Home Blog Page 9

ড্রাগন ফল এর উপকারিতা ও গুনাগুন – বিস্তারিত

0

ড্রাগন ফল এটি এক প্রজাতির ফল, একধরনের ফণীমনসা (ক্যাক্‌টাস) প্রজাতির ফল, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে এর মহাজাতি হায়লোসিরিয়াস (মিষ্টি পিতায়য়া), এই ফল মূলত ড্রাগন হিসেবে পরিচিত। চীন-এর লোকেরা এটিকে আগুন ড্রাগন ও ড্রাগন মুক্তার ফল বলে থাকে, ভিয়েতনামে মিষ্টি ড্রাগন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াতে ড্রাগন ফল, থাইল্যান্ডে ড্রাগন স্ফটিক নামে পরিচিত। অন্যান্য স্বদেশীয় নাম হলো স্ট্রবেরি নাশপাতি বা নানেট্টিকাফল। এই ফলটি একাধিক রঙের হয়ে থাকে। তবে লাল রঙের ড্রাগন ফলটি বেশি দেখা যায়।

রুপচর্চা ও স্বাস্থ সেবায় পুদিনা পাতা

বিদেশি ফল হলেও ড্রাগন ফলের সতেজ করা স্বাদ ও পুষ্টিগুণের জন্য বাংলাদেশে সু-পরিচিত বর্তমানে এই ফল চাষও হচ্ছে। পুষ্টিগুণ কমলা বা গাজরের চাইতে বেশি। পাহাড়ি জনপদে ড্রাগন ফলের আবাদ বেশ বেড়েছে । এই ফলের চাহিদাও রয়েছে বেশ। বাগানে এই ফল ৩০০–৪০০টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শহরে প্রতি কেজি আরও বেশি। ড্রাগন ফলের ভেতরটা যেমন রাঙা, খেতেও সুস্বাদু।

কেন এ ফলের নাম ড্রাগন?

ড্রাগন ফল দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর। পাতাবিহীন এই ফলটি দেখতে ডিম্বাকার ও লাল রঙের। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই ফলের বাইরের খোসা দেখতে রূপকথার ড্রাগনের পিঠের মতো। এই রূপকথার ড্রাগনের মতো কিছুটা মিল থাকার ফলে একে ড্রাগন ফল বলা হয়।

ড্রাগন গাছ দেখতে কেমন?

ড্রাগন গাছ দেখতে একদম ক্যাকটাসের মতো। গাছ দেখে অনেকেই একে চির সবুজ ক্যাকটাস বলেই মনে করেন।
বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয়, হালকা মিষ্টি-মিষ্টি। এই ফলের খোসা নরম এটা কাটলে ভিতরটা দেখতে লাল বা সাদা রঙের হয়ে থাকে এবং ফলের মধ্যে কালজিরার মতো ছোট ছোট নরম বীজ আছে। নরম শাঁস ও মিষ্ট গন্ধ যুক্ত গোলাপি বর্ণের এই ফল খেতে অনেক সুস্বাদু। গাছ ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার হয়।

রাতের রানি ড্রাগন ফুল

Dragon flowers from Attic Garden

ড্রাগন গাছে শুধুমাত্র রাতে ফুল দেয়। ফুল লম্বাটে সাদা ও হলুদ রঙের হয়। দেখতে ‘নাইট কুইন’ ফুলের মত। আর এই কারণে ড্রাগন ফুলকে ‘রাতের রাণী’নামে অভিহিত করা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ লতানো ইউফোরবিয়া গোত্রের ক্যাকটাসের মত কিন্তু এর কোন পাতা নেই। ফুল স্বপরাগায়িত; তবে মাছি, মৌমাছি ও পোকা-মাকড় এর পরাগায়ণ ত্বরানবিত করে এবং কৃত্রিম পরাগায়নও করা যায়। ড্রাগন ফুলকে বলা হয় ‘মুন ফ্লাওয়ার’বা ‘কুইন অব দ্য নাইট’। ফুল থেকে ডিম্বাকার ফল গঠিত।

ড্রাগন ফলের উপকারিতা

এই ফল দেখতে খুব আকর্ষনীয়, এর কার্যকারিতা ও সুফলতা অনেক বেশি। এশিয়ার মানুষের কাছে এ ফল অনেক জনপ্রিয়, হালকা মিষ্টি-মিষ্টি, কোনোটা আবার হালকা টক।

ক) ড্রাগন ফলে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম থাকে। তাই ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীরা খেতে পারবেন।

from Attic Garden

খ) ড্রাগন ফলে ভিটামিন সি বেশি থাকার ফলে এই ফল খেলে আমাদের শরীরের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ হয়। লাল শাঁসের ড্রাগন ফলে বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

গ) ড্রাগন ফলে প্রচুর আয়রন থাকার কারণে রক্ত শূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

ঘ) ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমানে পানি থাকার ফলে এই ফল জুস আকারে খেলে শরীরের পানি শূন্যতা সহজেই দূর হয়।

ঙ) নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই এই ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উত্তম।

চ) ড্রাগন ফলের শাঁস পিচ্ছিল হওয়ায় এই ফল খেলে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়।

ছ) ড্রাগন ফলে প্রচুর ফাইবার থাকে যা পেটের পীড়া এবং লিভার এর জন্য ভালো।

জাত

হলুদ ড্রাগন

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সফলভাবে চাষ করার জন্য বাউ ড্রাগন-ফল–১ (সাদা), বাউ ড্রাগন-ফল–২ (লাল) নির্বাচন করা যেতে পারে। এ ছাড়া হলুদ ড্রাগন-ফল, কালচে লাল ড্রাগন-ফল চাষ করা যেতে পারে। দুটি জাত বাংলাদেশে চাষ করা হচ্ছে।

উপযুক্ত সময়

ড্রাগন ফল সাধারণত সারা বছর-ই চাষ করা যায়। এটি মোটামুটি শক্ত প্রজাতির গাছ হওয়ার ফলে প্রায় সব ঋতুতেই চারা রোপন করা যায়। তবে ছাদ বাগানে ড্রাগন ফলের চাষ করে ভালো ফলন পেতে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে চারা রোপন করলে সুফল পাওয়া যায়।

চারা উৎপাদন

বীজ ও কাটিং পদ্ধতিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা যায়। তবে বীজের গাছে মাতৃগাছের মতো ফলের গুণাগুণ না-ও থাকতে পারে। এতে ফল ধরতে বেশি সময় লাগে। ড্রাগন চাষের জন্য কাটিং চারাই বেশি উপযোগী। কাটিং থেকে উৎপাদিত গাছে ফল ধরতে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগে। উপযুক্ত যত্ন নিলে একর প্রতি ৬ থেকে ৭ টন ফলন পাওয়া যায়।

ছাদ বাগানে ড্রাগন চাষ

Dragon flowers from Attic Garden

ড্রাগন ফলটি জমির পাশাপাশি বাড়ির ছাদেও চাষ করা য়ায়। দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আবাদের জন্য বাউ ড্রাগন-১ (সাদা), বাউ ড্রাগন-২ (লাল), হলুদ ও কালচে লাল ড্রাগন ফলে চাষ বাড়ানো যেতে পারে। খেতে সুস্বাদু পুষ্টিকর এ ফলের চাষ ব্যাপকভাবে গড়ে উঠলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ড্রাগন ফল বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলে কৃষিবিদরা মনে করছেন।

পাহাড়ে ড্রাগন চাষ

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বিদেশী ফল হলেও পাহাড়ের জলবায়ু এবং মাটি দুটিই ড্রাগন চাষের জন্য খুবই উপযোগী। পাহাড়ে ড্রাগন ফলের চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের মতে, পাহাড়ের মাটি এই ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে এই ফলের ব্যাপক চাষাবাদ সম্ভব। পাহাড়ে বাড়ছে বিদেশি ফল ড্রাগনের চাষ।

পোকামাকড়ের আক্রমণ কম এবং পানির সেচ কম লাগায় এ চাষে আগ্রহী হচ্ছে পাহাড়িরা। স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় বান্দরবানে জুমচাষ ছেড়ে ড্রাগন ফলের চাষের দিকে ঝুঁকছেন পাহাড়িরা। জানা গেছে, চিম্বুক পাহাড়ের বসন্ত পাড়ায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের চাষ করে লাভবান হয়েছেন তারা।

বরেন্দ্র অঞ্চলে ড্রাগন চাষ

খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে বরেন্দ্র অঞ্চলে খরাসহিষ্ণু ক্যাকটাস প্রজাতির এ ফলের ফলন ভালো হওয়ায় ‘ড্রাগন’ চাষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাজশাহীর কিছু অঞ্চলে স্থানীয়দের মধ্যে অপরিচিত এ ফল চাষ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, সীমিত পরিসরে রাজশাহী অঞ্চলে ড্রাগন ফলের আবাদ শুরু হয়েছে। বিঘাপ্রতি খরচ পড়ছে প্রায় ২ লাখ টাকা আর বছরে আয় প্রায় ৫ লাখ টাকা।

ড্রাগন ফলের ব্যবহার

এ ফল কাঁচা বা পাঁকা অবস্থায় খাওয়া যায়। তবে পাকা ফল ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেলে বেশ ভালো লাগে। ফলকে লম্বালম্বিভাবে কেটে ২/৪ টুকরা করে চামচ দিয়ে কুরে এর শাঁস খাওয়া যায়। এ ছাড়াও খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে খাওয়া যায়। এটা মুলত ফ্রুট সালাদ হিসেবে, মিল্ক শেক তৈরিতে, জুস তৈরির জন্যও ফলটি অত্যন্ত উপযোগী। এর ফুলও খাওয়া যায়।

