো টাকা ঢালছেন এবং তুর্কীর অন্য সকল সিরিজ থেকে এইটার বাজেট অনেক অনেক গুন বেশি। এমন কি সুটিং চলাকালেই ব্যাপক আলোরন যাগিয়েছে সিরিজ টি। রূপালি পর্দায় আসার আগেই ফেসবুকে এ নিয়ে ঝড় বইছে রীতিমত।
খাইরুদ্দিন বারবারোস
খাইরুদ্দিন বারবারোস মুসলিম উম্মাহ র সবচেয়ে সাহসী এবং চতুর নৌ-সেনাপতি। তার মত দুর্ধর্ষ ও বিচক্ষণ নৌ-সেনাপতি গোটা ইউরোপে একজনও ছিলো না। তার বুদ্ধিমত্তায় উসমানীরা সামুদ্রপথে একদিন যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল।
এক কথায় পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া সেই সেনাপতির নাম খাইরুদ্দিন বারবারোসা। খাইরুদ্দিন বারবারোসাকে উম্মাহ স্মরণ করে কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হল,
১। তিনি অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহর মহান খেদমতে।
২। তিনি-ই আন্দালুস থেকে ৭০ হাজার মুসলমানকে মুক্ত করে আলজেরিয়া নিয়ে আসেন।
৩। স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের হাত থেকে ভূমধ্যসাগরকে তিনি নিরাপদ করে তোলেন।
৪। প্রিভেজার যুদ্ধে তিনি ক্রুসেডারদের নির্মমভাবে পরাজিত করেন।
বড় বাজেটের এই বারবারোস সিরিজ কোন কোন জিনিসগুলি তুলে ধরে সেইটাই এখন দেখার বিষয়। আসা করা যায় সেপ্টেম্বর এর দিকে আমরা দেখতে পারব।
খারুদ্দিন বারবারোসা ‘র ইতিহাস জানতে ভিজিট করুন।

কি ভাবে পরিক্ষায় ৯০ শতাংশের বেশি নাম্বার পাবেন?

0

কি ভাবে পরিক্ষায় ৯০ শতাংশের বেশি নাম্বার পাবেন?

পড়াশুনা করতে কার ভাল লাগে!!!

যেখানে এত এত ফিচার যুক্ত মোবাইল ফোন রয়েছে। সেটা কে ফেলে রেখে এই মোটা মোটা বই থেকে বড় বড় প্রশ্ন পড়তে কারোই ভাল লাগে না। কিন্তু লেখা পড়া টা এত কষ্টকর হওয়ার কথা না মনে হয় একদম রসহীন।

কিছু এমন পদ্ধতি রয়েছে যা অনুসরন করলে এই বুরিং লেখা-পড়া কে মজার করা সম্ভব।

কিছু ছাত্র-ছাত্রী থাকে যাদের কে সবাই বই পোকা হিসেবে চিনে। তারা কিভাবে পড়া-শুনা করে যে তারা প্রতিনিয়ত ভাল নম্বর পায়!!

আর সেই রহস্য আপনাদের মাঝে নিয়ে আসার জন্য আজ এই আর্টিকেল। বিভিন্ন টপারদের ইন্টারভিউ থেকে টিপস নিয়ে হাজির হলাম এবং সাথে তাদের পড়ার ও লিখার ধরন নিয়ে। আজ এই আর্টিকেলে সেই রহস্য জানতে পারবেন।

তাই মনযোগ দিয়ে এই আর্টিকেল টি পড়তে থাকুন।

আপনি মানুন আর নাই মানুন আজ কাল সমাজে একজন স্টুডেন্টের যোগ্যতা যাচাই করা হয় তার পরিক্ষার রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে। সেটা কি তার মুখস্ত বিদ্যা না প্রকৃত বিদ্যা তা যাচাই হয় না।

