Home Blog Page 7

জীবজগৎ কি? কত প্রকার? জীবের বৈশিষ্ট্য। – বিস্তারিত আলোচনা

1

জীবজগৎ

আমাদের চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন বস্তু, এদের কারাে জীবন আছে আবার কারাে নেই। চেয়ার, টেবিল, হাঁড়ি-পাতিল, ইট, লােহা কেমন বস্তু? আবার আম, জাম, কাঁঠাল, শাপলা, ইলিশ, কই, রুই, গরু, হরিণ, মানুষ এরাই বা কী?
যাদের মধ্যে জীবন নেই তারা জড়। আবাৰ যাদের মধ্যে জীবন আছে তারা জীব। প্রকৃতিতে বিভিন্ন রকমের জীৰ আছে। যেমন : উদ্ভিদ, মানুষ, গরু, ছাগল, মাছ, পাখি ইত্যাদি। পানির শেওলা বা ব্যাঙের ছ্যতাও জীব। এ্যামিবা, ব্যাকটেরিয়া অতিক্ষুদ্র জীব । এ সকল জীব নিয়ে জীবজগৎ গঠিত হয়েছে ।

জীব প্রধানত ২ প্রকার, যথাঃ- প্রণী জীব, ঊদ্ভিদ জীব।

জীবের প্রধান বৈশিষ্ট্য

চলনঃ- জীব চলাচল করতে পারে। প্রণী জীব এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে এবং উদ্ভিদ জীব বেরে উঠার সাথে সাথে ডগা নারাচারা করে।

খাদ্য গ্রহণঃ- প্রতিটি জীব-ই খাদ্য গ্রহণ করে।

প্রজননঃ- প্রতিটি জীব ই বংশ বিস্তার করে থাকে। উদ্ভিদ জীবের চারা হয় আর প্রাণী জীবের বাচ্চা হয়।

রেচনঃ- প্রতিটি জীব-ই বিষেশ পক্রিয়ায় তার শরিরে উৎপাদিত বর্জ ত্যাগ করে থাকে।

অনুভুতিঃ- সব জীবে-ই অনুভূতি আছে, আঘাত পেলে ব্যাথা পায়। উদ্ভিদ ও একই কিন্তু খালি চুখে বুঝা যায়।

শ্বাস-প্রশ্বাসঃ- প্রতিটি জীব জন্মের পর থেকে শ্বাস গ্রহন করে ও ত্যাগ করে থাকে। মৃত্যু পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

বৃদ্ধিঃ- প্রতি টি জীব জন্মের পর থেকে আসতে আসতে বৃদ্ধি পেতে থাকে।

অভিযোজনঃ- একটি জীব সহজেই পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে বা মানিয়ে নিতে পারে।

জীবজগৎ এর শ্রেণীবিন্যাস

জীবজগৎ কে উদ্ভিদ রাজ্যে এবং প্রাণী রাজ্যে শ্রেণিবিন্যাস খুব সরলভাবে করা হয়েছিল এবং বুঝতেও সহজ ছিল। কিন্তু, বিপুল সংখ্যক জীব উদ্ভিদ বা প্রাণী রাজ্যের একটার মধ্যেও পড়ছিল না। তাই, দীর্ঘকাল যাবৎ ব্যবহৃত হওয়া দুই রাজ্যের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অপর্যাপ্ত বলে পরিগণিত হল। জগতকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৷ যথাঃ

  • মনেরা
  • প্রোটিস্টা
  • ফাংগি
  • প্লান্টি
  • অ্যানিম্যালিয়া

ওয়েবসাইট কী? কেন? কিভাবে? বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

0

ওয়েবসাইট বর্তমান যুগে বেশ পরিচিত ও আলোচিত একটি বিষয়। আজকাল এমন লোক পাওয়াই খুব কষ্ট কর হবে যে, ওয়েবসাইট ব্যবহার করেনি! আমরা কোন না কোন তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট বিজিট বা ব্রাউজ করে থাকি, সেটা হতে পারে স্কুল কলেজের নোটিস বা গান মুভি অথবা কোন তথ্য পাওয়ার জন্য। এমনকি আমরা যে ইউটিউব ফেসবুক ব্যবহার করি এগুলো ও ওয়েবসাইট।

ওয়েবসাইট কী?