ড্রাগন ফলের পুষ্টি উপাদান

এ ফলটি প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, মিনারেল এবং উচ্চ ফাইবার যুক্ত। জুস তৈরীর জন্যও ফলটি অত্যন্ত উপযোগী। ড্রাগন ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ ঠিক রাখার জন্য সাধারণত এটি কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া ভাল।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলের সাদা/লাল অংশে প্রায় ২২ মি.গ্রা. ভিটামিন সি পাওয়া যায় যা একজন মানষের দৈনিক ভিটামিন সি’র চাহিদার ৩৪ শতাংশ পূরণ করে।

১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে যে পরিমাণ ভিটামিন সি পাওয়া যায় তা একটি কমলা বা তিনটি গাজরের বেশি ভিটামিন সি সরবারহ করতে সক্ষম। ভিটামিন সি’র মাত্রা বেশি থাকায় ড্রাগন ফলটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়,সাথে মানসিক অবসাদ দূর করে এমন কি ত্বক সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে যা দৈনিক চাহিদার ১২ শতাংশ। ড্রাগন ফলের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকারক হিসেবে কাজ করে।

ড্রাগন ফলের বীজে থাকে ল্যাক্সেটিভ ও পলিআনস্যাচুরেইটেড ফ্যাটি অ্যাসিড যা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের সহায়ক।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে জলীয় শতাংশ থাকে প্রায় ৮৭ গ্রাম, প্রোটিন ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম বলতে গেলে ফ্যাট নাই বললেই চলে এবং কার্বোহাইড্রেট আছে ১১.০ গ্রাম।

তাছাড়া এতে বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপদান যা মানবদেহের সুস্থতার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ভিটামিন বি-১ ০.০৪ মিলিগ্রাম,ভিটামিন বি-২, ০.০৫ মি.গ্রা. ভিটামিন বি-, ০.০১৬ মি.গ্রা এবং ২০.০৫ মি.গ্রা. সি পাওয়া যায়।

ড্রাগন ফলে আছে আয়রনের ভালো উৎস। ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ১.৯ মি.গ্রা. আয়রন থাকে। এছাড়াও এতে ক্যালসিয়াম থাকে ৮.৫ মি.গ্রা. এবং ফসফরাস থাকে ২২.৫ মি.গ্রা.।

ব্যাঙের রাজা – সুকুমার রায়

0

আজ আমরা একটি গল্প বলব যার নাম ব্যাঙের রাজা। এটি সুকুমার রায়ের বাছাই করা সেরা গল্প বই থেকে ব্যাঙের রাজা গল্প টি। চলুন শুরু করা যাকঃ-

ব্যাঙের রাজা গল্প

রাজবাড়িতে যাবার যে পথ, সেই পথের ধারে প্রকাণ্ড দেয়াল, সেই দেয়ালের একপাশে ব্যাঙেদের পুকুর। সোনাব্যাং, কোলাব্যাং, মেঠোব্যাং-সকলেরই বাড়ি সেই পুকুরের ধারে। ব্যাঙেদের সর্দার যে বুড়ো ব্যাং, সে থাকে দেয়ালের ধারে, একটা মরা গাছের ফাটলের মধ্যে, আর ভোর হলে সবাইকে ডাক দিয়ে জাগায়— “আয় আয় আয়—গ্যাক গ্যা গ্যা—দে দে দেখ—ব্যাং ব্যাং ব্যাং–ব্যাঙাচি।

এই বলে সে অহংকারে গাল ফুলিয়ে জলের মধ্যে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে আর ব্যাংগুলো সব “যাই যাই যাই—থা থাক্ থা” বলে, ঘুম ভেঙে, মুখ ধুয়ে দাঁত মেজে, পুকুরপারের সভায় বসে।

একদিন হয়েছে কি, সর্দার ব্যাং ফুর্তির চোটে লাফ দিয়েছে উলটোমুখে ডিগবাজি খেয়ে আর পড়বি তো পড়, এক্কেবারে দেয়াল টপকে রাজপথের মধ্যিখানে! রাজা তখন সভায় চলেছেন, সিপাই-শান্ত্রী লোকক্ষর দলবল সব সঙ্গে চলেছে। মোটা মোটা সব নাগরাই জুতো খটমটু ঘাচি করে ব্যাং বুড়োর মাথার উপর দিয়ে ডাইনে বাঁয়ে সামনে পিছে এমনি রোখ ক’রে চলতে লেগেছে যে ভয়ে ব্যাঙের প্রাণ তো যায় যায়!

হঠাৎ কোথেকে কার একটা লাঠি না ছাতা না কিসের গুতো এসে এমনি ধাই করে ব্যাঙের গায়ে লেগেছে যে সে বেচারা ঠিকরে গিয়ে পথের ধারে ঘাসের উপর চিৎপাত হয়ে পড়েছে।

ব্যাং বুড়োর খুব লেগেছিল, কিন্তু হাতও ভাঙেনি, পাও ভাঙেনি, সে আস্তে আস্তে উঠে বসল।–আর চারদিকে তাকিয়ে, দেয়ালের গায়ে একটা ফাটল দেখে, তাড়াতাড়ি তার মধ্যে ঢুকে পড়ল। সেখান থেকে খুব সাবধানে মুখ বার করে সে চেয়ে দেখল, মাথায়-মুকুট রঙিন-পোশাক রাজা, আলো-ঝলমল চতুর্দোলায় চড়ে সভায় যাচ্ছেন। লোকেরা সব “রাজা, রাজা” বলে নমস্কার করছে, নাচছে, গাইছে আর ছুটোছুটি করছে। আর রাজামশাই চতুর্দোলায় ব’সে খুশি হয়ে এর দিকে তাকাচ্ছেন, ওর দিকে তাকাচ্ছেন, আর কেবলি হাসছেন।

তাই দেখে ব্যাঙের বড় ভালো লাগল, সেও দুহাত তুলে নমস্কার করতে লাগল আর বলতে লাগল, ‘রাজা রাজা রাজা রাজা রাজা রাজা?” তার মনে হল রাজামশাই ঠিক তার দিকে তাকিয়ে ফিক করে হেসে ফেললেন! ব্যাং তখন কাদ কাদ হ’য়ে নিঃশ্বাস ফেলে ভাবল, “আহা! আমাদের যদি একটা রাজা থাকত!”

তারপর ঘুরে ঘুরে পথ খুঁজে খুঁজে ব্যাং যখন বাসায় ফিরল, তখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এসেছে।
সবাই বলল, “সর্দার বুড়ো, সর্দার বুড়ো, সারাদিন তুমি কোথায় ছিলে? আমরা যে কত ডাকলাম, কত খুঁজলাম, তুমি তো কই সাড়াও দিলে না।”
সর্দার বলল-“চো চো চোপ্ রাও! রাজা দেখতে গিয়েছিলাম।”

তাই শুনে ব্যাঙেরা সব একসঙ্গে “রাজা কে ভাই?” “রাজা কে ভাই?” “রাজা কে ভাই?” বলে চেঁচিয়ে উঠল।
বুড়ো তখন গাল ফুলিয়ে, বুক ফুলিয়ে, দু’চোখ বুজে, দু’হাত তুলে লাফিয়ে বলল, “রাজা হচ্ছে এই এত্তো বড়ো উঁচু, আর ধবধবে সাদা আর ঝকঝকে আলোর মতো—আর তাকে দেখলেই সবাই মিলে ডাকতে থাকে—রাজা রাজা রাজা রাজা।”

তাই শুনে ব্যাঙেরা সবাই বলতে লাগল, “আহা! আহ! আমাদের যদি একটা রাজা থাকত!”
তাদের যে রাজা নেই, এই কথা ভাবতে ভাবতে তাদের চোখ দিয়ে ঝরঝর ক’রে জল পড়তে লাগল।
বুড়ো ব্যাং বলল,“ভাই সকল, এস আমরা রাজার জন্য দরখাস্ত করি।”

তখন সবাই মিলে গোল হলে বসে, আকাশের দিকে চোখ তুলে, নানা সুরে ডাকতে লাগল—“রাজা রাজা রাজা রাজা—রাজা রাজা রাজা রাজা—রাজা চাই, রাজা চাই, রাজা চাই, রাজা চাই, রাজা চাই।”

ব্যাং পুকরের ব্যাং দেবতা যিনি বাদলা দিনে বর্ষা মেঘের ঝাঝরি দিয়ে পুকুর ভরে জল ঢালেন- তিনি তখন আকাশতলায় চাদর মেলে ঘুমচ্ছিলেন। হঠাৎ ব্যাঙেদের চিৎকারে তার ঘুম ভাঙল। তিনি চারিদিকে তাকিয়ে বললেন, “বৃষ্টিও নেই, বালাও নেই, মেঘের কোনো চিহ্নও নেই, বাছারা সব চেঁচাও কেন?”
ব্যাঙেরা বলল, “আমাদের রাজা নেই, রাজা চাই।”

দেবতা বললেন, “এই নে রাজা।” এই বলে মরা গাছের একখানা ডাল ভেঙে তাদের সামনে ফেলে দিলেন। ভাঙা ডাল পুকুরপাড়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল তার মাথার উপর মস্ত মত্ত ব্যাঙের ছাতা জোছনায় চক চক করতে লাগল। তাই দেখে ব্যাঙের ফুর্তি আর ধরে। তারা গোল হয়ে ঘিরে বসে মনের সুখে গাইতে লাগল—“রাজা রাজা রাজা রাজা-রাজা রাজা রাজা রাজা”

এমনি ক’রে দুদিন যায়, দশদিন যায়,
শেষটায় একদিন সর্দার ব্যাঙের গিন্নী বললেন,
“ছাই রাজা! কর্তা যে সেদিন রাজা দেখলেন, এর চেয়ে সে অনেক ভালো। এ রাজা নড়েও চড়েও না, এদিকেও দেখে না ওদিকেও দেখে না ছাই রাজা!”