অনেক আছে যা মুখে বলতে পারে না কিন্তু লিখতে পারে আবার অনেকে বইয়ের ভিতর ছাড়া আর কিছুই জানে না।

যাই হোক এই যুগে আপনাকে যোগ্যতার প্রমান দিতে হলে অবশ্যই বেশি নাম্বার পেতে হবে এবং তার বিকল্প নেই। তাই পড়া-শুনার জন্য নাম্বার টা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যেখানে গ্রেট বা নাম্বার ই সব কিছু সেখানে প্রেক্টিস ছাড়া উপায় নাই।

লিখার চর্চা

আপনি যতই জানুন যতই পড়ুক তাতে লাভ নেই যদি আপনি নির্দিষ্ট সময়ে পরিক্ষার খাতায় না লিখতে পারেন, কোন লাভ নেই আর তার মানে আপনি যোগ্যতার পরিচয় দিতে পারেন নি। তাই আপনাকে লিখার চর্চা ব্যতিত উপায় নেই। লিখতে হবে নির্দষ্ট সময়ের মধ্যে। তাই এক্সামের হলে যাওয়ার আগে আপনাকে প্রচুর লিখার পেক্টিস করা লাগবে। বিগত বছরের প্রশ্ন সংগ্রহ করে সময় দরে লিখার গতি বাড়াতে থাকুন।

মক টেস্ট

পরিক্ষার প্রশ্নের সময় দরে পেক্টিস করা কেই মক টেস্ট বলা হয়ে থাকে। পরিক্ষার যোগ্যতার প্রমান দিতে আপনাকে মক টেস্টের চর্চা বা পেক্টিস করা লাগবে প্রচুর। টপার্সদের মত অনুসারে বিগত বছরের প্রশ্ন নিয়ে মক টেস্ট দিলে পরিক্ষার হলে নিজে কে ১০০% যোগ্যতার পরিচয় দিতে সহায়তা করে। তাই প্রচুর মক টেস্ট দিন আর নিজ কে যোগ্য করে তুলুন।

মক টেস্ট দিলে পরিক্ষার প্রশ্নের ধরন নিয়ে পরিষ্কার ধারানা পাওয়া যায়। সাথে কোন প্রশ্নে কত সময় ব্যয় করবেন তার একটা অভিজ্ঞতা পাবেন।

আপনি আরও খেয়াল করবেন যে, এমন অনেক প্রশ্ন বা টপিক্স আছে যা প্রায় প্রতি বছর এসে থাকে। সেদিকে আপনার অভিজ্ঞতা হবে আর আপনি সেই টপিক্সে যোর দিতে পারবেন। তাই মক টেস্ট অত্যান্ত জরুরি।

ভাল প্রেজেন্টেশন

আপনার পরিক্ষার নাম্বার অনেক খানি নির্ভব করে আপনার লিখার প্রেজেন্টেশনের উপন। ধরুন আপনি একটা প্রশ্ন খুব ভাল করে লিখলেন আপনার ধারনা আপনি ১০ থেকে ৯ পাবেন কিন্তু আপনি যাদি সুন্দর হাতে লিখা আর সুন্দর প্যারাগ্রাফ আকারে না লিখেন তাহলে আপনি ৫ নম্বর না পেতে পারেন। তাই লিখা সুন্দর করে ভাল ভাবে গুছিয়ে লিখতে হবে।

যদি আপনি ই খাতা টা দেখেন তাহলে এলমেল ও অসুন্দর লিখায় ভাল নাম্বার দিবেন না। যেহেতু শিক্ষক আপনার খাতার উপর নির্ভর করে আপনা কে নাম্বার দিবে তাই আপনি কত বুদ্ধিমান কত জানেন তা বিচার করবে না তাই খাতার ভাল হতে হবে।

যেহেতু তারা কম সময়ে অনেক খাতা দেখেন তাই তার আশা করে যে আপনি পরিষ্কার করে গুছিয়ে লিখবেন যাতে সহজে ও কম সময়ে পড়া যায়।

কি লিখছেন এবং কি ভাবে লিখছে দুটাই সমান জরুরি।

কি ভাবে ভাল প্রেজেন্টেশন করবেন?