ওয়েবসাইট অথবা শুধু সাইট হল কোন এক ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বা কন্টেন্টের সমষ্টিকে বোঝায়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়। ওয়েব পেইজ মূলত একটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট, যা এইচটিটিপি প্রোটোকলের সাহায্যে ওয়েব সার্ভার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজারে স্থানান্তরিত বা প্রদর্শিত হয়। সকল উন্মুক্ত ওয়েবসাইটগুলিকে একসাথে “ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব” বা “বিশ্বব্যাপী জাল” নাম দেয়া হয়েছে।
সাধারণত যে ব্যক্তি ওয়েবসাইট তৈরী করে তাকে ওয়েব ডেভেলপার বলে থাকি আবার যে ওয়েবসাইট ডিজাইন করে তাকে ওয়েব ডিজাইনার বলে থাকি।

ওয়েব সাইট কাকে বলে?

সহজে বলতে গেলে ডোমেইন ও সার্ভারের সম্মিলিত রুপ কে ওয়েবসাইট বলে যেখানে ওয়েব পেইজ, ছবি, অডিও, ভিডিও অথবা অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বা কন্টেন্ট রাখা হয় যাতে করে ব্যবহার কারি এইসব তথ্য বা কন্টেন্ট পেতে পারে।

ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেট জগতে আপনার একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান, বা আপনার কোন শখ, বা কোন জরুরী বিষয় সারা বিশ্বের লোকদের মাঝে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম। ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট করতে হলে আপনাকে নিম্নের উল্লিখিত ৩ টি দাপের মধ্য দিয়ে এগোতে হবে।
প্রথমত, পছন্দ মত বা নিস অনুযায়ী একটি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।
দ্বিতীয়ত, পছন্দের প্লান ও প্যাকেজ অনুযায়ী ভালো মানের ওয়েব হোস্টিং কিনতে হবে ।
তৃতীয়ত, সব শেষে ওয়েবসাইটটি মানানসই ডিজাইন করতে হবে ।

ওয়েব সাইট সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারনাঃ

নিচে ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি কোন ওয়েবসাইট বানাবেন? আপনার ওয়েবসাইট কেমন হবে? আপনার ওয়েবসাইটে কি কি রাখবেন? আপনার ওয়েবসাইট বানানোর মূল উদ্দেশ্য কি?

আশা করি আজকে এই আর্টিকেলটি পড়া শেষে ওয়েবসাইট সম্পর্কে যাবতীয় ভুল ধারণা এবং অজানা ধারণাগুলো আপনার আয়ত্তে চলে আসবে খুব সহজেই ইনশাল্লাহ।

প্রথমে যে বিষয়টি লক্ষ্য করতে হবে যে, আপনি কি কারণে ওয়েবসাইটে বানাতে চাচ্ছেন? আপনার কি ওয়েবসাইট প্রয়োজন? আপনার কাজের জন্য যে ওয়েবসাইট বানাবেন সেটি কি ধরনের হতে হবে? আমরা নিচে কিছু ওয়েবসাইটের তথ্য তুলে ধরলাম যা পড়লে আপনার আইডিয়া হয়ে যাবে যে আপনার কি ধরনের ওয়েবসাইট প্রয়োজন।

যা যা লাগবে

একটি ওয়েবসাইট করতে প্রথমে যা লাগবে তা নিচে উল্লেখ করা হল;

০১। ডোমেইনঃ আপনার পছন্দ অনুযায়ী নাম নিবেন (যদি থাকে)। যে কোন ডোমেইন কম্পানি থেকে রেজিস্ট্রেশন করবেন। যেমন, Namecheap, GoDaddy etc. তবে আমার পছন্দের Namecheap কারন তাদের সার্ভিস টা আমার ভাল লেগেছে।

০২। হোস্টিংঃ আপনার নাম বা ডোমেইন হয়ে গেলে আপনার দরকার পরবে হোস্টিং এর। অনেক কম্পানি হোস্টিং দিয়ে থাকে। যেমন, Namecheap, Bluehost etc. আমি নিজে ব্যবহার করি Namecheap Hosting। আপনারা আপানাদের পছন্দের টা করতে পারেন।

Namecheap থেকে Domain & Hosting নিন একসাথে।

ওয়েব সাইট থেকে কিভাবে আয় করা হয়

আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তার মানে আপনি সেই ওয়েবসাইট থেকে ভাল পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন। এবং সেজন্য আপনাকে প্রথামে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি কি ধরনের ওয়েবসাইট বানাবেন মানে আপনার নিস কি?! কি ধরনের ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় করা যায় নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ক্রুসেড – ক্রুসেডারদের চক্রান্ত ও যুদ্ধ।