তাই শুনে সবাই বলল,
“ছাই রাজা! ছাই রাজা নড়েও না চড়েও না, দেখে না শোনেও না ছাই রাজা!”
তখন আবার বুড়ো ব্যাং গাছের উপর চড়ে বলল, “ভাই সকল, এস আমরা দরখাস্ত করি—আমাদের ভালো রাজা চাই।”

আবার সবাই গোল হয়ে বসে আকাশপানে চোখ তাকিয়ে নানা সুরে ডাতে লাগল-“রাজা চাই? রাজা চাই! ভালো রাজা নতুন রাজা।”

তাই শুনে ব্যাং দেবতা জেগে বললেন, “ব্যাপারখানা কী? এই তো সেদিন তোদের রাজা দিলাম,এর মধ্যে আবার নতুন কী হল?”
ব্যাঙের বলল, “ও বুজা ছাই রাজ্জা! ও রাজা বিশ্রী রাজা ও রাজা নড়েও না চড়েও না–ও রাজা চাই না, চাই না, চাই না, চাই না, চাই না, চাই না”

ব্যাং দেবতা বললেন, “থাম তোরা থাম নতুন রাজা দিচ্ছি।” এই বলে, একটা বককে সেই পুকুরের ধারে নামিয়ে দিয়ে তিনি বললেন, “এই নে তোদের নতুন রাজা।
তাই না দেখে, ব্যাঙেরা সব অবাক হয়ে বলতে লাগল, “বাপরে বাপ! কি প্রকাণ্ড রাজা!” চকচকে ঝকঝকে ধবৃধবে সাদা! ভালো রাজা! সুন্দর রাজা! রাজা রাজা রাজা।”

ব্যাঙের রাজা অর্থাৎ বকের তখন খিদে ছিল না, মাছ খেয়ে পেট ভরা ছিল, তাই সে কিছু বলল না; খালি চোখ মিট মিট করে একবার এদিকে তাকাল, একবার ওদিকে তাকাল, তারপর এক পা তুলে চুপচাপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

তাই দেখে ব্যাঙেদের উৎসাহ আর ধরে না, তারা প্রাণ খুলে গলা ছেড়ে গাইতে লাগল । সকাল গেল, দুপুর গেল, বিকেল হল, সন্ধ্যা হল—তারপর ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত্রি এল—তখন ব্যাঙেদের গান গাওয়া বন্ধ হল।
তার পরের দিন সকালবেলায় উঠে যেমনি তারা গান ধরেছে, অমনি বকরাজা এসে একটা গোবদামতন মোটা ব্যাঙে টপাস্ করে মুখের মধ্যে পুরে দিয়েছে।

তাই দেখে ব্যাঙেরা হঠাৎ কেমন মুষড়ে গেল তাদের রাজা রাজার গান একেবারে পাঁচ সুর নেমে গেল।
বকরাজা ব্যাংটিকে দিয়ে জলযোগ করে একটি ঠ্যাং মুড়ে ধ্যান করতে লাগলেন।

এমনি ক’রে এক-এক বেলায় এক-একটি করে ব্যাং ব্যাঙের রাজা’র (বক) পেটের মধ্যে যায়।
ব্যাং মহলে হৈচৈ লেগে গেল। সবাই মিলে সভায় বসে যুক্তি করে বলল,
“এটা বড় অন্যায় হচ্ছে। রাজাকে বুঝিয়ে বলা দরকার, সে হল আমাদের ব্রাজা, সে এমন করলে আমরা পালাই কোথা?”
কিন্তু বুঝিয়ে বলবে কে?
সর্দার গিন্নী বললেন,
“তার জন্য ভাবছিস কেন? এতে আর মুশকিলকিসের? এই দেখ না, আমিই গিয়ে
বলে আসছি।”

সর্দার গিন্নী বকরাজার পায়ের সামনে গ্যাট হয়ে বসে হাত-মুখ নেড়ে কড়কড়ে গলায় বলতে লাগলেন, “ও রাজা, তোর ভাগ্যি ভালো, তুই আমাদের রাজা হলি ।
তোর চোখ ভাললো, মুখ ভালো, ঝকঝকে রঙ ভালো, দুই পা-ও ভালো,
কেবল ঐ টি তোর ভালো নয়,—তুই আমাদের খাস কেন?
শামুক আছে শামুক খানা, পোকা মাকড় প্রজাপতি তাও তো তুই খেতে পারিস।
রাজা হয়ে আমাদের খেতে চাস? ছ্যা ছ্যা ছ্যা ছা—রাম রাম রাম রাম—অমন আর কক্ষণো করিসনে।”

বক দেখলে তার পায়ের কাছে দিব্যি একটা নাদুসনুদুস ব্যাং, তার নরম নরম গোলগাল চেহারা! টপ ক’রে বকরাজার জিভ দিয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল আর খপ করে সর্দার গিন্নী তার মুখের মধ্যে মিলিয়ে গেলেন!

ব্যাঙেদের মুখে আর কথাটি নেই। সবাই তাড়াতাড়ি চটপটু সরে বসে বড় বড় হাঁ করে তাকিয়ে রইল।
পরে সর্দার ব্যাং রুমাল দিয়ে চোখ মুছে বলল, “পাজি রাজা! লক্ষ্মীছাড়া দুষ্টু রাজা!”
তাই শুনে সবাই একসূঙ্গে আকাশ ফাটিয়ে চেঁচাতে লাগল,
“পাজি রাজা! দুই রাজা! চাই না চাই না চাই না চাই না রাজা চাই না, রাজা চাই না।”

ব্যাং দেব জেগে বললেন, “দূর ছাই! আবার কী হল?”
ব্যাঙেরা বলল,
“বাপরে বাপু! বাপরে বাপ! কী দুষ্টু রাজা’ নিয়ে যাও, নিয়ে যাও, নিয়ে যাও!”

তখন ব্যাং দেবতা হুশ করে তাড়া দিতেই বাজা পাখা মেলে উড়ে পালাল। আর ব্যাঙেরা সব বাসায় গিয়ে বলতে লাগল, “গ্যা গা গঁ—বাপ বাপ বাপ-
ছ্যা ছ্যা ছ্যা—রাজাটাজা আর কক্ষণো চাইব না।”

এখানেই সমাপ্ত ব্যাঙের রাজা গল্প।  আমাদের সাথে যোগাযোগ

রুপচর্চা ও সাস্থ্য সেবায় পুদিনা পাতা

0

পুদিনা পাতা যার ইংরেজি নাম Spearmint । স্পিয়ারমিট বা পুদিনা পাতা অনেক নামে পরিচিত হয়ে থাকে যথাঃ- উদ্যান পুদিনা, সাধারণ পুদিনা, মেষশাবক পুদিনা এবং ম্যাকারেল পুদিনা নামেও পরিচিত। পুদিনা, মেন্থ স্পাইকাটা একটি প্রজাতি যা ইউরোপ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়ার অধিবাসী, পশ্চিমে আয়ারল্যান্ড থেকে পূর্বে দক্ষিণ চীন পর্যন্ত বিস্তৃত আছে।

এবার আসা যাক আমাদের মূল টপিকে,পুদিনা পাতা দেখতে ছোট হলেও এর গুণ অনেক রয়েছে। আজ আমরা সেই গুনা গুন ও উপকার নিয়ে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ। চলুন শুরু করা যাকঃ-

পুদিনা পাতা ত্বক, চুল ও শরীর—তিনটির জন্যই বেশ উপকারী। যেকোনো পরিচর্যার জন্য কয়েকটি  পুদিনা পাতাই যথেষ্ট।

ড্রাগন ফল এর উপকারিতা ও গুনাগুন – বিস্তারিত

ব্রণের ওষুধ পুদিনা

খুব দ্রুত ব্রণ দূর করতে পুদিনাপাতা দারুণ কাজ করে। ব্রণ দূর করতে এবং ত্বকের তেলতেলে ভাব কমাতে তাজা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগান। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের দাগ দূর করতে প্রতিদিন রাতে পুদিনা পাতার রস লাগান। সম্ভব হলে সারারাত রাখুন। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে কমপক্ষে ২/৩ ঘণ্টা রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। মাসখানেক এইভাবে লাগালে ব্রণের দাগ উধাও হয়ে যাবে।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পুদিনা

দুই টেবিল-চামচ চটকানো কলা এবং ১০ থেকে ১২টি পুদিনাপাতার পেস্ট মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এই প্যাক সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করতে পারেন।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে পুদিনা পাতা

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে ১০-১২টি পুদিনাপাতা বেটে তার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে এক টেবিল-চামচ মুলতানি মাটি, আধা টেবিল-চামচ মধু ও আধা টেবিল-চামচ টক দই। ঘন মিশ্রণ হওয়া পর্যন্ত মেশাতে থাকুন। ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন টক দই।
মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দুবার এটা ব্যবহার করলে ত্বকের তেলতেলে ভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এ ছাড়া পুদিনাপাতা মেশানোর ফলে এতে খনিজ উপাদান যোক্ত হয় এবং বাড়তি তেল দূর হয়ে ত্বক কে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য পুদিনা

শুষ্ক ত্বকের জন্য ১০ থেকে ১২টি পুদিনাপাতা বেটে তার সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ টক দই ও এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি মিশিয়ে ঘন পেস্ট করতে হবে। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃণ, আর্দ্র ও কোমল রাখতে এই ফেস প্যাক খুবই কার্যকর।