কি ভাবে পরিষ্কার ও গুছিয়ে লিখবেন?

১। যা জানতে চাওয়া হয়েছে ঠিক ততটুকুই সংখেপে উত্তর লিখুন।

২। উত্তরের মধ্যে বেশি গুরত্ব পূর্ণ শব্দ গুলো চাইলে আন্ডারলাইন করতে পারেন তবে এক প্রশ্নে ৪/৫ টার বেশি করবেন না।

৩। যতদূর সম্ভব উত্তর পয়েন্ট আকারে লিখুন।

৪। প্রতি টি প্রশ্নের ঊত্তর শেষে দু লাইন ফাকা রেখে পরের প্রশ্নের উত্তর শুরু করুন।

৫। ৪নাম্বারের উপরের প্রশ্ন হলে পরের পেজ থেকে শুরু করুন। কারন কোন পেজের শেষের থেকে কোন নতুন প্রশ্ন শুরু না করাই ভাল।

৬। হাতের লিখা পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন তাই বলে বইয়ের মত হতে হবে এমন নয় সহজে পড়তে পারলেই হল। অতি সুন্দর করতে গিয়ে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

৭। চেষ্টা করুন প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ঊত্তর লিখতে।

পড়ায় দূঢ়তা ও সামঁজস্যতা

আপনাকে লেখা পড়ায় দূঢ়তা ও সামঁজস্যতা থাকতে হবে। আপনাকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়তে হবে তাতে করে আপনার ব্রেইন আসতে আসতে তা মাথায় জমা করবে এবং তার স্থায়িত্ব পাবে।

একজন টপার স্টুডেন্ট কখনও পরিক্ষার আশায় বসে থাকে না তারা রুজ অল্প অল্প করে পড়তে থেকে। তাই আপনাকে পড়ায় দূঢ়তা রাখতে হবে।

পাশা-পাশি আপনাকে এক প্রশ্নের সাথে অন্য সামঁজস্য প্রশ্ন গুলিও পরতে হবে তাতে করে সহজে সামঁজস্য প্রশ্ন গুলি সহজে আপনার মাথায় গেথে যাবে।

পরে পরিক্ষার আগে শুধু পড়া গুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলেই হয়। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে পড়ার চাপ থেকেও বাচায়। তাই আপনাকে পড়ার জন্য সময় বের করে নিতে হবে দরকার হলে অন্য আন্য দিকে সময় কমাতে হবে। যেমন অনলাইনে সময় কমিয়ে পড়ায় সময় বাড়াতে হবে।

পরিক্লপনা করা

পৃথিবির সব কাজেই পরিক্লপনার প্রয়োজন হয়। পরিক্লপনা ব্যবতিত কোন কাজে সমফল হওয়া যায় না। তেমনই আপনাকে পড়া-শুনা করার জন্য পরিক্লপনা করতে হবে। প্রতি টা টপার তাদের পড়া শুনার জন্য প্লান পরিক্লপনা করেন। নির্দিষ্ট সময়ে সিলেবাস শেষ করার।

যেমন আপনার কিছু দূর্বল বিষয় থাকতে পারে সে সবে বেশি সময় দিতে হবে। এমন কি টপাররা ও এমন টাই করে থাকে। তারা সে সব সাব্জেক্ট এ বেশি সময় দেয়। আর আপনি সেই বই টি পড়তে চান না এটাই আপনার আর টপারদের মধ্যকার পার্থক্য। তাই আপনি যে সাব্জেক্টে দূর্বল সে বিষয়ে এক্সট্রা সময় দিন।

পরিক্লপনার জন্য যা যা করবেন?