0

ক্রুসেড হলো প্রায় দুই শতকব্যাপী ইউরোপ কর্তৃক পরিচালিত সামরিক অভিযান। এর উদ্দেশ্য ছিলো মুসলিমদের হাত থেকে জেরুজালেম ছিনিয়ে নেওয়া এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের বিজয় রথের গতিরোধ করা।
[এই কন্টেন্টের বেশীরভাগ অংশ নেওয়া হয়েছে মুহাম্মাদ আল আরুসির লেখা ‘আল হুকর আস-সালিবিয়্যাহ ফি-মাশরিক ওয়াল মাগরিব’কিতাব থেকে।]

ক্রুসেড এর কারণ।

ক্রুসেডের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো হলো:

১। জেরুজালেম এবং এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের যেসব এলাকা খ্রিষ্টান শাসনাধীনে ছিলো, তা মুসলিমরা জয় করে ফেলায় খ্রিষ্টানদের মাঝে ঘৃণার আগুন জ্বলে ওঠে।

২। মুসলিম সেলজুকরা কন্সটান্টিনোপলের খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলো। মুসলিমদের বিরুদ্ধে খ্রিষ্টান বিশ্বের সাহায্যের আবেদন করেন বাইজেন্টাইন সম্রাট অ্যালেক্সিয়াস কমনিনাস।

৩। জেরুজালেমের খৃষ্টান তীর্থযাত্রীরা মুসলিমদের পক্ষ থেকে খারাপ আচরণের অভিযোগ তোলে। ইউরোপে ফিরে তারা অভিযোগ করে যে মুসলিমদের কাছ থেকে তারা অনেক অবিচার ও হয়রানির শিকার হয়েছে। এভাবে খ্রিষ্টানদের মনে মুসলিমদের ব্যাপারে ঘৃণার বীজ বপনে সবচেয়ে তৎপরদের একজন ছিলেন ফ্রেঞ্চ সন্ন্যাসী পিটার দ্য হামিট।

৪। জেরুজালেমকে মুসলিমদের হাত থেকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে পাপমোচন করানোর ধর্মীয় চেতনা ছিলো ক্রুসেডারদের বড় এক উৎসাহের উৎস। যাজক, বিশপ ও পোপদের ভাষণে তা আরো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

৫। সেলজুক মুসলিমদের দখলকৃত এলাকাগুলো মুক্ত করতে মিশরের ফাতিমিরা বাইজেন্টাইনদের সাথে মৈত্রী করতে খুবই উৎসুক ছিলো।

ফ্রান্সে কাউন্সিল অব ক্লারমন্টে পোপ দ্বিতীয় আরবান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। ৪৮৮ হিজরি মোতাবেক ১০৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তারা যুদ্ধ ঘোষণা করতে সম্মত হয়। সেই ভাষণে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ঘৃণা প্রকাশিত হয়। তিনি ঘোষণা করেন, “এই যুদ্ধ কেবল একটি শহর জয় করার যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধ হলো সমগ্র এশিয়া জয় করে এর অপরিমেয় সম্পদ হস্তগত করা। আপনাদেরকে জেরুজালেমে তীর্থযাত্রায় গিয়ে একে দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। আপনাদেরকে এই ভূমি জয় করতেই হবে। কারণ তাওরাত ঘোষণা করেছে যে, এটি হলো প্রবহমান দুধ ও মধুতে ভরা শহর।”[আল আকবর আস-সুন্নিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ১২ ]

প্রথম ক্রুসেড ও জেরুজালেম দখল।

৪৮৬ হিজরিতে ফ্রেঞ্চ সন্ন্যাসী পিটার দ্য হার্মিট জেরুজালেম সফর করেন। দেশে ফিরে তিনি পোপের সাথে দেখা করে ক্রুসেডের ডাক দেওয়ার আহ্বান জানান। পোপ প্রথমে উত্তর ইটালির পিয়াকেজানে একটি সম্মেলন করেন। তারপরে ফ্রান্সে কাউন্সিল অব ক্লারমন্টের সম্মেলন হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় যুদ্ধ শুরু করার।

ক্রুসেডার সেনাবাহিনীগুলো কন্সটান্টিনোপলে মিলিত হওয়ার পরিকল্পনা করে। প্রথম বাহিনীটি ছিলো খুবই বিশৃঙ্খল ও এলোমেলো। এটি এশিয়া মাইনর পার হওয়ার পর সেলজুক কালিজ আরসালান তাদেরকে কন্সটান্টিনোপলের খুব কাছে নাইকিয়া শহরে মোকাবেলা করে পরাজিত করেন।