চুলের উকুন নির্মূলে পুদিনা পাতা

চুলে উকুন হলে পুদিনার শেকড়ের রস লাগাতে পারেন। উকুনের মোক্ষম ওষুধ হল পুদিনার পাতা বা শেকড়ের রস। গোটা মাথায় চুলের গোড়ায় এই রস ভাল করে লাগান। এরপর একটি পাতলা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু বার এটা করুন। এক মাসের মধ্য চুল হবে উকুনমুক্ত।

সর্দি কাশির চিকিৎসায় পুদিনা

সর্দি হলে নাক বুজে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো মারাত্মক কষ্ট পান অনেকেই। সেই সময় যদি পুদিনা পাতার রস খান, তাহলে এই কষ্ট থেকে রেহাই পাবেন নিমেষে। যাঁরা অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের তাৎক্ষণিক উপশমে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। খুব বেশি নিঃশ্বাসের এবং কাশির সমস্যায় পড়লে পুদিনা পাতা গরম জলে ফুটিয়ে সেই জলেরর ভাপ নিতে পারেন। ভাপ নিতে অসুবিধা হলে গার্গল করার অভ্যাস তৈরি করুন।

ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে পুদিনা পাতা

গোলাপ, আমলা, বাঁধাকপি ও শশার নির্যাস করে তার সাথে পুদিনার নির্যাস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক মসৃণও হয়।

পেটের ব্যথা কিংবা পেটের নানান সমস্যায় পুদিনা

পুদিনা পাতার মধু মিশ্রিত চা

পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যা পেটের যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যাঁরা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের নানান সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাঁরা খাবার কাওয়ার পর ১ কাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম জলে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরের মধ্যেই।

শরীরকে ঠান্ডা রখতে পুদিনা পাতা

গরমকালে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখাতে পুদিনার রস খুব ভাল। গোসলের আগে জলের মধ্যে কিছু পুদিনা পাতা ফেলে রাখুন। সেই জল দিয়ে স্নান করলে শরীর ও মন চাঙ্গা থাকে।

ত্বকের সংক্রামণ (ঘামাচি, অ্যালার্জি) ঠেকাতে পুদিনা

এই পাতার রস ত্বকের যে কোনো সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। শুকনো পুদিনা পাতা ফুটিয়ে পুদিনার জল তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। এক বালতি জলে দশ থেকে পনেরো চামচ পুদিনার জল মিশিয়ে স্নান করুন। গরমকালে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া-জনিত বিশ্রী দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পেতে এটা ট্রাই করতে পারেন। কেননা পুদিনাতে রয়েছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট। ঘামাচি, অ্যালার্জিও হবে না।

শরীরের ব্যথা দূরকরতে পুদিনা

তাৎক্ষণিক যে কোনও ব্যথা থেকে রেহাই পেতে পুদিনা পাতার রস খুব উপকারী। চামড়ার ভেতরে গিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভে পৌঁছায় এই রস। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পুদিনাপাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনাপাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনাপাতা বেটে প্রলেপ দিতে পারেন।

বুকের কফ দূর করতে পুদিনা

যদি আপনার বুকে কফ জমে তাহলে পুদিনা আপনার জন্য কারণ নিয়মিত পুদিনা পাতার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারবে না ।

ড্রাগন ফল এর উপকারিতা ও গুনাগুন – বিস্তারিত

পুদিনা পাতা’র অন্যান্য গুণাবলী

১। বিষাক্ত জন্তুর বিষ নষ্ট করার গুণ আছে পুদিনায়।

২। পুদিনা পাতা পুড়িয়ে যদি সেই ছাই দিয়ে দাঁত মাজা যায় তাহলে দাঁত শক্ত ও মজবুত হয়।

৩। পুদিনা পাতার ভেতরে উপস্থিত নানাবিধ উপকারী উপাদান পেটের রোগ সারানোর পাশাপাশি ওজন কমাতে সহায়তা করে।

৪। রোদে পোড়া ত্বকের জ্বালা কমাতে পুদিনা পাতার রস ও অ্যালোভেরার রস এক সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সানবার্নের জ্বালা গায়েব।

৫। এমনি মান্সিক অবসাদকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং নানাবিধ ত্বকের রোগের চিকিৎসাতেও পুদিনাপাতা ব্যবহ্ণত হয়।

৬। আশ্চর্যজনক হলেও পুদিনাপাতার গুণ খুব সত্য পুদিনা পাতা ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। পুদিনা পাতার পেরিলেল অ্যালকোহল যা ফাইটো নিউট্রিয়েন্টসের একটি উপাদান দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে।

৭। প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়ানাশক গুণ থাকার কারণে ত্বকের ব্রণের সমস্যা সারাতে পুদিনা পাতার জুড়ি নেই।

৮। যাদের পায়ে গোদ আছে তারা পুদিনা পাতা সেদ্ধ করে বেটে মিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে উপকৃত হবেন।

আজই পুদিনা পাতা খাওয়া বা সেবন করার চেষ্টা করুন। আর আপনার মূল্যবান মতামত আমদের জানান নিচের কমেন্ট বক্সে। আপনার লেখা পাঠাতে বা লিখতে চাইলে যোগাযোগ করার অনুরোদ করা হল।

মহানগর সিরিজ – মোশাররফ করিম

0

বাপরে বাপ,
কি দেখলাম এটা?
মনে হয়েছে কোনো সিরিজ নয় বরং আমি নিজেই কোতোয়ালি থানায় একটা রাত কাটিয়েছি এবং ঘটনা গুলো নিজ চোখে দেখেছি, চঞ্চল চৌধুরীর Taqdir বা আরেফিন শুভর Contract এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভালো মানের ওয়েব সিরিজ মোশাররফ করিমের মহানগর, সবার কি দারুণ অভিনয়, কল্পনাই করা যায় না।

আশফাক নিপুণ সাহেবের এই কাজ দেখে মনে হলো মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর পর আরেকজন দারুণ পরিচালক পেতে যাচ্ছি আমরা, অভিনয়েঃ- কিংবদন্তী মোশাররফ করিম, জাকিয়া বারি মম, শ্যামল মাওলা,খায়রুল বাসার, মুস্তাফিজুর নূর ইমরান, লুৎফর রহমান জর্জ,কাজী নওশাবা, শাহেদ আলী, নাসিরুদ্দিন খান, নিশাত প্রিয়ম,জীবন রায়, রুকাইয়া জাহান চমক, শেহজাদ, আরিয়ানা, রিপা রঞ্জনা সহ আরও অনেকে।

অভিনয় শিল্পীদের ব্যপারে আসিঃ-

মোশাররফ করিমঃ মহানগরে মোশাররফ করিম হচ্ছেন ওসি হারুন,একদম নিখুঁত অভিনয় যাকে বলে সেটাই করেছেন এই ব্যক্তি,নিজেকে একজন ওসি হিসেবে দারুণ ভাবে উপস্থাপন করেছেন এই কিংবদন্তি।

মুস্তাফিজুর নূর ইমরানঃ- ওরফে এস আই মলয় কুমার,উনি মূলত মঞ্চ থেকে উঠে আসা একজন শিল্পী,মঞ্চ মানেই খাটি সোনা উপহার দেয়া,ইনার ব্যাপারেও বিপরীত ঘটেনি,

শ্যামল মাওলাঃ- আপনি স্যার সবসময় ভালো,কিন্তু আপনি তো পুরো বাজেটের এক তৃতীয়াংশ সিগারেট খেয়েই জ্বালিয়ে দিয়েছেন,

খায়রুল বাসারঃ- দারুণ সম্ভাবনার নাম,সাবলীল অভিনয় দারুণ ভাবে বিমোহিত করে,

জাকিয়া বারি মমঃ- এসি শাহানা চরিত্রে পুরোপুরি ঢুকে গিয়েছিলেন ইনি,

নাসিরুদ্দিন খানঃ- সি সিত… উনার হাসি এবং ডায়লগ ডেলিভারি সিরিয়াস সময়ের ভিতর একটু হলেও আমাকে হাসিয়েছে,তার বলা ডায়লগ’টা কিন্তু মারাত্মক ❝থানার দেয়ালও টাকা খায়, টাকাই থানার খানা
আরেকটা ডায়লগ ছিলো ❝ওসি এসির চেয়েও বেশি গরম এই ট্যাবলেট (কনস্টেবল) গুলা

সিনেমাটোগ্রাফি ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকঃ– দুইটাই ভালো ছিলো,তবে আমি খুব ভালো বলবো না।

মোশাররফ করিমের ডায়লগ সমূহঃ-

১.টাকা এবং ক্রিমিনাল, যদি থাকে নসিবে আপনা আপনি আসিবে।

২.দুই যায়গায় কখনো মিথ্যা বলতে নাই, একঃ- মা, দুইঃ-পুলিশ।

৩.সকল সত্যই সত্য কিন্তু সকল মিথ্যা মিথ্যা নয়।

৪.সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।

৫.দুইটা জিনিস কারো জন্য অপেক্ষা করেনা একঃ- সময়, দুইঃ- টাকা দেরি হলেই হাওয়া।

৬.দুইটা সময় চোখ কখনো মিথ্যা বলেনা একঃ- কার্ড খেলার সময়, দুইঃ- মার্ডার করার সময়।

৭.সিস্টেমের মধ্যেই ভূত আর এই ভূতদের সাথে পাল্লা দিতে মাঝে মাঝে নিজেকে ভূত সাজতে হয়।

৮.সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠেনা, তোমরা সোজা আঙ্গুলে যেটা করতে চাইছো আমি আঙ্গুল বাঁকা কইরা সেটাই করতে চাইছি।