এলার্মঃ- প্রতিদিন পড়তে বসার জন্য এলার্ম ব্যাবহার করুন। যেন পড়তে বসা টা আপনার অব্যাশে পরিণত হয়।

রুটিন তৌরি করুনঃ- প্রতিদিনের পড়ার একটা রুটিন করে সেট টেবিলের সামনে বা সহজে চোখে পরে এমন স্থানে লাগিয়ে রাখুন যেন চলতে ফিরতে আপনার চখে পরে।

টার্গেট লিস্টঃ- প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিনে আপনি কি কি পড়ে শেষ করবেন বা কোন কোন বিষয় কতটুকু পড়বেন তার একটা টার্গেট লিস্ট তৌরি করুন।

সময় নির্ধারনঃ- প্রতি টি পড়া শেষ করা আগে সময় নির্দারন করুন এবং চেষ্টা করুন উক্ত সময়ে শেষ করতে। না পারলে চিন্তা করুন এটা চালিয়ে যাবেন না পরের টা শুরু করবেন।

চিত্তবিনোদন পরিহারঃ- বর্তমানে আপনার প্রচুর সময় খেয়ে নিচ্ছে আধুনিক চিত্তবিনোদন গুলো যথা ফেসবুক, ইমো , হোটাস এপ, টিকটক, লাইকি, বিগু ইত্যাদি। এ গুলা শুধু আপনার সময় নিচ্ছে আর তাদের ব্যবসা করে যাচ্ছে। আপনি পরিক্ষায় ফেল করলে তাদের কিছু আসে যায় না।

জীবনে চিত্তবিনোদনের জন্য অনেক সময় পাবেন। কিন্তু পরিক্ষা ও পড়া লেখার সময় একটা সময় ফুরিয়ে যাবে।

তবে বর্তমানে এ গুলো থেকে একভারে বের হওয়া সম্ভব না তাই সময় কমিয়ে দিন।

মনে রাখবেন আজ যার সাথে এত সময় দিচ্ছেন সেই আপনেকে নিয়ে তামসায় মেতে ঊঠবে আপনি পরিক্ষায় ফেইল করলে। আপনার জীবন আপনাকেই সামলাতে হবে। তাই মন কে কন্ট্রোল করতে শিখুন মন আপনাকে কন্ট্রোল করার আগেই।

পরিশেষে আপনাকে বলব

আজ থেকে আপনি আর্টিকেল টি অনুসরণ করুন। পুরুটা না করতে পারলেও অল্প চেষ্টা করুন। আমাদের কথা শুনে দুদিন ট্রায় করে দেখুন, আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

কিছু বলার বা জিজ্ঞসা করার থাকলে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান কমেন্ট করুন আমরা আছি আপনার সহযোগিতায়।

ইনশাল্লাহ।

কিভাবে ভাল ছাত্র হবেন?

0
কি ভাবে ভাল ছাত্র হবেন

কিভাবে ভাল ছাত্র হবেন??

একজন ভাল ছাত্রছাত্রী হতে যা করতে হবে

কে না চায় একজন ভাল হতে, সবাই চায়। ফাস্ট ব্যাঞ্চের স্টুডেন্ট থেকে শুরু করে লাস্ট ব্যাঞ্চের স্টুডেন্ট সবাই চায় একজন ভাল স্টুডেন্ট হতে।

যাই হোক আজ আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে আসছি এমন এক আর্টিকেল যার মাধ্যমে আপনি একজন ভাল ছাত্র হতে পারবেন ইনশাল্লাহ। তবে হা আমি কেবল আপনাকে রাস্তা দেখাতে পারব চলতে হবে আপনার। আমরা বলতে পারি আপনি যদি আমাদের দেখানু রাস্তা অনুসরণ করেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত।

আমরা চাই আপনি অল্প পরিশ্রমে একজন ভাল ছাত্র হয়ে উঠুন। আজ এই আর্টিকেল আপনাকে শিখাবে কি করে অল্প পরিশ্রমে ভাল ছাত্র হবেন। তাই দেরি না করে শুরু করুন।

