Home Blog Page 4

বারবারোসলার : ভূমধ্যসাগরের তলোয়ার – (সকল পর্ব একসাথে)

2
বারবারোসলার

বারবারোসলার একটি বেশ আলোচিত এবং সারা জাগানো তুর্কি সিরিজের নাম। এটি খাইরুদ্দিন বারবারোসা (হিজির রেইস) এবং তার ভাইদের ইতিহাস নিয়ে করা। খাইরুদ্দিন বা হাইরুদ্দিন সহ তারা ৪ ভাই ছিলেন যথাঃ-
প্রথমঃ- ইসহাক রেইস (ইসহাক আগা)
দ্বিতিয়ঃ- অরুচ রেইস (বাবা অরুচ)
তৃতীয়ঃ- হিজি / খিজির রেইস (হাইরুদ্দিন / খাইরুদ্দিন বারবারোস)
চতুর্থঃ- ইলিয়াস রেইস।

রেড বিয়ার্ড বা বারবারোস উপাধিঃ- তিনি ইউরোপীয়দের কাছে রেডবিয়ার্ড হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণ তার ভাই অরুচের কমলা / লাল রঙের দাড়ি থাকার কারণে ইউরোপীয়রা তাদের ‘বারবারোসা ভাতৃদ্বয়’ উপাধি দিয়েছিলো। এরপর থেকে হাইরেদ্দীনের তুর্কী নামের সাথে ‘বারবারোস’ শব্দের এই ডাকনামটি যুক্ত হয়ে হয়।

বারবারোসলার : ভূমধ্যসাগরের তরবারী

আর তাদের চারভাইকে কেন্দ্র করে সিরিজ টি নির্মাণের কারণে এর নাম দেওয়া হয় বারবারোসলার যা তুর্কি ভাষায় বারবারোসার ভহুবচন। তারা ছিলেন ভূমধ্যসাগরের কিংবদন্তী তাই বলা হয়েছে ভূমধ্যসগরের তরবারী। বারবারোসলার : ভূমধ্যসাগরের তলোয়ার।

প্রাণ প্রিয় সিরিজ টি প্রতি বৃহস্প্রতিবার আমাদের দেশিয় সময় রাত ১২টায় TRT1 এ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। আমাদের দেশে বাংলায় ডাবিং না হওয়ায়। ফেসবুকে অনেক পেইজ ও গ্রুপ বাংলা সাবটাইটেল প্রকাশ করে থাকে। আজ আমরা আপনাদের মাঝে নিত্যনতুন ভলিয়ম গুলি সিজন অনুযায়ী পর্যায় ক্রমে নিয়ে হাজির হলাম।
চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক।

বারবারোসলার : ভূমধ্যসাগরের তলোয়ার (সিজন ১)

আপনাদের সুবিধার্থে একাদিক লিংক দেওয়া হয়েছে। একটি তে না পেলে অন্য টি তে চেষ্টা করুন। প্রতিটি ভলিউম এর বাংলা সাবটাইটেল আপলোড করার সাথে সাথে এই লিংক এ এড করা হবে। সেজন্য লিংক টা কপি করে রেখে দিতে পারেন। eracox.com/বারবারোসলার

বারবারোসলার ভলিয়ম ১

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ

বারবারোসলার ভলিয়ম ২

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিউম ৩

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া/ অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ

বারবারোসলার ভলিউম ৪

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া/ অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিউম ৫

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিউম ৬

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ

বারবারোসলার ভলিউম ৭

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া * দূর্বীন মিডিয়া ২ / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিউম ৮

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিয়ম ৯

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

বারবারোসলার ভলিউম ১০

লিংক সমূহঃ- দূর্বীন মিডিয়া / উসমান অনলাইন উসমান অনলাইন (সার্ভার ২) / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

ফেসবুক লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন /

বারবারোসলার ভলিউম ১১

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / দূর্বীন মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া / ইসলামী অনুবাদ।

ফেসবুক লিংক সমূহঃ-

বারবারোসলার ভলিউম ১২

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া ২ / উসমান অনলাইন

সরাসরি ডাউনলোড লিংক অনুবাদ মিডিয়া। (এখানে ক্লিক করারা সাথে সাথে সরাসরি ডাউনলোড হবে)

ফেসবুক লিংকঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন।

বারবারোসলার ভলিউম ১৩

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / অনুবাদ মিডিয়া ২ / উসমান অনলাইন

ফেসবুক লিংকঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন।

বারবারোসলার ভলিউম ১৪

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন

ফেসবুক লিংকঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন।

সরাসরি ডাউনলোড লিংক অনুবাদ মিডিয়া (এখানে ক্লিক করার সাথে সাথে সরাসরি ডাউনলোড হবে)

বারবারোসলার ভলিউম ১৫

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ১৬

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন

ফেসবুক লিংকঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন।

সরাসরি ডাউনলোড লিংক অনুবাদ মিডিয়া (এখানে ক্লিক করার সাথে সাথে সরাসরি ডাউনলোড হবে)

বারবারোসলার ভলিউম ১৭

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

সরাসরি ডাউনলোড লিংক উসমান অনলাইন (এখানে ক্লিক করার সাথে সাথে সরাসরি ডাউনলোড লিংক)

বারবারোসলার ভলিউম ১৮

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

সরাসরি ডাউনলোড লিংক উসমান অনলাইন (এখানে ক্লিক করার সাথে সাথে সরাসরি ডাউনলোড লিংক)

বারবারোসলার ভলিউম ১৯

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ২০

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ২১ বাংলা সাবটাইটেল

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া

বারবারোসলার ২২

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া

বারবারোসলার ভলিউম ২৩

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ২৪

লিংক সমূহঃ-

ফেসবুক লিংকঃ-

বারবারোসলার ভলিউম ২৫

লিংক সমূহঃ-

ফেসবুক লিংকঃ-

বারবারোসলার ভলিউম ২৬

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ২৭

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ২৮

লিংক সমূহঃ- অনুবাদ মিডিয়া / উসমান অনলাইন

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ২৯

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ৩০

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ৩১

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

ফেসবুক লিংকঃ- উসমান অনলাইন / অনুবাদ মিডিয়া।

বারবারোসলার ভলিউম ৩২

লিংক সমূহঃ- উসমান অনলাইন

– পরবর্তী ভলিউম প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথেই লিংক যুক্ত করা হবে, সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ
কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় – খুব সহজে রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন কার্যকর উপায়ে।