খাইরুদ্দিন বারবারোসা ও অষ্টম ক্রুসেড – হলি লিগ (১৫৩৮ সালের ক্রুসেড)।

রাজা ও সামন্তপ্রভুদের নেতৃত্বে অন্যান্য বাহিনীগুলো অগ্রসর হয় দক্ষিণ ও উত্তর ফ্রান্স (তাই তাদেরকে ফ্র্যাংক বলা হতো) এবং দক্ষিণ ইতালির দিক থেকে। তারা কন্সটান্টিনোপলে জড়ো হয়। এই বাহিনী এশিয়া মাইনর পার হলে কালিজ আরসালান তাদেরকে বাধা দেন। ফলে দুই পক্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ক্রুসেডাররা তাঁকে পরাজিত করে আট মাস অবরোধ করে রাখার পর এন্টাকিয়া (সেসময় এই শহরের নাম ছিলাে আন্তিও। কিন্তু এটার বর্তমান নাম এন্টাকিয়া যা তুরস্কের হাতায় প্রদেশে অবস্থিত) দখল করে। এরপর ৪৯২ হিজরিতে (১০৯৯ ঈসায়ী) এক মাস অবরোধ করে রাখার পর জেরুসালেম তাদের হস্তগত হয়। সেখানে তারা তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত দ্বীন এবং মানবতার সব নিয়ম নীতির বাইরে গিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সবরকম বর্বরতা প্রদর্শন করে। তারা প্রায় সত্তর হাজার মুসলিমকে হত্যা করে। আল-আকসা মসজিদ ও এর সংলগ্ন রাস্তাগুলো মুসলিমদের রক্তে ভেসে গিয়েছিলো।

মুসলিমদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করে ইবনুল আসির লিখেন:

“জনগণ রমযান মাসে আল-কাদি আবু সাইদ আল-হারওয়ি’র সাথে শাম থেকে বাগদাদে পালিয়ে যায়। তিনি ক্রুসেডারদের এমন সব ভয়ানক কর্মকাণ্ড ও অপরাধের বর্ণনা দেন যাতে কারো চোখ শুষ্ক থাকতে পারে। হৃদয় স্থির হতে পারে না। তারা জুমু’আর সালাত পড়ে মুসলিমদের হত্যা, নারী-শিশুদের উপর নির্যাতন ও সম্পদ লুটপাটের কথা স্মরণ করে আল্লাহর দরবারে দু’আ আর কান্নাকাটি করে সাহায্য চায়। এই পরিস্থিতিতেই তারা সেদিনের ইফতার করে।”

এই যুদ্ধের ফলে ক্রুসেডাররা শামে আস্তানা গেড়ে বসে। আলেক্সান্দ্রিয়া উপসাগর থেকে আশকেলন এবং ‘আকাবা উপসাগর থেকে আর-রুহা’র (বর্তমানে তুরস্কের উরুফা) [উরফা বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত, যার অফিসিয়াল নাম সালনিউরফা। প্রাচীনকালে এর নাম ছিলো এড়েসা] উত্তর দিক পর্যন্ত উপকূলগুলোতে অসংখ্য ঘাঁটি গড়ে তোলে।

ক্রুসেডারদের বিজয়ের কারণ

ক্রুসেডারদের বিজয়ের সবচেয়ে বড় কারণ হলো জেরুজালেম ও এর আশপাশের এলাকার মুসলিমদের মধ্যকার হাজারো অন্তর্কলহ এবং মতপার্থক্য। জেরুজালেম হলো সেই ভূমি যেখান থেকে রাসূলুল্লাহকে স্ম মিরাজে নেওয়া হয়। এই ভূমিতে ক্রুসেডাররা নিজ যোগ্যতায় কখনো মুসলিমদের উপর চোখ তুলে তাকাতে পারেনি। মুসলিম উম্মাহ’র মধ্যকার বিভিন্ন ঝগড়া-বিবাদ লক্ষ করেই তারা এই দুর্বল জায়গায় আঘাত করে। এভাবেই সুযোগ বুঝে মুসলিম বিশ্বে হামলে পড়ে, ঘরবাড়ি ধ্বংস করে এবং সম্মানিত এক জাতিকে লাঞ্ছিত করে ছাড়ে।