পড়ুনঃ- হাতেম তাইয়ের মহত্ব – কারঠুরিয়া, বাদশাহ নওফেল ও হাতেমের গল্প…

একজন ভাল ছাত্রের গুণাবলি

একজন ভাল ছাত্র হতে হলে বেশ কিছু গুণাবলি থাকা জরুরি। যেমন ক্লাসে মনযোগি, সময়ের সচেতন, লিখা সুন্দর, সাজানু গুছানো লিখা, শৃঙ্খলাবোধ, নিয়ম মেনে পড়াশুনা করা, সততা, ধর্মচর্চা, শরীরচর্চা, গুরুজনদের সম্মান করা এবং ছোট দের স্নেহ করা ইত্যাদি গুনাবলি থাকা অতিব জরুরি।

ভালো ফলাফলের জন্য করণীয়

ভাল ফলাফলের জন্য নিয়মিত পড়াশুনার বিকল্প নেই। আপনাকে নিয়মিত ভাল ভাবে পড়তে হবে দৈনিক ৫/৬ ঘন্টা। ভালভাবে অধ্যায়ন করলে শ্রেণী শিক্ষক দ্বারাই ভাল ফলাফল করা সম্ভব। গৃহশিক্ষক বা কোচিংয়ের প্রয়োজন হয় না তেমন।

ভাল ফলাফলের জন্য নিম্নের আর্টিকেল টি পড়ুন।

কি করে ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পাবেন পরিক্ষায়???

 

পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা আসলেই কোনো কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনাকে পরিক্ষার আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে। বেশি বেশি মক টেস্ট দিতে হবে, লেখার মান ভাল করতে হবে, প্রশ্ন কাঠামো বুঝতে হবে, মান-বন্টন ইত্যাদি খেয়াল রাখতে হবে।

কিভাবে ভাল ছাত্র হবেন !!! জানতে হলেই আপড়ুনঃ-

কি ভাবে পরিক্ষার প্রস্তুতি নিবেন খুব সহজে???

নতুন কাঠামো পদ্ধতি

বর্তমানে শিক্ষার নতুন কাঠামো লেখা-পড়ার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আজকাল পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সৃজনশীল ছাত্র-ছাত্রীদের অজানাকে জানার কৌশল করে দিয়েছে।

তাই মনোযোগ সহ কারে প্রশ্ন কাঠামো বুঝতে হবে। প্রশ্ন কাঠামো অনুযায়ী পড়াশুনা করতে হবে এবং পরিক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে।

 

তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতা

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। পৃথিবি এখন হাতের মুঠোয়। হাতের স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করে সারা দুনিয়া ঘুরা যায়, বিশ্বের নামি দামি লাইবেরি তে পড়া যায়। অনেক ওয়েব সাইটে আর্টিকেল পড়া যায় শিক্ষা বিষয়ক।

শিক্ষার্থীকে তাদের জ্ঞান কে বৃদ্ধি করতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাবহার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আপনি অজানা জ্ঞান থেকে নিজে পিছিয়ে পড়বেন যা অবশ্যই কাম্য নয়।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে নিয়োগ ২০২১

2

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে

এমওডিসি (এয়ার) নিয়োগ চলছে

(মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কন্সটেবলারি)

এন্ট্রি নং ৪৯

যোগদানের সম্ভাব্য তারিখঃ- ০৩ অক্টোবর ২০২১

বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ

প্রার্থীর যোগ্যতা

নাগরিকত্বঃ- বাংলাদেশী পুরুষ নাগরিক।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ- এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ-২.০০।

বৈবাহিক অবস্থাঃ- অবিবাহিত (তালাকপ্রাপ্ত নয়) ।

বয়সঃ- ১৬ হতে ২১ বৎসর (০৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখে) । বয়সের ক্ষেত্রে হলফনামা গ্রহণযোগ্য নয়।