0
রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে আজ আলোচনা করব আপনাদের মাঝ, চলুন শুরু করা যাক-

রাগ একটি স্বাভাবিক আবেগ । তবে মাত্রাতিরিক্ত রাগ আমাদের সুন্দর সম্পর্কগুলো নষ্ট করে। কর্মজীবনসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাগ দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়ই বরং তা সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুনঃ-

কম সময়ে বেশি কাজ – কর্ম কৌশল।

তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা একটি অপরিহার্য বিষয়। রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় গুলো অনুসরন করুন। রাগ নিয়ন্ত্রণে নিম্নে বর্ণিত কৌশল বা পদ্ধতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কথা বলার আগে সময় নিন

রাগ উঠলে কিছু বলার আগে কয়েক মুহূর্ত সময় নিন। যদি কথা বলতেই হয় তবে ভেবেচিন্তে বলুন। কারণ এ জন্য নতুন ও বড় আকারের ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে। এটি একটি ভাল রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায়

মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিন

হঠাৎ করে রাগের মাথায় কোনো কথা বা কাজ করে বসবেন না। সাধারণ ভদ্রতা দেখিয়ে তার সামনে থেকে চলে আসুন বা নিজের মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নিন।

একটু হেঁটে আসুন

একেবারেই রাগ সামলাতে না পারলে অল্প সময়ের জন্য হলেও একটু হেঁটে আসুন । এতে রাগ বাড়ার সুযোগই তৈরি হবে না এবং আপনার মনও একটু শান্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

ইতিবাচক চিন্তা করুন

প্রতিটি ঘটনার একটা ভালো দিক আছে সেটা চিন্তা করে বের করুন। যাই ঘটুক ঘটনার নেতিবাচক দিক না খুঁজে ইতিবাচক দিক খেয়াল করুন। যাতে রেগে যেতে না হয়।

ক্ষমা করতে শিখুন

মানুষ ভুল করবে এটাই স্বাভাবিক। তাই কারো ভুলের জন্য রেগে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ না। রাগ পুষে না রেখে তাকে ক্ষমা করে দিন। এতে পরবর্তীতে আপনার নিজেরই ভালো লাগবে।

মেনে নেওয়ার অভ্যাস গড়ুন

সব সমস্যার সমাধান হয় না, কিছু প্রশ্নের উত্তর হয় না। তাই মেনে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ান। মেনে নেওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়। জীবনে অপ্রাপ্তির পাশাপাশি অনেক প্রাপ্তিও আছে, সেদিকে মনোযোগ দিন।

মাথা ঠান্ডা হলেই রাগের প্রকাশ করুন

তখনই আপনি রাগ প্রকাশ করুন, যখন বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারছেন। যত রাগই হোক, অন্যকে অপমান করা কাজের কথা নয়।

রিল্যাক্সড হওয়ার চেষ্টা করুন

রিল্যাক্সেশনের মাধ্যমে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। এ সময় জোরে জোরে গভীর নিঃশ্বাস ফেলুন। গান শুনুন, বই পড়ন, আপনার যা যা করতে ভালো লাগে তা করুন।

মানসিকভাবে স্থির থাকুন

মানসিক অস্থিরতা অতিরিক্ত রাগের একটি কারণ। মানসিক অস্থিরতায় সব কিছু ভুল মনে হয়। ফলে আমরা সামান্যতেই রেগে যাই। তাই মানসিকভাবে স্থির থাকুন।

সমাধান খোঁজার চেষ্টা করুন

পৃথিবীতে কারণ ছাড়া কোনো কিছুই ঘটে না। সমস্যা থাকলে তার সমাধানও থাকবে। তেমনি আপনার রাগ হওয়ার কারণ থাকলে অবশ্যই তার সমাধান খুঁজে বের করে অতিরিক্ত রাগ পরিহার করুন।

রাগ না হওয়ার প্রতিজ্ঞা করুন

যাই কিছু হোক আমি রাগবো না- এ প্রতিজ্ঞাটা নিজেই নিজের কাছে করুন। রাগের পরিস্থিতি তৈরি হলে মনে মনে নিজে নিজেকে পরামর্শ দিতে থাকুন যে আমি রাগবো না। এতে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

রসবোধ বাড়ান

সবসময় সিরিয়াস না থেকে মাঝে মাঝে মজা করুন, কৌতুক করুন, পরিবেশকে হালকা করুন । রাগ হওয়ার অবস্থা তৈরি হচ্ছে বুঝতে পারলে সেটা স্বাভাবিক করার জন্য মজার কিছু করার চিন্তা করুন।

সংখ্যা উল্টো দিকে গণনা করুন

কোনো কারণে রেগে গেলে বা রাগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে মনে মনে ‘90 second rule’ (৯০ থেকে উল্টো দিকে সংখ্যা গণনা) পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

মনোবিজ্ঞানীদের সাহায্য নেওয়া

উপরিউক্ত পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করে যদি রাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারেন, তবে মনোবিজ্ঞানীর সহায়তা নিতে পারেন।

রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রাগ শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, মানুষকে জ্ঞান, বিবেক ও ধর্মের পথ থেকেও বিচ্যুত করে। রাগের কারণে মানুষের আচার-আচরণ ও চিন্তায় খারাপ প্রভাব পড়ে।

তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে রেগে না গিয়ে নিজেকে সংযত রাখার কোনো বিকল্প নেই। আর আমরা সেই জন্যই আপনাদের মাঝে রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে আলোচনা করালাম।

পরিশেষে বলব যে যদি আপনার উপকারে আসে আমাদের কন্টেন্ট তাহলে কমেন্ট এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের সাথে যে কোন বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

নতুন শিক্ষাক্রম ও নতুন শিক্ষা কারিকুলাম – বদলে যাওয়া দেশের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা

0
নতুন শিক্ষাক্রম - বদলে যাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা।

নতুন শিক্ষাক্রম এ এক নতুন শিক্ষা কারিকুলাম – বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা কারিকুলাম তথা জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে এবং বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচিতে আমূল পরিবর্তন আনছে সরকার। প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এনে জাতীয় শিক্ষাক্রমের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখা অনুমোদন করেন।