শেষের দুটো ডায়লগ আপনাকে অন্যভাবে ভাবাবে,মানে পুরো সিরিজ জুড়ে আপনার যে ভাবনা ছিলো এই দুটো ডায়লগ সেই ধারণাই পাল্টে দিবে।

শেষ দৃশ্যে ছিলো To Be Continue….
এবার অপেক্ষার পালা।

মহানগর ওয়েব সিরিজ

বিঃদ্রঃ অনেকেই বলছেন এই সিরিজে বাংলাদেশ পুলিশকে হেয় করা হয়েছে কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হয়নি বরং আমার মনে হয়েছে এখানে বাংলাদেশ পুলিশের একটা পজিটিভ দিক তুলে ধরা হয়েছে,একটা নষ্ট সিস্টেম ব্রেক করে কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় সেটাই প্রকাশ পেয়েছে।

গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা

0

আজ আলোচনা করব গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা নিয়ে কারণ আজ কাল আমরা প্রায় সকলেই বিভিন্ন সাইট বা টোল ব্যবহার করে বিভিন্ন এপ বানিয়ে থাকি নিজেই। কেউ শখের বসে কেউবা অনলাইনে আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে। যাই হোক না কেন বর্তমানে সবার এই এপ ডেভলপ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া নিজের ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলের একটি এপ থাকলে ভাল-ই হয়।

এখন আবার অনেকেই টাস্ক ভিত্তিক আরনিং এপ বানিয়ে ইনকাম করছে হাজার হাজার টাকা। তাহলে আপনি বাকি থাকবেন কেন!!

তাই শুরু করুন এপ বানানো আর আপনার এপে বসিইয়ে দিন এডমব এর এড আর ইনকাম করতে থাকুন আরামছে। তবে হা আপনার এপ কিন্তু মানুষ ব্যবহার করতে হবে। যাদি আপনি ই সারা দিন আপনার এপে ডুকেন আর বের হন তাহলে উল্টু আপনার এডমব একাউন্ট টাই বাতিল হবে। কারণ গুগল এত বোকা নয়।

কথা হল আপনি  এপ বানলেন কিন্তু তা মানুষ কখন ব্যবহার করবে?? বা কি করে মানুষের কাছে পৌছাবে?? খুবই সাধারণ প্রশ্ন। আর এই প্রশ্নের সমাধান দিতেই আজকের এই পোস্ট। যখন আপনার এপ টি কোন বিশবসথ প্লাটফর্ম এ থাকবে তখন ই মানুষ ব্যবহার করবে। আজকাল মানুষ গুগল প্লে স্টোর ছাড়া কোন এপ ডাউনলোড করে না।

ভার্চোয়াল ভিসা কার্ড কিনুন গুগল প্লে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র জন্য ব্যানারে ক্লিক করুন

আজ আমরা ভার্চুয়াক ডেভিট কার্ড দিয়ে গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা শিখব। তাই ত আজ আমরা হাজির হলাম কি ভাবে গুগল প্লে স্টোর এ ডেবলপার একাউন্ট খুলে এপ পাবলিশ বা সাবমিট করবেন।

প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট বা গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খোলার নিয়ম।

দেখা যাক কি ভাবে নিজেই একটি গুগল প্লে স্টোর ডেভেলপার একাউন্ট খোলা যায়।

সবার আগে আপনার যা লাগবে তা হচ্ছে একটা গুগল একাউণ্ট অর্থাৎ Gmail একাউণ্ট। বর্তমানে জিমেইল একাউন্ট নেই এমন মানুষ খুজে পাওয়া কষ্টকর।

গুগল এ একাউন্ট থাকলে ভালো, না থাকলে একটা খুলে নিতে পারে।

গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র প্রথাম ধাপ
গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র ২য় ধাপ।

এরপর https://play.google.com/apps/publish/ এই লিংকে যান এবং লগিন না থাকলে আপনার যে একাউন্ট এ গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-তে  বা গুগল প্লে কনসল একাউন্ট খুলবেন তা দিয়ে লগিন করুন বা আগে গুগল একাউন্টে লগিন করা থাকলে আর লগিন করতে হবে না। সরাসরি নিচের মত পেইজে নিয়ে যাবেঃআপনাদের বুঝার সুবিধার্থে লাল কালি দিয়ে মার্ক করা আছে। Review Terms of Service এ ক্লিক করুন। সাথে সাথে অন্য একটি পেইজে নিয়ে যাবে অর্থাৎ নিচের মত পেইজ আসবে।

গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র ৩য় ধাপ

গুগল তাদের টার্ম অফ সার্বিস পরতে বলবে। অত পরার দরকার নেই আপনি সোজা Accept এ ক্লিক করুন।ক্লিক করার পরে আপনাকে নিচের মত পেইজে নিয়ে যাবে, এবার আপনাকে এই ফর্মটি ফিলাপ করতে হবে সতর্কাতার সহিত।

Public developer name এই ঘরে আপনি আপনার ডেবলপার নাম দিন যে নামে আপনার প্লে কনসল বা ডেবলপার একাউন্ট থাকবে।

Secondary contact email address আপনার একাউন্টের নিরাপত্যার জন্য এখানে একাটি সেকুন্ডারি ইমেইল লিখুন। কোন সমস্যা হলে আপনার কাজে আসবে। (যেমনঃ- আপনি আপনার প্রাইমারি ইমেইল টি হারিয়ে ফেলেছেন)

Contact phone number আপনার সাথে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নাম্বার দিন অবশ্যই +৮৮০ দিয়ে শুরু করবেন।

Developer agreement and terms of service এখানে দুটি চেক বক্স পাবেন, দুটি ই টিক দিয়ে কনফার্ম করে দিন

এবার Create account and Pay বাটনে ক্লিক করুন।নিচের মত পেমেন্ট ফর্ম আসবে,

আপনার ফর্ম ফিলাপ শেষ, এবার পালা পেমেন্ট করার। আপনার অবশ্যই একটি ভিসা/মাস্টার কার্ড লাগবে যাতে ডলার এন্দ্রুসমেন্ট করা আছে মানে ডুয়েল ক্যারেন্সি।

আপনি গুগল ওয়ালেটের মাধ্যমে ২৫ ডলার পে করার জন্য বলবে। তার জন্য গুগল ওয়ালেটে একটা কার্ড যুক্ত করতে হবে। যে কোন কার্ড হলেই হবে, মাস্টারকার্ড, ভিসা কার্ড, অ্যামেরিকান এক্সপ্রেস ইত্যাদি। কারো যদি পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড থাকে, তা দিয়েও কাজ হবে। আপনার নিজের কার্ড না থাকলে চিন্তার কারন নেই আপনি ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহার করে খুলতে পারবেন।

গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র সর্বশেষ ধাপ।

গুগল প্লে ডেবলপার বা প্লে কনসোল একাউন্টে পেমেন্ট করার জন্য এই গুগল প্লে কনসোল ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড টি ব্যবহার করতে পারেন। আমরাও এই কার্ড টি ব্যবহার করে একাউন্ট করেছি।গুগল প্লে স্টোরে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র জন্য আপনাকে ২৫ ডলার দিতে হবে গুগল কে।

ভার্চোয়াল ভিসা কার্ড কিনুন গুগল প্লে ডেভেলপার একাউন্ট খোলা-র জন্য ব্যানারে ক্লিক করুন।

Add credit or debit card এর ঘর ফিলাফ করুন, Card Numberএর যায়গায় আপনার ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের ১৬ডিজিটের নাম্বারটি দিন। MM YY এর যায়গায় যথাক্রমে কার্ড়ের এক্সপায়ার ডেড প্রথমে মাসসাল দিন। CVC এর ঘরে আপনের কার্ডের ৩ সংখার CVC কোড বসান। এটি সাধারনত কার্ডের পিছনে থাকে।  Cardholder name এর যায়গায় আপনার কার্ডে যে নামটি দেয়া সেই নাম টি দিন।

এবার আপনার ঠিকানা দিন যথাঃ- Address line 1, Address line 2, City, Postal Code সঠিক ভাবে বসিয়ে Bay বাটনে ক্লিক করুন, বেস আপনার কাজ শেষ। আপনার প্লে কনসোল বা ডেবলপার একাউন্ট টি পেয়ে গেলেন।

গুগল প্লে কনসোল বা ডেবলপার একাউন্ট দেখতে নিচের মত

 

 

 

 

আপনি পেয়ে গেলেন আপনার কাংখিত একাউন্ট টি।

পরের পর্বে থাকছে কি করে প্লে কন্সোল বা ডেবলপার একাউন্টে এপ পাবলিশ করবেন। আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে সাথে থাকের জন্য ধন্যবান। কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

নীলনদের প্রতি ওমর (রাঃ)-এর পত্র

0
নীলনদ

মুসলিম বিশ্বের দিত্বীয় খলিফা নীলনদের প্রতি পত্র প্রেরন করেছিলেন। যার ফলে নিল নদ পানি প্রবাহিত করতে বাধ্য হয়েছিলেন। আজ আমরা জানব সেই বিষয়ে, শুরু করুন নীলনদের প্রতি ওমর (রাঃ) পত্র আর্টিকেল টি।

নীলনদের প্রতি ওমর (রাঃ)-এর পত্র

খাইরুদ্দিন বারবারোসা – ক্ষমতাধর বিখ্যাত মুসলিম নৌ-সেনাপতি।

২০ হিজরী সনে দ্বিতীয় খলীফা ওমর (রাঃ)-এর শাসনামলে বিখ্যাত ছাহাবী আমর ইবনুল আছ (রাঃ)-এর নেতৃত্বে সর্বপ্রথম মিসর বিজিত হয়।

মিসরে তখন প্রবল খরা। নীলনদ পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। সেনাপতি আমরের নিকট সেখানকার অধিবাসীরা অভিযোগ করে বলল,

হে আমীর! নীলনদ তাকে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম পালন ছাড়া প্রবাহিত হয় না।

তিনি বললেন, সেটা কি?