ঊচ্চতাঃ- কমপক্ষে ৫’-৬” (১৬৭.৬৪ সেমি) ।

বুকের মাপঃ- স্বাভাবিক কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি। প্রসারণ ৩২ ইঞ্চি।

ওজনঃ- বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী।

চোখঃ- ৬/৬ এবং স্বভাবিক দৃষ্টিসপন্ন (বর্ণাদ্ধ গ্রহণযোগ্য নয়)।

প্রার্থীর অযোগ্যতা

১। সেনা/নৌ/বিমান বাহিনী অথাবা অন্য কোন সরকারি চাকরি হতে বরখাস্ত/অপসারিত/সেচ্ছায় পদত্যগ গ্রহণ।

২। যে কোন ফৌজদারী অপরাধের জন্য আদালত কর্তৃক দন্ডপ্রাপ্ত।

পরিক্ষার বিষয়

বাংলা ও ইংরেজি লিখিত পরীক্ষা ( এসএসসি সমমানের), ডাক্তারী পরিক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষা।

বি.দ্র. পরীক্ষা কেন্দ্রে সকল প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ( মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ অ ক্যালকুলেটর ইত্যাদি) এবং ব্যাগ বহন করা নিষিদ্ধ।

সকল প্রার্থীকে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন-

অনলাইনে আবেদনের নিয়মাবলী

অনলাইন পদ্ধতিতে সরাসরি www.foinbangladeshairforce.mil.bd ওয়েবসাইটে Apply Now -এ ক্লিক করে পরবর্তী নির্দেশনা অনযায়ী রেজিস্ট্রেশন করে অনলাইন পদ্ধতিতে ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) পরিশোধ করা হলে রেজিস্ট্রিকৃত মোবাইল নম্বরে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রেরণ করা হবে। এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে Login -এ ক্লিক করে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও প্রিন্ট করতে হবে। এরপর উক্ত আবেদনপত্র প্রাথমিক লিখিত পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছবি ও অন্যান্য সনদের ফটোকপিসহ বিমান বাহিনী তথ্য ও নির্বাচনী কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় ছবি ও অন্যান্য সনদ

১। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সাময়িক সনদ, প্রশংসাপত্র এবং নম্বরপত্রসমূহের (মার্কসিট) সত্যায়িত ফটোকপি।

২। নাগরিকত্ব, চারিত্রিক সনদ, বৈবাহিক অবস্থা ও স্থায়ী ঠিকানার সনদ জমা দিতে হবে। উক্ত সনদ স্ব স্ব ইঊনিয়ন পরিষদ/মিউনিসিপ্যাল চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার অথবা ৯ম বা তদুর্ধ গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তার নিকট হতে অনতে হবে। উক্ত সনদের সাথে সনাক্তকারীর মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করতে হবে।

৩। সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারে ১২ কপি সত্যায়িত ছবি (অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট ও কলারসহ হতে হবে) ।

৪। বর্তমান অথবা সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদ।

৫। চাকরিরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্ব স্ব কর্মস্থল/প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট হতে প্রার্থীতার জন্য অনুমতিপত্র।

৬। স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণস্বরূপ জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।

৭। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দাবীকৃত সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইকুইভ্যালেন্স কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত ইকুইভ্যালেন্স সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

৮। বর্তমান ঠিকানাসহ ৯”- ৪” আকারের একটি ফেরত খাম।

 

অনলাইনে আবেদনের সময়সীমাঃ ০২ মে ২০২১ হতে ০৮মে ২০২১*।

(*শর্ত প্রযোজ্য)