নতুন শিক্ষা কারিকুলাম –

★ এসএসসি পর্যন্ত কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই
★ এইচএসসিতে বোর্ড পরীক্ষার পরিবর্তে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দু’টি পাবলিক পরীক্ষা।
★ তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে না কোনো পরীক্ষা
★ ২০২৩ সাল থেকে ধাপে ধাপে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন।
★ একাদশের আগে কোনো বিভাগ থাকবে না।
★ ষষ্ঠ-দশম শ্রেণি পর্যন্ত অভিন্ন ১০টি বিষয় পড়তে হবে।
★ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (PEC) এবং স্কুল সার্টিফিকেট (JSC) পরীক্ষা থাকবে না।

নতুন শিক্ষা কারিকুলাম – বিস্তারিত

এবার চলুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। সময় না বাড়িয়ে শুরু করছি।

নতুন শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য

নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রমের মূল লক্ষ্য পড়াশোনাকে আনন্দময় করে তোলা। একই সাথে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তর থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমানো। শ্রেণিকক্ষেই তাদের বেশির ভাগ পাঠগ্রহণ শেষ করা নিশ্চিত করা, অর্থাৎ পুরো শিক্ষাক্রম হবে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক।

নেই কোন বিভাগ বিভাজন

নতুন শিক্ষাক্রমে অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের বিভাজন থাকছে না। দশম শ্রেণির আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষাও নেয়া হবে না। দশম শ্রেণির পর এসএসসি নামে পাবলিক পরীক্ষা হবে, তা হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে।

অভিন্ন ১০ বিষয়

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে ১০টি অভিন্ন বিষয়ে পড়ানো হবে। সেগুলো হলো— বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সামাজিক বিজ্ঞান, জীবন ও জীবিকা, ধর্ম শিক্ষা, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। এরপর একাদশ শ্রেণিতে গিয়ে শাখা পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম এর মূল্যায়ন পদ্ধতি

শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষা থাকবে না। এসব শ্রেণিতে শতভাগ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখনকালীন ধারাবাহিকতার ওপর। ধারিবাহিক শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ৬০ শতাংশ, মূল্যায়ন হবে। বাকি ৪০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখনকালীন কার্যক্রমের ভিত্তিতে এই দুই শ্রেণির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা বিষয়ের পুরোটাই মূল্যায়ন হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, 5 বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে ৬০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিখনকালীন। এর বাইরে আরও পাঁচটি বিষয়ের শতভাগ মূল্যায়ন হবে ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে।

বিষয়গুলো—জীবন ও জীবিকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য শিক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। নবম ও দশম শ্রেণিতেও এই পাঁচটি বিষয়ে একইভাবে মূল্যায়ন হবে। এর বাইরে এই দুই শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে ৫০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিখনকালীন। বাকি মূল্যায়ন হবে পরীক্ষার মাধ্যমে।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে গিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়নে বেশি জোর দেয়া হবে। এই দুই শ্রেণিতে ৭০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে পরীক্ষার মাধ্যমে এবং বাকি ৩০ শতাংশের মূল্যায়ন হবে শিখনকালীন।

সালভিত্তিক নতুন কারিকুলাম

২০২২ : প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ১০০টি করে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং কার্যক্রম। তার মধ্যে কারিগরি ও মাদরাসাকে যুক্ত করা হবে।
২০২৩ : প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি।
২০২৪ : প্রাথমিকের তৃতীয় ও চতুর্থ এবং মাধ্যমিকের অষ্টম ও নবম শ্রেণি।
২০২৫ : প্রাথমিকের পঞ্চম এবং মাধ্যমিকের দশম শ্রেণি।
২০২৬ : একাদশ শ্রেণি।
২০২৭ : সর্বশেষ দ্বাদশ শ্রেণিতে চালু হবে নতুন কারিকুলাম।

সাপ্তাহিক ছুটি

প্রাথমিকে সাপ্তাহিক ছুটি এক দিন এবং মাধ্যমিক স্তরে দুই দিন ছুটি থাকবে। তবে জাতীয় দিবসগুলোতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে এবং এসব দিবস পালন শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি শেষ করার পর এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হবে না। একাদশ শ্রেণিতে বছর শেষে একটি ও দ্বাদশে আরেকটি পরীক্ষা নেয়া হবে। এ দু’টিই হবে পাবলিক পরীক্ষা । দুই পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হবে।

কমেন্ট করতে ভুলবেন না। অবশ্যই আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সাথে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ই-মেইল বা ফেসবুক এ। আপনার প্রতি অশেষ ভালবাসা।

নেতৃত্ব লাভের উপায়, সহজে নেতৃত্বে দক্ষতা অর্জন – দুর্দান্ত এক কর্ম কৌশল।

0
নেতৃত্ব লাভের উপায়, সহজে নেতৃত্বে দক্ষতা অর্জন - দুর্দান্ত এক কর্ম কৌশল।

নেতৃত্ব লাভের উপায় নিয়ে আজ আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। টাইটেল দেখেই বুঝতে পেরেছেন আশা করি।

একজন নেতার উদ্যোগ, তদারকি, উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা কর্মীদের মধ্যে কর্মস্পৃহা জাগ্রত করে ও কার্য সম্পাদনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। নেতৃত্ব কর্মক্ষেত্রের সর্বোচ্চ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নেতৃত্বের এমন কিছু অপরিহার্য বিষয় নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

মোহনীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়া

ভালো দলনেতা আন্তরিক হন এবং প্রশংসার মাধ্যমে তার কর্মীদের উৎসাহিত করেন। নেতাকে সব সময় তার অধস্তনরা অনুসরণ করে। তাই তাকে হতে হয় ধৈর্যশীল, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ।

জ্ঞান পিপাসু হওয়া

একজন নেতাকে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সাধারণ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার অধিকারী হতে হয়। অন্যের থেকেও শিক্ষা নিতে হয়। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে জ্ঞান অন্বেষণে সদা তৎপর থাকতে হয়।

নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণের দক্ষতা থাকা

একজন ভালো দলনেতার প্রধান গুণ হলো লক্ষ্য ও কৌশল সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। এক্ষেত্রে কর্মীর কাজ নির্দিষ্ট করে দেবার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে ছোট ছোট কাজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিতে হয়।