তারা বলল, এ মাসের ১৮ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা কোন এক সুন্দরী যুবতীকে নির্বাচন করব। অতঃপর তার পিতা-মাতাকে রাযী করিয়ে তাকে সুন্দরতম অলংকারাদি ও উত্তম পোষাক পরিধান করানোর পর নীলনদে নিক্ষেপ করব।

আমর ইবনুল আছ তাদেরকে বললেন,

ইসলামে এ ধরনের কাজের কোন অনুমোদন নেই। কেননা ইসলাম প্রাচীন সব জাহেলী রীতি-নীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। অতঃপর তারা পর পর তিন মাস পানির অপেক্ষায় কাটিয়ে দিল। কিন্তু নীলনদের পানি বৃদ্ধির কোন লক্ষণ দেখা গেল না।

অতঃপর সেখানকার অধিবাসীরা দেশত্যাগের কথা চিন্তা করতে লাগল। এ দুর্যোগময় অবস্থা দৃষ্টে সেনাপতি আমর ইবনুল আছ (রাঃ) খলীফা ওমর (রাঃ)-এর নিকটে পত্র প্রেরণ করলেন।

উত্তরে ওমর (রাঃ) লিখলেন, হে আমর! তুমি যা করেছ ঠিকই করেছ। আমি এ পত্রের মাঝে একটি পৃষ্ঠা প্রেরণ করলাম। এটা নীলনদে নিক্ষেপ করবে।’

ওমরের পত্র যখন আমরের নিকটে পৌছাল, তখন তিনি পত্রটি খুলে দেখলেন সেখানে এ বাক্যগুলি লেখা রয়েছে-

নীলনদের প্রতি ওমর (রাঃ) পত্র

আমীরুল মুমিনীন ওমর – এর পক্ষ থেকে মিসরের নীলনদের প্রতি। যদি তুমি নিজে নিজেই প্রবাহিত হয়ে থাক, তবে প্রবাহিত হয়োনা। আর যদি একক সত্তা, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাকে প্রবাহিত করান, তবে আমরা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন তোমাকে প্রবাহিত করেন।

অতঃপর আমর (রাঃ) পত্রটি নীলনদে নিক্ষেপ করলেন। পর দিন শনিবার সকালে মিসরবাসী দেখল, আল্লাহ তা’আলা এক রাতে নীলনদের পানি কে ১৬গজ উচ্চতায় প্রবাহিত করে দিয়েছেন। তারপর থেকে আজও নীলনদ প্রবাহিত রয়েছে। কখনো বিশুষ্ক হয়নি।

পরিশেষঃ আল্লাহর হুকুমেই পৃথিবীর সব কিছু পরিচালিত হচ্ছে। তার নির্দেশ ব্যতীত গাছের একটি পাতাও নড়ে না। অতএব যে কোন দুর্যোগে কেবল তার কাছেই সাহায্য চাইতে হবে। কোণ জাহেলী ও শিরকী পন্থার আশ্রয় নেয়া যাবে না।

আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৭/১০০।
তারীখু মুদীনাতি দিমাশক ৪৪/৩৩৭।
তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা ২/৩২৬।

লেবুর খোসার উপকারিতা

0
লেবোর খোসার উপকারিতা
লেবুর খোসার উপকারিতা অর্থাৎ লেবুর খোসা বা চামড়াতে কি কি উপকারিতা আছে?
এই নিয়ে আজকের টপিক্স নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। কথা না বাড়িয়ে শুরু করি,
প্রিয় পাঠক- লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহিত করে থাকেন।

লেবুর খোসার উপকারিতা

নিচে আপনাদের জন্য ৭ টি বিশেষ উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হল।

১। হার্টের উন্নতি

লেবুর খোসার উপকারিতা ‘র মধ্যে পলিফেনল একটি। লেবুর খোসার পলিফেনল উপাদান পাওয়া যায় যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

২। রক্ত সরবরাহের উন্নতি

আপনি যাদি লেবুর খোসা নিয়মিত খেতে থাকেন তাহলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করবে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
৩। লিভার ফাংশনে উন্নতি
লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক মাত্রায় বেড়ে যায় ফলে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। যার ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৪। স্ট্রেস কমে
লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
৫। হাড় শক্ত হয়
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
৬। ওজন কমে
পেকটিন প্রচুর মাত্রায় থাকে যা ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে থাকে। কারণ এ উপাদান শরীরে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে ঝরিয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
৭। ত্বকের সৌন্দর্য
লেবুর খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বের করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা কমে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে।
পরিশেষে বলা যায যে লেবুর খোসা বা চামরা আপনার জন্য খুবই উপকারি। আপনি প্রতিদিন লেবু খেতে পারেন খোসা সহ। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। আপনি চাইলে আপনার লেখা আমাদের পাঠাতে পারেন অথবা আমাদের ইরাকক্সে লেখক হতে পারেন। তার জন্য ইমেইল করুন বা ফেসবুকে মেসেজ করুন।

বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ

0
পুলিশে নিয়োগ

বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ চারটি পর্যায়ে প্রকাশ ও দিয়ে থাকে।

যথাঃ-

১। এসএসসি পাশ যোগ্যতায় পুলিশ কনস্টেবল।

২। ডিগ্রি বা অনার্স ও সমমান যোগ্যতায় পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর (এস আই)।

৩। অনার্স – ডিগ্রি ও সমমান যোগ্যতায় পুলিশ সার্জেন্ট।

৪। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) এর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এ এস পি)।

অন্তত প্রতি বছর-ই বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ দিয়ে থাকে। তবে বিশেষ কোন কারণে তা পরিবর্তন হয়ে থাকে। যেমন বর্তমান বছরে এই সময়ে নিয়োগ প্রকাশের কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে হচ্ছে না।

নিয়োগ প্রকাশিত হলে এইখানে  জানতে পারবেন ইনশাল্লাহ।

বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনিতে নিয়োগ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হতে চুড়ান্ত অনুমোদন হওয়ার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক বিভিন্ন পত্র পত্রিকা সহ বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পুলিশ সার্কুলার আকারে জারী করা হয়। সাধারণত পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার এক-দেড় মাস পূর্বে পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ

নারী পুরুষ সবাই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেতে কমপক্ষে এসএসসি বা সমমান পাশ হতে হবে। সেই সাথে বেশ কিছু শারিরীক যোগ্যতা থাকলে আপনি খুব সহজে পুলিশের চাকরিতে নিয়োগ পেতে পারবেন।
অন্য-আন্য চাকরির মত পুলিশে কোঠা রয়েছে, যথাঃ- পোষ্য, মুক্তিযোদ্ধা, এতিম ইত্যাদি।

বয়স-

  • সাধারণ কোঠার প্রার্থীর জন্য বয়স ১৮ থেকে ২০ বছর।
  • মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৩২ বছর।
  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সন্তানের (নাতি-নাতনি)জন্য বয়স ১৮ থেকে ২০ বছর।

শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতাঃ

  • এসএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • কমপক্ষে জিপিএ ২.৫ হতে হবে।
  • অবিবাহিত হতে হবে।
  • অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ি নাগরিক হতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা
নারী ও পুরুষ প্রার্থীদের মধ্যে শারীরিক যোগ্যতার ভিন্নতা রয়েছে। নিছে চক আকারে দেয়া হল,

শারীরিক যোগ্যতা পুরুষ প্রার্থী নারী প্রার্থী
উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
মুক্তি কোঠার উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ৫ ফুট ২ ইঞ্চি
ওজন উচ্চতা অনুযায়ি উচ্চতা অনুযায়ি
বুক স্বাভাবিক-৩২ ইঞ্চি, প্রসারণ-৩৪ ইঞ্চি প্রয়োজ্য নয়

 

উক্ত যোগ্যতা থাকলে আপনি বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
কনস্টেবলে নিয়োগ পক্রিয়।

শারীরিক পরীক্ষাঃ
প্রাথমিক বাছাইয়ে শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিকভাবে মনোনিত হতে হলে প্রার্থীকে প্রথমে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত স্থানে যথা সময়ে শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। শারীরিক মাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করে হবে। প্রবেশপত্রে লিখিত পরীক্ষার স্থান ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

লিখিত পরীক্ষাঃ

শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে ৪০ নাম্বারের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে হবে। এই লিখিত পরীক্ষার সময় সীমা ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। সাধারণত ৪৫% নাম্বার প্রাপ্ত প্রার্থীগণ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যারা মেধা তালিকার শীর্ষে থাকে, তাদের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থীকে কেবলমাত্র পরবর্তী পরীক্ষায় জন্য মননিত করা হয়।

 

মৌখিক পরীক্ষাঃ
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্দিষ্ট তারিখে ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এখানেও কমপক্ষে ৪৫% নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীরা উত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হয়। সবগুলো পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বারের সমন্বয়ে যারা শীর্ষে থাকবে তাদের মধ্যে থেকে চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়।

(পুলিশ ভ্যরিফিকেশনের মাধ্যমে তাদের তাদের চারিত্রিক এবং অন্য-আন্য দিক দেখে তাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।)

মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষাঃ

সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে যারা চুড়ান্তভাবে মনোনিত হবেন, তাদেরকে শারিরীক কোন সমস্যা আছে কি না, তা যাচাই করার জন্য একটি মেডিকেল টেস্ট হয়ে থাকে। এই মেডিকেল টেস্টে সাধারণত রক্ত পরীক্ষ, এইচআইভি টেস্ট, ডোভ টেস্ট বা মাদকাশক্তি সহ আরো কিছু পরীক্ষা করা হয়। মেডিকেল ফিটনেস যাচাই করার পর যারা যোগ্য প্রার্থী হবেন তাদেরকে মৌলিক প্রশিক্ষন গ্রহনের জন্য এপয়নমেন্ট লেটার দেওয়া বা পাঠানো হয়।

কপিরাইট ফ্রি ইমেজ ডাউনলোডের ৫টি ওয়েবসাইট

0

আমাদের আজকের টপিক্স হল কপিরাইট ফ্রি ইমেজ বা ছবি। আমরা যারা ব্লগিং বা আর্টিকেল লিখে থাকি তাদের ফিচার ইমেজের প্রয়োজন হয়। অনেকে গুগল থেকে সার্স দিয়ে সেইসব ইমেজ নামিয়ে থাকে যা আপনার ওয়েব বা ব্লগ সাইটের জন্য মুটেও ভাল নয়।

ফিচার ইমেজে যাদি কপিরাইট থেকে তাহলে আপনার ব্লগের ১২টা বাজতে পারে এতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে। কারণ সরাসরি গুগল থেকে যে ফটোগুলি ডাউনলোড করে ব্লগে ব্যবহার করে সেগুলি বেশিরভাগ কপিরাইট যুক্ত হয়ে থাকে।

কপিরাইট বলতে উক্ত ইমেজ বা ছবিগুলোর উপরে অন্য বেক্তির মালিকানা  থাকে যা শুধু সেই ব্যাক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যাক্তি ব্যবহার করতে পারবে না। যদি ক্রয় করে থাকেন তবেই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। শুধু মাত্র ক্রয় সুত্রে আপনি তার মালিকানা পেতে পারেন।

যদি আপনি গুগল থেকে সরাসরি ছবি বা ইমেজ ডাউনলোড করে নিজের সাইটে বা ব্লগে ব্যবহার করেন তার জন্য গুগল ওই সমস্ত ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কপিরাইট কনটেন্ট ব্যবহারের জন্য স্ট্রাইক দিয়ে থাকে।

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কপিরাইট স্ট্রাইক পরা কখনোই ভালো না এতে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট টি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা ব্লাক লিস্টেড হয়ে যেতে পারে।

তাই আজ আমর আপনার এই সমস্যার সমাধানের জন্য ৫ টি সেরা ওয়েবসাইট নিয়ে হাজির হলাম যেখান থেকে আপনারা আপনাদের কাংখিত ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য ফ্রিতে কপিরাইট ফ্রি ইমেজ এবং ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

আর দেরি না করে চলুন আমরা সেই ওয়েবসাইট গুলি জেনে নেই।

কপিরাইট ফ্রি ছবি ডাউনলোডের ৫টি ফ্রি ওয়েবসাইট

১। Pixabay

পিক্সাবে হল আমার সবচেয়ে প্রিয় একটি Free stunning images & royalty-free stock Site

আমাদের সাইটের বেশির ভাগ ইমেজ ই আমরা পিক্সাবে থেকে ডাউনলোড করে ব্যবাহার করে থাকি। এই সাইটে আপনি সব ধরনের ছবি পাবেন একদম কপিরাইট ফ্রি ইমেজ। আপনি চাইলে সাথে পেইড ইমেজ ও ক্রয় করতে পারেন তবা আমার ধারনা সেটা আপনার দরকার হবে না। প্রায় ৯৫% ইমেজ ই ফ্রি পাবেন।

এই সাইট টি বাবহারে আরো একটি সুবিধা হলে এই সাইটে থেকে ইমেজ ডাউনলোড করতে আপনাকে লগ ইন বা সাইন আপ করা লাগবে নাই।

পিক্সাবে সাইটে যেতে ক্লিক করুন- পিক্সাবে

২। Pexels

আমাদের দ্বিতীয় পছন্দের সাইটির নাম হল পিক্সেলস। এই সাইট টি ও চমৎকার আপনি সব ধরনের ইমেজ পাবেন সম্পূন্য কপিরাইট ফ্রি ইমেজ। পিক্সেলস সব সময় ব্লগারদের কাছে খুব জনপ্রিয় কারন এখান থেকে আপনি ১০০% ইমেজ ই সম্পূন্য ফ্রিতে পাবেন।

ভিবিন্ন সাইজের ইমেজ পাবেন। আপনি পছন্দ অনুযায়ি সার্স করে ডাউনলোড করতে পারবেন। বিনা টেনশনে ব্যবহার করতে পারবেন। একাউন্ট করা ছাড়াই ছবি ও ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

পিক্সেলস সাইটির লিংক- পিক্সেলস 

৩। UnSplash

কপিরাইট ফ্রি ইমেজ ডাউনলোডের জন্য আরেক টি জনপ্রিয় সাইটের নাম আনস্পালাশ। এটি শুধু মাত্র কপিরাইট ফ্রি ইমেজের সাইট। ইমেজ গুলো পাবেন ১০০% হাই কোয়ালিটির সাথে ত কপিরাইট ফ্রি থাকছেই।

এই শ্ৰেষ্ঠ ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো ডিভাইসের জন্য হাই কোয়ালিটির ওয়ালপেপার ও ডাউনলোড করা যায় একদম ফ্রিতে।

এখানে আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে জন্য পছন্দসই বিভিন্ন রিসোলিউশনের হাই কোয়ালিটি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ পেয়ে যাবেন অনাসায়ে।

সাইটের লিংক – আন স্পালাশ

৪। Freepik

কপিরাইট ফ্রি ইমেজের পাশাপাশি আপনি কপিরাইট ফ্রি ভিক্টর গ্রাফিক্স এবং ইলাস্ট্রেশনের ফ্রি বিপুল সমাহার চান সেক্ষেত্রে ফ্রিপিক আপানার জন্য সেরা ওয়েবসাইট।

এই অসাধারণ সাইটে আপনি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ এর পাশা পাশি কপিরাইট ফ্রি ভিক্টর ইমেজ এবং লোগোও ডাউনলোড করতে পারবেন। শুধু তাই নয় চাইলে কোনো লোগো বা ভিক্টর ইমেজের PSD ফাইলটিও ডাউনলোড করতে পারবেন যা পরে আপনি আপনার ফটোশপ দিয়ে কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

সাথে আপনি চাইলে ফ্রিপিক এর প্রিমিয়াম ভার্সন কিনে সমস্ত প্রিমিয়াম ইমেজ, লোগো এবং ভিক্টর ইমেজ ডাউনলোড করতে পারবেন।

সাইটি তে প্রবেশ করতে – ফ্রিপিক

 

৫। Stockvault

স্টুকভল্ট অত্যান্ত জনপ্রিয় একটি কপিরাইট ফ্রি ইমেজ সাইট। এখানে আপনি নিজের মনের মত অনেক ইমেজ পাব্রন এবং আপনার ব্লগে বা সাইটে ব্যবহার করতে পারবে।

এখানে আপনি ক্যাটাগরি অনুযায়ী অনেক ইমেজ পাবেন।

আমরা এখান থেকে প্রায় সময় ইমেজ ব্যাবহার করে থাকি। আপনিও চাইলে ট্রায় করতে পারেন।

স্টুকভল্ট এ প্রবেশ করুন।

পরিশেষ

আপনার জন্য শুভকামনা নিয়ে আজকের এই কপিরাইট ফ্রি ইমেজ আর্টিকেল এখানেই শেষ করছি। আপনার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি সব চেয়ে ভাল Free stunning images & royalty-free stock Site গুলো তুলে দরতে আপনাদের মাঝে।

আশা করি উক্ত সাইট গুলো আপনাদের উপকারে আসবে। আপনাদের সাহায্য করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আপনার মতামত জানেতে ভুলবেন না।

আপনার কমেন্ট আমাদের জন্য মূল্যবান চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে পারেন।

ব্লগিং থেকে টাকা উপার্জন করা বা করবেন কিভাবে ?

0

আমরা অনেকেই ভাবি কীভাবে ব্লগিং থেকে টাকা উপার্জন করবেন, আর আপনি তাদের মধ্যে একজন হলে এই পোস্ট আপনার জন্য। মনযোগ সহকারে আর্টিকেল টি শেষ করুন আশা করি আপনি ভাল ধারনা পাবেন। তা-হলে দেরি না করে শুরু করুন।

ব্লগিং থেকে কীভাবে টাকা উপার্জন করবেন?