পরীক্ষার কেন্দ্র ও সময়সূচি

পরীক্ষার কেন্দ্র ও সময়সূচি
বিভাগ ও জেলাসকল বিভাগ ও জেলার প্রার্থীর জন্য প্রযোজ্য* ।  (* শর্তপ্রযোজ্য)
পরীক্ষা কেন্দ্রবাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথ্য অ নির্বাচনী কেন্দ্র, পুরাতন বিমানবন্দর, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
লিখিত, স্বাস্থ্যগত ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি০৬ জুন ২০২১ থেকে পর্যায়ক্রমে সময়সূচি যথাসময়ে www.foinbangladeshairforce.mil.bd এবং www.baf.mil.bd  ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

 

বি.দ্র. মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোনা, বান্দরবান, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, লক্ষীপুর, রাঙ্গামাটি, জয়পুরহাট, পাবনা, নাটোর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারীম, ঠাকুরগাঁ, ঝিনাইদহ, নড়াইল, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টীয়া, মেহেরপুর, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ, জেলা ব্যতীত সকল জেলার প্রার্থীগন আবেদন করতে পারবে।

 

*** সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অনসরণ করে সকল পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

 

এমওডিসি (এয়ার) হিসেবে ভর্তি পরবর্তী সুবিধাসমুহ

 

বেতন ও ভাতাঃ প্রশিক্ষণকালীন মাসিক বেতন ৮,৮০০/- টাকা।

প্রশিক্ষণ শেষে পদবি অনুসারে আকর্ষণীয় বেতন ও ভাতাদি প্রাপ্য।

বিদেশ গমনঃ     পেশাগত প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ গমনের সুযোগ।

উচ্চ শিক্ষাঃ       বিমান বাহিনীর তত্ত্বাবধানে উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের সুযোগ।

জাতিসংঘ মিশনঃ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গমনের সুযোগ।

সন্তানদের অধ্যায়নঃ সন্তানদের যোগ্যতার ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আরোস্পেস ইউনিভার্সিটি, বিইউপি, আর্মড ফোর্সের মেডিক্যাল কলেজ, এমআইএসটি , ক্যাডেট কলেজ ও বিমান বাহিনী পরিচালিত বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজে অধ্যায়নের সুযোগ।

বাসস্থানঃ           নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে মানসম্মত সুসজ্জিত বাসস্থানের সুযোগ।

রেশনঃ              ভর্তুকি মূল্যে রেশন প্রাপ্তির সুযোগ।

যাতায়তঃ          বিমান বাদিনীর এক ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে সপরিবারে বিমান বা হেলিকপ্টার যোগে যাতায়তের সুযোগ।

চিকিৎসাঃ          সামরিক হাসপাতালে নিজ, স্ত্রী ও সন্তানদের উন্নত চিকিৎসা, প্রয়োজনে নগদ অর্থ প্রদানসহ বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ। পাশাপাশি সামরিকা হাসপাতালে পিতা, মাতা, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ির উন্নত চিকিৎসার সুযোগ।

হুশিয়ারি

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে এমওডিসি (এয়ার) পদে কেলমাত্র সনহাদপত্রে এবং বিমান বাহিনী ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখ ও স্থান অনুযায়ী ইউনিফরম এবং পরিচয়পত্র বহনকারী রিক্রুটিং টিমের মাধ্যামে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ভর্তির ব্যাপারে যে কোন সুপারিশ প্রার্থীর অযোগ্যাতা বলে গণ্য করা হবে। কেউ আর্থিক লেনদেনসহ কোনো প্রকার প্রতারণা করার চেষ্টা করলে তাকে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সোপার্দ করা যেতে পারে। ভর্তির সময় অবৈধভাবে আর্থিক লেন্দেন, ভূয়া ঠিকানা ও সনদ অথবা ভুল তথ্য প্রদানের মাধ্যমে বিমান বাহিনীতে ভর্তির তথ্য উদ্ঘাটিত হলে চাকরির য্ব কোনো পর্যায়ে বরখাস্তসহ আইনের আওতায় প্রার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: Content is protected !!