ভালো পরিকল্পনাকারী হওয়া

নেতৃত্ব লাভের উপায় সমূহের মধ্যে ভালো পরিকল্পনাকারী একটি।  ভালো ও দক্ষ দলনেতা নিজের অভিজ্ঞতার সাথে তার দলের সদস্যদের চিন্তাভাবনা সমন্বয় করে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং দলকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করেন।

সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা নেতৃত্বের অন্যতম অংশ। তাই নেতাকে সকলের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে হয়। আর সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ নেতৃত্ব লাভের উপায় সমূহের নূন্যতম।

সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকা

একজন দলনেতাকে অধস্তনদের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব রাখতে হয়। তাদেরকে কাজে উৎসাহ দিতে হয়। এছাড়াও প্রয়োজনে তিনি প্রতিষ্ঠানের অন্য দলগুলোকেও সহযোগিতা করেন। নেতৃত্ব লাভের উপায় সমূহের মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ।

ভালো শ্রোতা ও শিক্ষক হওয়া

দলনেতাকে তার কর্মীদের বুঝতে ভালো শ্রোতা হতে হয়। আবার কর্মীদের মাঝে তার জ্ঞানকে সহজেই শেয়ার করতে ভালো শিক্ষক হতে হয়। যাতে কর্মীরাও দক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

যোগাযোগ দক্ষতা থাকা

যোগাযোগ দক্ষতা নেতার একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ, যা সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা আয়ত্ত করা

প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নেতাকে দায়-দায়িত্ব নিয়ে ঝুঁকি গ্রহণ করতে হয়। করে তাই তাকে এ ক্ষমতা আয়ত্ত করতে হয়।

দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা থাকা

নেতাকে সব ধরনের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়। প্রতিষ্ঠানে বিভিন্নমুখী প্রয়োজনে তাকে বিকল্প কর্মপন্থা উদ্ভাবনসহ দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।

আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা থাকা

আবেগ ব্যক্তিত্বকে দুর্বল করে দেয়। একজন সফল নেতাকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।

দূরদর্শিতা থাকা

পূর্বানুমান সঠিক হলে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সুফল পাওয়া যায়। তাই নেতাকে দূরদর্শী হতে হয়।

কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা

নেতাকে দলের সকলের নির্বিঘ্নে কাজ করার পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। তিনি অধস্তনদের মত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখেন।

সময় সদ্ব্যবহারের দক্ষতা থাকা

প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে নেতার সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত – নেবার ক্ষমতা থাকতে হয়। একজন সফল নেতাকে দলকে সঠিক দিক নির্দেশনায় সফলতার পথে এগিয়ে নিতে হয়।

নতুন কিছু করার চেষ্টা করা

কোনো কিছুতে একটি সাধারণ কার্যপদ্ধতি মেনে চলা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই সাথে কীভাবে কাজ করলে আরো ভালো ফল আসবে— সফল নেতাকে এটাও বিবেচনায় রাখতে হয়।

পরিশেষে

নেতৃত্ব শুধু কর্মজীবনে নয় ব্যক্তিজীবনেও সাফল্য লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ওপরের বিষয়গুলি আয়ত্ত করতে পারলে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়।

এরকম কর্ম কৌশল নিয়ে লেখা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের ফেইসবুক পেইজ। আপনিও আপনার লিখা লিখতে পারেন ইরাকক্সে।

মন্তব্য করতে ভুলবেন না।

ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ না করার কারণ সমূহ।

0
ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ ইরাকক্স eracox
ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ না করার কারণ সমূহ।

ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ না ঘটার কারণসমূহ।
অথবা,
ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ না করার কারণগুলো।

শুরুর কথা:

দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ভারত একটি বৃহৎ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতে এরও রয়েছে একটি সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। বিভিন্ন উন্নত দেশে সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে বারবার কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে সামরিক বাহিনী প্রবেশ করেনি।

→ ভারতের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ না ঘটার কারণসমূহ : নিয়ে ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ না করার কারণ :

গণতন্ত্রের প্রতিপূর্ণ বিশ্বাসঃ-

ভারতের জনগ্ণের রয়েছে তার গণতন্ত্রের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ব্যতীত অন্য কোনো কিছু তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। যার ফলে সামরিক বাহিনী ভারতের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সুযোগ পায়নি।

সুষ্ঠু নির্বাচন পদ্ধতি :

প্রায় দু’শ বছরের শাসন ও শোষণের পর ভারতের এ স্বাধীনতা অর্জন হওয়ার পরেই যথাসময়ে নির্বাচনগুলো যথাসময়ে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ফলে একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক পদ্ধতি ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ফলে একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক পদ্ধতি গড়ে উঠেছে, ফলে সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় আসতে পারেনি।

সামরিক বাহিনীর ঐতিহ্য :

ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ না করার নূন্যতম কারণ হল  এটি যা ভারতের সেনাবাহিনী একটি ঐতিহ্যের দাবিদার। ব্রিটিশদের সময় থেকেই সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাছাড়াও সামরিক বাহিনীকে কখনো রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নিযুক্ত করেনি। সামরিক বাহিনীর এ ঐতিহ্যবোধ তাদের ক্ষমতা দখলে অনুপ্রাণিত না করে; বরং বিরত রেখেছে।

বিশাল ভূখণ্ড :

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতই বিশাল আয়তনবিশিষ্ট বিভিন্ন গোত্র, বর্ণ, ধর্ম এখানে বাস করে, ভারতকে “National state” না বলে ‘State Nation’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ করা অসম্ভব। তাই ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ একেবারেই অসম্ভব।

সুযোগ্য নেতৃত্ব :

দক্ষ শাসক ও শাসননীতি যেকোনো রাষ্ট্রকে একটি যোগ্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে। ভারতেও দক্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণেই কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলতা দেখা দেয়নি। গান্ধীজী, নেহেরু লাল, বাহাদুর শাস্ত্রী ও ইন্দিরা গান্ধীর যোগ্য নেতৃত্ব রয়েছে। সেজন্য সেখানে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের সুযোগ পায়নি।

জাতীয়তাবাদের অনুভূতি :

১ম বিশ্বযুদ্ধের পর গান্ধীজীর নেতৃত্বে ব্রিটিশ বিরোধী যে জাতীয়তাবাদের বীজ রোপণ করা হয়েছিল তা জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পরিপূর্ণ আন্দোলন এর রূপ নেয়। ফলে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা হস্তক্ষেপের সুযোগ পায়নি।