এটি একটি কমন ও সাধারন প্রশ্ন। অনেকেই আছেন ব্লগিং করতে চান কিন্তু সঠিক ধারনা না থাকার কারনে পারছেন না তাই আজ আপনাদের বলব কি ভাবে ব্লগিং থেকে আমরা টাকা আয় বা উপার্জন করে থাকি। ব্লগিং এর জন্য আপনাকে ব্লগিং সাইট থাকতে হবে হয় ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার সাইট। আমাদের সাইট হল ওয়ার্ডপ্রেস সাইট। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

ব্লগ ও ব্লগার কি? জানতে এই লিখা টি দেখুন।

ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে হলে আপনাকে ভাল মানের ব্লগিং করতে হবে অর্থাৎ আপনার ব্লগ সাইটে ভিজিটর আসতে হবে এবং ব্লগকে অবশ্যই মনিটাইজ করতে হবে।
মনিটাইজ কি? জানতে ভিজিট করুন
আপনার কাংখিত ব্লগ সাইট কে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। আমরা ভেবে নিব যে আপনার ব্লগ সাইট আছে আর যদি নাও থাকে তাহলে আপনি শুরু করতে যাচ্ছেন তাইত আমাদের এই আর্টকেলে আসছেন। আপনার যদি কোনও প্রকার ব্লগ সাইট থাকে বা এইরকম কিছু শুরু করার কথা ভাবছেন তাহলে আপনার  উপার্জন করার সুবিধা আছে।
ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারবেন। আপমরা এই আর্টিকেলে অনলাইনে আয় সংক্রান্ত বিভিন্ন মাধ্যম ও ডিজিটাল কন্টেন্ট মনিটাইজ করার সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতিগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

 

আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করার জন্য নিছে বেশ কিছু অনলাইন পদ্ধতি আছে। যথাঃ

১। এডসেন্স বিজ্ঞাপন (অন্য আরও কম্পানি আছে তবে গুগল এডসেন্স বেস্ট)

২। এফিলিয়েট মার্কেটিং

৩। ড্রপ শিপিং

৪। সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পন্য বিক্রয়।

৫। ট্রেনিং বা অইলান ভিবিন্ন কোচিং করানো।

৬। সাবস্ক্রিপশন

কীভাবে আপনি আপনার ব্লগ সাইটের জন্য উপরের উল্লেখিত কাজগুলি করতে পারেন? তা সহজ করার জন্য মনিটাইজেশনের পদ্ধতি গুলো ভাল ভাবে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মনিটাইজেশন।

টাকা উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য অনেক কম্পানি রয়েছে তাবে আমাদের মতে গুগল এডসেন্স হল সব চেয়ে ভাল একটি মাধ্যম আমরা নিজেরাও গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে থাকি। আপনি আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে সহজে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পেমেন্ট দিয়ে থাকে। আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্ট বা পোস্ট যত বেশি জনপ্রিয় আপনি তত বেশি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টের সাথে যে-সব বিজ্ঞাপন দেখাতে চান সেগুলির জন্য আপনি বিজ্ঞাপন দেখানোর সাইটে আবেদন করতে পারেন বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

আপনার হয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল এডসেন্সের মতো বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের ব্যবহার করতে পারেন এবং এটি ই জনপ্রিয় ও সহজ। এডসেন্স আপনার ব্লগ সাইটের কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে। এমন কি আপনার অঞ্চল অনুযায়ি উপযোক্ত বিজ্ঞাপন টি প্রদর্শন করে থাকে। বিজ্ঞাপনটি দেখানোর কারণে গুগল আপনাকে সাইটের মালিক হিসেবে পেমেন্ট করে থাকে যখন কোনও ব্যবহারকারী কোনও বিজ্ঞাপন দেখেন বা যোগাযোগ করেন

পড়ুনঃ- ই-কমার্স। নতুন অধ্যায়ের বাংলাদেশ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং হল কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কোন প্রোডাক্ট বা পন্য অথবা কোন সেবা বিক্রি করে দেয়া, এবং প্রতিটি বিক্রয়-এর বিপরীতে বিক্রয় মূল্যের ওপর শতকরা (%) হারে কমিশন নেয়া। অর্থাৎ আপনি যদি কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয়ে করে দেন সে কোম্পানির বিক্রয়ের উপর 2% থেকে 70% পর্যন্ত কমিশন দেবে আর এটাই হল এফিলিয়েট।

অনেক ডোমেইন কম্পানি ও এফিলিয়েট প্রধান করে থাকে, যেমন আমি আপনার মাধ্যামে একটি ডোমেইন রেজিট্রেশন করলাম তাতে করে আপনেকে ডোমেইন কম্পানি একটা কমিশন দিবে, এটা আপনার থেকে বেশি নিবে না বরং প্রকৃত মূল্য থেকে আমাকে কিছু অংশ প্রেমেন্ট করবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং সমন্ধে জানতে পড়ুনঃ- এফিলিয়েট মার্কেটিং

ড্রপ শিপিং

সহজভাবে বলতে গেলে, ড্রপ শিপিং এমন একটি পদ্ধতি যা একটি ব্যবসা পন্য স্টক রাখে না। দরুন আমার পন্য টি আপনি স্টক না করে বিক্রয় করছেন আপনি গ্রহকের কাছ থেকে পেমেন্ট নিয়ে কিছু অংশ আপনি রেখে আমাকে কম দামে পেমেন্ট করছেন আর আমি উক্ত পন্য আপনার গ্রাহকের ঠিকানায় ডেলিভারি করছি।

বলতে গেলে কিছু টা এফিলিয়েটের মতই। পার্থক্য হল আপনি এফিলিয়েট করলে পন্যের মূল্য আমি নির্দারণ করে দিচ্ছি আর আপনি কমিশন পাচ্ছেন অপর দিকে ড্রপশিপিং হল আপনি আমার থেকে পন্য কিনে নিজের মত মূলে বিক্রি করছেন।

একটি উদাহরণ দেই, দরুন আপনি আলি এক্সপ্রেস থেকে কোন পন্য নিয়ে মার্কেটিং করলেন। পন্যটীর দাম আলি এক্সপ্রেস এ ১০০ টাকা আর আপনি আমার কাছে সেটি ১৭০ টাকায় বিক্রি করলেন, আমার থেকে টাকা নিয়ে আপনি আলি এক্সপ্রেস থেকে আমার ঠিকায় দিয়ে পন্য টি ক্রয় করলেন। তাহলে কি হবে আলি এক্সপ্রেস আপনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার ঠিকানায় পন্য পেরন করবে। আর আপনি মার্কেটিং করে ৭০ টাকা লাভবান হলে।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পন্য বিক্রয়

নিজের ব্লগ সাইট থেকে টাকা উপার্জন করার উদ্দেশ্যে অনেক ব্লগার অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে নিজেদের পন্য বা সেবা বিক্রির জন্য একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে থাকেন। প্রোডাক্ট বা পন্য টি হতে পারে ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল। যেমন আপনি একটি বই নিয়ে ব্লগ লিখলেন, যাদি পাঠকরা এই বই নিয়ে আগ্রহী হয় তাহলে আপনি তাদের কাছে বই টি বিক্রি করার অপশন রাখতে পারেন।

আপনার পন্য বা সেবা ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল অর্থাৎ ভার্চুয়াল যাই হোক না কেন, পেমেন্ট গ্রহণের জন্য আপনাকে আপনার সাইটে পেমেন্ট সিস্টেম চালু করতে হবে। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করার সময় আপনাকে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে তা হল- পন্য স্টক স্টোর করা, শিপিং অর্গানাইজ করা, শুল্ক ম্যানেজ করা। ডিজিটাল পন্যে বা সেবায় ঝামেলার জটিলতা কম কারণ সেগুলি অনলাইনে ডেলিভার করা যায়।

আজকাল অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করে ভিবিন্ন জামা কাপর অন্য আন্য পন্য বিক্রি করে থাকে। আর তার বাস্তব উদাহণ আপনাদের সামনেই আছে। আপনার ব্লগ খুব জন প্রিয় অনেক ভিজিটর আসে নিয়মিত সাভাবিক কারণেই আপনার ব্লগ সাইটের প্রতি তাদের আস্তা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার থেকে কেনা কাটা করতে আগ্রহ পাবে।

ট্রেনিং বা অইলান ভিবিন্ন কোচিং করানো।

আপনার ব্লগে যাদি ভাল ভিজিটর বা ট্রাফিক থাকে তাহলে আপনি আপনার ব্লগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করতে পারেন। তার জন্য অনলাইন কোর্স বা কোচিং প্যাকেজ সেট-আপ করতে পারেন। তাতে ফি বা চার্জ বসিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।

আপনার আয় বাড়ানোর আর একটি বিকল্প হল লাইভ ভিডিও কোচিং অফার করা এবং আপনি সময় দিচ্ছেন বলে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে। যাদি আপনার ভিডিও অন্যের উপকারে আসে, যেমন আপনি চাইলে আপনা ব্লগের মাধ্যমে এসইও (সার্স ইঞ্জিন অফটিমাইজেশন) শিখাতে পারেন বিনিময়ে টাকা চার্জ করবেন। এমন অনেক বিষয় আছে যে গুলো নিয়ে আপনি কন্টেন্ট প্রকাশ করে আয় করতে পারবেন।

সাবস্ক্রিপশন বা মেম্বারশিপ

দরুন আপনার ব্লগ সাইটে অনেক অ্যাক্টিভ ভিজিটর আছে যারা আপনার বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী, সেইক্ষেত্রে আপনি আপনার দীর্ঘমেয়াদে উপার্জনের জন্য পেইড মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন পদ্ধতি চালু করতে পারেন যা আপনার মূল্যবান কন্টেন্ট ব্যবহারের অন্যতম উপায়। তখন তারা আপনার থেকে মেম্বারশিপ নিতে চাইবে।

এই ধরনের পদ্ধতি তে ভিজিটর নিয়মিতভাবে, মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করে থাকে। এইভাবে ভিজিটদের কাছ থেকে মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন ফি সংগ্রহ করে আপনি বার বার আয় করতে পারেন। বিনিময়ে, আপনি সাবস্ক্রাইবার বা মেম্বারদের প্রিমিয়াম কন্টেন্ট, শেখার সংস্থান, ভিডিও বা অতিরিক্ত পরিষেবা অথাবা কোণ টুল সরবরাহ করতে পারেন। আপনার ব্লগের সাথে মানানসই হবে এমন বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু এক্সটা কোন সেবা দিতে পারেন।

অবশ্যই আপনার কন্টেন্টের মান ভাল হতে হবে কেননা আপনি ই অজথা কাউ কে টাকা প্রদান করবেন যদি আপনি না লাভবান হন।

error: Content is protected !!
Exit mobile version