সংসদীয় ব্যবস্থার সফলতা :

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রচলিত। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বিভিন্ন জনের হাতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয়েছে, যার ফলে সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় আসতে পারিনি।

সামরিক বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ :

ভারতের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ না করার কারণ হল ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে সেনাবাহিনী একটি অমূল্য সম্পদ এবং তাদেরকে কখনও অবহেলার চোখে দেখেনি। অর্থাৎ সেনাবাহিনী জনগণ ও সরকারের নিকট স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। যার ফলে সামরিক বাহিনী কখনোই সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিতৃষ্ণা ও ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেনি।

পরিশেষে:

উপর্যুক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, যেসব কারণে কোনো দেশে সামরিক বাহিনীর আগমন হয় ভারতে সেসব কারণগুলো অনুপস্থিত। এর ফলে সামরিক বাহিনী দেশের রাজনীতি নিয়ে ভাবার তেমন সুযোগ পায়নি। ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে কখনোই সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে না।

(আমাদের কে লেখা পাঠাতে পারেন আপনার। চাইলে আমাদের ফেসবুকে যুক্ত হতে পারেন।)

সিদ্ধ ডিম ও সিদ্ধ ডিমের উপকারিতা। কেন খাবেন সিদ্ধ ডিম।

0
সিদ্ধ ডিম ও তার উপকারিতা।

ডিম নিয়ে কথা না বললেই নয় কেননা ডিম নানান উপায়ে খাওয়া হয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি উপকারী হল ডিম সিদ্ধ করে খাওয়া। তাহলে আজ ডিম নিয়ে শুরু করা যাক।

সিদ্ধ ডিম কেন খাবেন?

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সিদ্ধ ডিমের উপকারিতা তুলে ধরার চেষ্টা করব আপনাদের মাঝে।

ওজন কমায়:

সুসিদ্ধ ডিম চর্বিহীন প্রোটিনের খুব ভালো উৎস। এটা শরীরে বাড়তি ক্যালরি যোগ না করেই অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। দুপুর বা রাতে খাবার খাওয়ার সময় দুটি করে সুসিদ্ধ ডিম এবং সাথে এক কাপ সবজি খান যা আপনাকে ২৭৪ ক্যালরির যোগান দিবে।

হাড় সুদৃঢ় করে:

অনেকেরই অজানা যে প্রসব পূর্ব বিকাশে অতি-সিদ্ধ ডিম, ভিটামিন ডি’য়ের পাশাপাশি বেশ ভালো কাজ করে। এটা শিশুর দাঁত, হাড় বৃদ্ধিতে কার্যকরী পাশাপাশি সাধারণ বৃদ্ধিতে বেশ সহায়তা করে থাকে।

বিপাক বৃদ্ধি সহায়তায়:

সিদ্ধডিম একটি উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খা্বার খাওয়া তাপীয় প্রভাবের কারণে বিপাক বাড়াতে সহায়তা করে। এর কারণ হল খাবার হজম করতে ও পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ করতে বেশি ক্যালরি ব্যয় হয়। সিদ্ধডিম খাওয়ায়, বেশি কার্বোহাইড্রেট ও চর্বি খাওয়ার তুলনায় বেশি ক্যালরি খরচ করতে সাহায্য করে। যার ফলে বিপাক বৃদ্ধি পায়।

সিদ্ধ ডিম কোলিনের ভালো উৎস:

আমরা জানি মস্তিষ্ক, স্নায়ু ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে কোলিন সাহায্য করে। এটা মস্তিষ্কের মেম্ব্রেন ও পেশি সুগঠিত রাখতে সাহায্য সহায়তা করে, যা মস্তিষ্কের ঝিল্লি গঠন করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং এটা স্নায়ু থেকে পেশিতে সংবেদন পৌঁছাতে সহায়তা করে থাকে।

চোখ, চুল ও নখের জন্য উপকারী:

সিদ্ধ ডিমের অনেক উপকারিতার মধ্যে চোখের উপকারী একটি। প্রতিদিন একটা করে সিদ্ধ ডিম খেলে ‘ম্যাকুলার’ ক্ষয় কমবে। কারণ সিদ্ধ ডিমে আছে লুটেইন ও জ্যাক্সেন্থিন।

আপনি জানেন কি, সিদ্ধ ডিম খাওয়া চোখের ছানি পরা বা হওয়ার ঝুঁকি কমায়। ডিমে উচ্চ মাত্রায় সালফার থাকায় তা ভিটামিন ডি’য়ের ভালো উৎস। যা চুল ও নখ ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

পরিশেষে বলা যায় যে সিদ্ধডিম আমাদের নানান ভাবে উপকার করে থাকে।

আপনার যদি এমন সব লিখা থাকে বা লিখতে চান তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।  পাশাপাশি কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করুন আপনার বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজনের সাথে।

পড়া মনে রাখার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

0
পড়া মনে রাখার উপায়

পড়া মনে রাখার উপায় – টাইটেল দেখেই আশা করি বুঝতে পেরেছেন আমাদের আজকের টপিক কি। চলুন শুরু করা যাক কথা না বাড়িয়ে।

পড়া মনে রাখার উপায়ঃ

পড়া মনে থাকে না বা যা পড়ি সব ভুলে যাই এ সমস্যা ছাত্রছাত্রীদের কমবেশী সবার মধ্যেই আছে। অনেকে সঠিক নিয়মে না পড়ে বেশি পড়েও কয়েকদিন পর তা ভুলে যায়। আবার অনেকে পড়া মনে রাখার জন্য কিছু কৌশল ব্যবহার করে এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবলীলায় মনে রাখতে সক্ষম হয়। সঠিক কৌশল প্রয়োগ করে না পড়লে পড়া ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। পড়া সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল।

আগ্রহ তৈরি

আগ্রহ সহকারে পড়তে বসা। খেলা বা সিনেমা/মুভি দেখার সময় আপনি যেমন আগ্রহ ও জেতার আসা বা পুরো মুভিটা শেষ করার আগ্রহ নিয়ে বসেন তেমনি পড়ার সময়ও নিজের ভিতর থেকে আগ্রহ তৈরি করতে হবে। পড়া কঠিন, মনে থাকে না, বুঝিনা এসব পূর্বধারণা থেকে বেরিয়ে খালি মাথা নিয়ে বসতে হবে।

পড়াশুনা আমাদের সবার কাছে কমবেশি কঠিন বিষয়। আর এ কঠিন বিষয়টিকে যদি সহজ ও মনে রাখার উপযোগী করতে হয় তাহলে আগ্রহ থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। কেননা যে কাজে কোন আগ্রহ থাকবে না সে কাজ কোন ভাবেই সঠিকভাবে সম্পাদন হবে না।

কনসেপ্ট ট্রি

পড়া মনে রাখার জন্য সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো কনসেপ্ট ট্রি। এ পদ্ধতিতে কোন একটি বিষয় শিখার আগে পুরো অধ্যায়টিকে সাতটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য একটি লাইন করে সারমর্ম লিখতে হবে। তারপর খাতায় একটি গাছ একে সাতটি সারমর্মকে গাছের এক একটি পাতায় লিখে রাখতে হবে। তারপর পাতাগুলোতে প্রতিদিন চোখ বুলালেই আধ্যায়টি সম্পর্কে একটি পুর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরিক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা।

কী ওয়ার্ড

লেখা পড়ায় আপনাকে কী ওয়ার্ড বাচাই করতে হবে বা নিজে করে নিতে হবে। কেননা যে কোন বিষয়ের অত্যন্ত কঠিন বিষয়গুলো ছন্দের আকারে খুব সহজ উপায়ে মনে রাখা যায়।
যেমন: রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। সাতটি রংয়ের প্রথম আদ্যাক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। তেমনি আবার ইংরেজী ‘লেফটেনেন্ট’((Lie,u,ten,ant) ) শব্দটির বানান মনে রাখতে ‘মিথ্যা তুমি দশটি পিপিলিকা’ মনে রাখলেই বানানটি হয়ে যাবে।

অল্প অল্প করে মনোযোগ দিয়ে পড়া

যদি পড়া মনে রাখতে হয় তাহলে তা বিভিন্ন অংশ বা সেগমেন্টে ভাগ করে পড়া বেশ উপকারী। যেমন: ৪৬৭৮৯০ এ সংখ্যাটি মনে রাখা যতটা সহজ তার চাইতে ৪৬৭ এবং ৮৯০ মনে রাখা আরও বেশী সহজ। আমরা পাঠ্য বইয়ের অনেক সংঙ্ঘা পড়তে ভয় পাই কিন্তু বড় সংঙ্ঘাকে কয়েক ভাগে ভাগ করে পড়লে মনে রাখা সহজ। কারণ আমাদের ব্রেন অনেক বড় বিষয়ের চেয়ে ছোট বিষয় বেশি মনে রাখতে পারে।

লিখে পড়ার অভ্যাস করতে হবে

পড়ার সাথে সাথে লিখলে আমাদের ব্রেনের অনেক বেশি উদ্দীপ্ত হয়। লেখার সাথে ব্রেনের যে অংশগুলো জড়িত তা তথ্যকে স্থায়ী মেমোরীতে রূপান্তর করতে সহায়তা করে। এছাড়া মানুষ কোন কিছু লিখতে চাইলে উক্ত বিষয়ের প্রতি মনোযোগ বেড়ে যায় যা স্থায়ী মেমোরি তৈরিতে সহায্য করে।

মার্কার ব্যবহার করা

অনেকেই আছে যারা পড়ার সময় মার্কার ব্যবহার করে, এটা খুব কার্যকর। কারণ যখন কোন কিছু মার্ক করা হয় তখন ঐ শব্দ বা বাক্যের উপর আগ্রহ ও আকর্ষণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি এর উপর ব্রেনের ভিজ্যুয়াল এফেক্ট বেড়ে যায়। ফলে মনে রাখতে সুবিধা হয়।

সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সকাল দশটার আগে মানুষের ব্রেন ক্রিয়াশীল হয় না। এই সময়ের পর থেকে ধীরে ধীরে ব্রেনের ক্রিয়াশীলতা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে বিকালের পরে ব্রেনের ক্রিয়াশীলতা বাড়ে। তাই সকালের পড়া থেকে বিকাল বা সন্ধ্যার পর পড়া অনেক বেশী কার্যকর।

পর্যাপ্ত ঘুম

আমাদের ব্রেন মূলত স্মৃতি তৈরির কাজ করে ঘুমের ভিতর। গবেষণায় দেখা গেছে সারাদিনের কাজ বা ঘটনাগুলো ঘুমের সময় মেমোরিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে যে কোন তথ্য মেমোরিতে রূপান্তরিত করতে চাইলে পড়াশোনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

মুখস্থ বিদ্যাকে না বলা

কথায় আছে মুখস্থ বিদ্যা মানুষের চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়। পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোন কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেটা বেশিদিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয় সচেতনভাবে কোন কিছু মুখস্থ করা যাবে না। টুকরো তথ্য যেমন: সাল, তারিখ, বইয়ের নাম, ব্যাক্তির নাম, বিজ্ঞানের কোন সূত্র ইত্যাদি বুঝে মুখস্থ করতে হবে।

রিভাইজ

কোন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে আমরা আজকে সারাদিন যত কিছু পড়ি শুনি জানি বা দেখি তা পাঁচ দিন পর চার ভাগের তিন ভাগই ভুলে যাই। এ ভুলে ঠেকানোর জন্য কিছু টিপস আছে যেমন: ৪৫ মিনিট পর ১৫ মিনিট ব্রেক এবং সেই ব্রেকে মনে মনে সে পড়াটা রিভাইজ দেয়া এবং কোথাও আটকে গেলে তা আবার দেখে নেয়া। আজকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পড়ে আগামীকাল ঘুমানোর আগে উক্ত পড়া রিভাইজ দেয়া। তারপর এক সপ্তাহ পর পুনরায় রিভাইজ দিলে দীর্ঘদিন মনে থাকবে।

আজকের আলোচনা ছিল পড়া মনে রাখার উপায় সম্পর্কে।  আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই আপনারা উপকৃত হবেন। আপনাদের মতামত আমাদের জানাতে ভুলবেন না। আপনাদেএ জন্যই আমাদের কমেন্ট বক্স।

লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু – তৈরি করুন, ফ্যামিলি নিয়ে পরিবেশন করুন।

0
লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু

লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু অত্যন্ত মজাদার একটি রেসিপি। আপনি নিজ হাতে নিজ বাসায় তৈরি করতে পারেন খুব সহজেই। রেসিপি sumi’s kitchen কর্তৃক।

কথায় আছে নিজ হাতের তৈরি রেসিপির তুলনাই হয় না। তাই আপনাদের জন্য আজকের এই লাড্ডু রেসিপি। চলুন সময় নষ্ট না করে শুরু করা যাক।

লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু তৈরির উপকরণ :

১। লাচ্ছা সেমাই ৩০০ গ্রাম
২। ঘি ২ টেবিল চামচ
৩। এলাচ ৩ টি
৪। দারুচিনি ৩ টুকরো
৫। গুঁড়ো দুধ ১/২ কাপ
৬। কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ
৭। নারকেল কোড়া ১/২ কাপ
৮। বাদাম ও কিসমিস কুচি ৩ টে চামচ(যদি দিতে চান)

লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু প্রস্তুত প্রণালি:

লাচ্ছা সেমাইর লাড্ডু তৈরির জন্য প্রথমে একটি প্যানে ঘি গরম করে তাতে দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে ভেজে নিতে হবে।ভাজা হয়ে গেলে সেমাই দিয়ে অল্প আঁচে দশ মিনিটের মতো ভেজে নিতে হবে। তারপর গুঁড়ো দুধ ও নারকেল কোড়া মিশিয়ে আরেকটু নেড়ে চেড়ে কনডেন্স মিল্ক দিয়ে দিতে হবে। (সাথে বাদাম কুচি ও কিসমিস কুচি দিয়ে পারেন।)এবার ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে যখন আঠালো ভাব চলে আসবে তখন নামিয়ে নিতে হবে। এবার দারুচিনি ও এলাচ বেছে ফেলে দিয়ে,হাতের তালুতে একটু ঘি মেখে গোলাকৃতির করে লাড্ডুগুলো বানিয়ে নিতে হবে।সবগুলি লাড্ডু বানানো হয়ে গেলে সাজানোর জন্য উপরে কিছুটা গুঁড়ো দুধ দিতে পারেন।ব্যস তৈরি হয়ে গেল লাচ্ছা সেমাইয়ের লাড্ডু।

এমন আরও রেসিপি পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আর আপনি যদি আপনার রেসিপি প্রকাশ করতে চান আমাদের সাইটে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন অথাবা আমাদের সাইটে সাইন আপ করুন।

অন্যান্য রেসিপি সমূহঃ

বাধাকপির পাকোড়া

চিতল মাছের কোফতা

শাহী পাক্কি বিরিয়ানি

ডাল পুরি রেসিপি

ভেলপুরি 

কর্ম কৌশল – কম সময়ে বেশি কাজ।

0
কর্ম কৌশল - কম সময়ে বেশি কাজ।
কর্ম কৌশল - কম সময়ে বেশি কাজ।

কর্ম কৌশল : কম সময়ে বেশি কাজ। টাইটেল দেখেই আশা করি বুঝতে পেরেছেন। চলুন শুরু করা যাক।

সময় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সময়ের অপব্যবহারে মানুষের জীবন অর্থহীন হয়ে যায়, আবার সময়ের পরিপূর্ণ ব্যবহারে কেউ হয়ে ওঠে সফল ও ঈর্ষণীয় সাফল্যের অধিকারী। সময়কে কাজে লাগানোর এমন কিছু কার্যকর কৌশল নিচে উল্লেখ করা হলো।

কাজের লক্ষ্য স্থির করা।

লক্ষ্য স্থির করে কাজ করলে দ্রুত বা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করা যায়। এতে মনের সাথে কাজের যোগসূত্র রচিত হওয়ায় কাজ সুচারুরূপে করা যায়।

কাজের তালিকা তৈরি ও কঠোরভাবে মেনে চলা।

আগের রাতে পরবর্তী দিনের কাজের তালিকা তৈরি করতে হবে। সাথে আনুমানিক সময় নির্দিষ্ট করে রাখতে হবে। সে সাথে কাজের তালিকা কঠোরভাবে মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে।

একই ধরনের কাজগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা।

একই ধরনের কাজগুলো একবারে করে ফেললে অনেক সময় বেঁচে যায়। আর এতে মনোযোগও অটুট থাকবে। তাই একই ধরনের কাজ গুলো তালিকায় সাজিয়ে নিতে হবে।

পূর্ব কাজের সূত্র ধরে কাজ করা।

অনেক সময় পূর্বের কাজের ধারাবাহিকতায় নতুন কোনো কাজ হাতে নিতে হয়। সেক্ষেত্রে ই-মেইল, প্রেজেন্টেশন, রিপোর্ট ইত্যাদি পূর্বের কাজের কিছু অংশ পুন:ব্যবহার করে অল্প সময়ে কাজ সেরে ফেলা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া।

দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আগে করে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। এতে মানসিক তৃপ্তি বেড়ে যাবে, ফলে পরবর্তী কাজগুলোকে আরো বেশি গতিতে এগিয়ে যাবে।

কাজের দক্ষতা বাড়ানো।

কাজে দক্ষতা থাকলে অল্প সময়ে বেশি কাজ করা যায়। তাই নিয়মিত কাজগুলোতে অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা আনয়ণ করতে পারলে সময় বাঁচিয়ে অধিক কাজ করা যায়।

ই-কমার্স, এক নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ। ই কমার্স নিয়ে বিস্তারিত।

এক সাথে একাধিক কাজ না করা।

এক সাথে একাধিক কাজ করলে কখনোই তা সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয় না। এক্ষেত্রে কর্মদক্ষতাও কমে যায়। তাই উচিত একটি কাজ শেষ করার পর অপরটি শুরু করা।

সময়ানুবর্তিতা মেনে চলা।

কম সময়ে বেশি কাজ করতে হলে অবশ্যই সময় বেঁধে কাজ করতে হবে। কাজের জন্য বরাদ্দকৃত সময়েই তা শেষ করার চেষ্টা করতে হবে। আজকের কাজ আগামী দিনের জন্য ফেলে রাখা যাবে না।

কাজের ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া।

কাজের ভুল নিয়ে চিন্তা করতে হবে, একই সাথে নিজেকে শুধরাতে হবে। এতে পরবর্তীতে একই ভুলে সময় নষ্ট হবে না।

মনোযোগ অটুট রাখা।

কাজ করার সময় মনোযোগ না থাকলে তা শেষ হতে সময় বেশি লাগে। প্রয়োজনে কাজ করার সময় মোবাইল ফোন বন্ধ বা Silent Mode এ রাখা যেতে পারে। একইভাবে বাসায় থেকে কাজ করার সময় পারিবারিক জীবন আলাদা রেখে কাজ করতে হবে।

সময় নষ্ট করে এমন কাজ পরিহার করা।

সময় নষ্ট করে এমন কাজ বা ক্ষেত্রগুলোকে খুঁজে বের করতে হবে। ফেস(ক, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হলেও অনেক সময় তা সময় নষ্টেরও কারণ হয়। তাই এর পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া অকারণে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটিও বাদ দিতে হবে।

প্রতিটি জিনিস যথাস্থানে রাখা।

কাগজপত্র, চাবি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস কাজ শেষে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। নইলে এগুলো খুঁজতে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হবে এবং মনোযোগে বিঘ্ন ঘটবে।

কাজের ফাঁকে বিরতি নেয়া।

কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই ছোট ছোট বিরতি নেয়ার চেষ্টা করতে হবে। এতে মনোনিবেশ করার ক্ষমতা বাড়বে, শরীর ক্লান্তিহীন থাকবে এবং মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকবে। ফলে কাজের গতি বাড়বে।

পরিশেষে

কথায় আছে সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়। সময়ের পরিকল্পিত ব্যবহারই কম সময়ে বেশি কাজ করার মূল মন্ত্র। আর এটি করতে পারলেই সাফল্যের স্বর্ণদুয়ারে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

স্মার্টফোনের কয়েকটি বিকল্প ব্যবহার জেনে নিন।

0

স্মার্টফোনের কয়েকটি বিকল্প ব্যবহার
মোবাইল ফোনের ব্যবহার বলতে আমরা অনেকেই মনে করি শুধুমাত্র কল, এসএমএস এর ব্যবহার।
কেই আবার স্মার্টফোনের ব্যবহার বলতে বুঝি ইন্টারনেট ব্যবহাও ও স্বাভাবিক ফোনের যাবতীয় সুবিধা ভোগ করাকে।
স্মার্টফোনের মাধ্যমে আরো অনেক সুবিধা ভোগ করা যায় তা আমরা অনেকেই জানি না। আপনাদের সুবিধার্থে স্মার্টফোনের কয়েকটি বিকল্প ব্যবহার এই আর্টিকেলে তুলে ধরা হবে ইনশাল্লাহ।
চলুন তাহলে শুরু করা যাক, আশা করি ভালো লাগবে আর উপকারে আসবে। ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

স্পাই ক্যামেরা :

বাসা বাড়ি কিংবা অফিসে নজরদারি করার জন্য সিসিটিভির ব্যবহার তো রয়েছেই। তবে একটি বাড়তি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকলে আর সিসিটিভির প্রয়োজন নেই। ওই ফোনটিকেই ব্যবহার করা যাবে স্পাই ক্যামেরা হিসেবে। এর জন্য কেবল অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে ইন্সটল করে নিতে হবে স্পাই ক্যামেরা নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন। গুগল প্লে স্টোরে টাট্টু মোবাইলের তৈরি এই অ্যাপ্লিকেশনটি পাওয়া যাবে https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ginfotech.spycamera ঠিকানায়।
ফোনের ডিসপ্লে বন্ধ থাকা অবস্থাতেও এটি ছবি ও ভিডিও ক্যাপচার করতে পারে। এতে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে দরকারি কমান্ড গুলো কাস্টমাইজ করার সুযোগ রয়েছে।

ভোল্টেজ পরিমাপক :

মোবাইলের ব্যাটারি রিচার্জ করতে তো হয় প্রতিদিনই। কিন্তু কোনো ফোনের ব্যাটারি রিচার্জের সময় কী পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে, সেই তথ্য কি আমরা জানি?
অনেকি জানি না। আমি জানতাম না। আর এই তথ্য জানার জন্য সরাসরি কোনো পদ্ধতি নেই অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে । তবে ‘অ্যাম্পিয়ার’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই কাজটি সহজেই করা যায়। ব্রেইনট্র্যাপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারি চার্জ হওয়ার সময়জুড়ে প্রদর্শন করবে বিদ্যুৎ প্রবাহের পরিমাণ এবং ভোল্টেজের পরিমাপ। আর ফোনটি চার্জারের সাথে সংযুক্ত না থাকার সময় এটি ফোনের ডিসচার্জের হার প্রদর্শন করবে।
অ্যান্ড্রয়েড ৪.০.৩ বার এর পরের যেকোনো সংস্করণের জন্য কাজ করবে এই অ্যাপ্লিকেশন । তবে সব ফোনে আবার এটি কাজ করে না।
গুগল প্লে-স্টোরে এই অ্যাপ্লিকেশনের লিংকে http://goo.gl/KLgxOw গেলে অবশ্য এই বিষয়ক তালিকা পূর্ণাঙ্গ পাওয়া যাবে।

পূর্ণাঙ্গ মিডিয়া প্লেয়ার:

অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে সাধারণভাবে টিভিতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট স্ট্রিমিং করা যায়। বাড়তি সুবিধা উপভোগ করার জন্য টিভির সাথে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সংযুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
এর জন্য থাকতে হবে এমএইচএল বা এইচডিএমআই আউটপুট, যা দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি যুক্ত হবে টিভির সাথে। আর প্রয়োজন হবে বিশেষায়িত সফটওয়্যারের। এই সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ‘টিভিএমসি’ নামের টিভি অ্যাড-অন । গুগল প্লে স্টোরে নেই অ্যাপসটি। তাই www.tvaddons.ag/tvmc-android সাইট থেকে এই অ্যাপ্লিকেশনের এপিকে ফাইল ডাউনলোড করে নিয়ে পৃথকভাবে ইন্সটল করে নিতে হবে।
এটি ইন্সটল হয়ে গেলেই টিভিতে সংযুক্ত অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিই পরিণত হবে একটি পূর্ণাঙ্গ মিডিয়া প্লেয়ারে।