এ কারণেই প্রথম ক্রুসেড এর বর্ণনা দিতে গিয়ে ইতিহাসবিদগণ সেসময় মুসলিম সমাজের অবস্থার বর্ণনা দিয়ে থাকেন। যেমনঃ-
১। ক্রুসেডাররা যখন জেরুসালেম অবরোধ করে রেখেছিলো, মুহাম্মাদ ইবনু মালিকশাহ ( মুহাম্মাদ ইবনে মালিক শাহ ১০৭২-১০৯২ সাল পর্যন্ত তুর্কি সেলজুক সাম্রাজ্যের সুলতান ছিলেন।) তাঁর সৎভাই বারকিয়ারুকের সাথে লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
২। শামের রাজারা একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত থাকা অবস্থায় ফ্র্যাংকরা অ্যাকরা (এর আরবী নাম ke, ইংরেজীতে acre, ako ইত্যাদি নামে পরিচিত হলেও সাধারণত এটা akko হিসেবে উচ্চারিত হয়। বর্তমান এটি ইসরায়েলে অবস্থিত।) অঞ্চল দখল করে নেয়।
৩। মুসলিম দেশগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতো। কিছু মুসলিম দেশ অপর মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে ফ্র্যাংকদের সাহায্য চাইতো।

ইবনুল আসির সহ অনেক ইতিহাসবিদই এই কারণগুলো আলোচনা। করেছেন। এ থেকে বোঝা যায় মুসলিম উম্মাহ নিজেই নিজের পরাজয়ের জন্য দায়ী ছিলো। আল্লাহ তাদের উপর কোনো যুলুম করেননি, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুলুম করেছে।

দ্বিতীয় ক্রুসেড – হাতিনে বিজয়ের পূর্বাভাস

আগেই বলা হয়েছে যে মুসলিম ঐক্যের অবক্ষয়ই ছিলো ক্রুসেডারদের জেরুজালেম দখলে সাফল্যের প্রধান কারণ। একটি বিপ্লবী ঐক্য গড়ে তুলতে পারলে ক্রুসেডারদেরকে পরাজিত করা তাই অসম্ভব হয়ে গিয়েছিলো। এই বিপ্লবের একটি আভাস পাওয়া যায় যখন ৫২১ হিজরিতে ‘ইমাদুদ্দীন যাঙ্কি মসুল থেকে মা’আররাত আন-নুমান (মা’আররাত আল নুমান সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে অবস্থিত।) পর্যন্ত বিস্তৃত একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলেন। ইমাদুদ্দীন অসংখ্যবার ক্রুসেডারদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এর মধ্যে অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ ছিলো আর-রাহা-তে ৫৩৯ হিজরিতে সংঘটিত সংঘর্ষ। যুদ্ধে পরাজিত হলে এই অঞ্চল থেকে ক্রুসেডারদের প্রভাব দুর্বল হয়ে যায়।

এইসব পরাজয়ের কারণে ক্রুসেডাররা আরো উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয়। ক্রুসেডের পরিকল্পনা করে। এই যুদ্ধে ফ্রান্সের রাজা পঞ্চম লুই এবং জার্মান সম্রাট তৃতীয় কনরাড অংশ নেন।

তাঁরা ‘ইমাদুদ্দীন মাহমুদকে[*] হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। তিনি তাঁর পিতা ইমাদুদ্দীন যাঙ্কির মৃত্যুর পর তাঁর রাজ্যের পশ্চিমাংশ শাসন করেন। তাঁকে প্রধান লক্ষ্যবস্ত বানানোর কারণ হলো তাঁকেই তারা ফ্র্যাংকদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করতো। ক্রুসেডাররা শামের দিকে অগ্রসর হয়ে অল্প সময়ের জন্য তা অবরোধ করে হাল ছেড়ে দেয়। ৫৪৩ হিজরিতে অবরোধ তুলে ফেলা হয়। এভাবেই দ্বিতীয় ক্রুসেডের সমাপ্তি ঘটে। ক্রুসেডারদের ব্যর্থতা মুসলিমদেরকে উজ্জীবিত করে তোলে যা পরবর্তীকালে হাত্তিনের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

[* ইমাদুদ্দীন যাঙ্কির বেশ কয়েকজন ছেলে ছিলো। তাদের মধ্যে বড় দুইজন ছিলেন সাইফুদ্দীন এবং নুরুদ্দীন মাহমুদ। এই দুই ভাই বাবার রেখে যাওয়া সাম্রাজ্যকে দুই ভাগে ভাগ করেন। সাইফুদ্দীন মসুলকে রাজধানী রেখে পূর্ব দিকের অংশ শাসন করেন এবং নুরুদ্দীন আলেপ্পোকে রাজধানী করে পশ্চিম দিকের দখল নেন। নুরুদ্দীনের শাসনকৃত অংশ ছিলো ক্রুসেডারদের ভূখণ্ডের কাছাকাছি। যে কারণে ক্রুসেডারদের সাথে নুরুদ্দীনের সংঘর্ষ
হওয়াটা অনুমিতই ছিলো।]

হাডুডু বা কাবাডি গ্রামীণ বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা।

0

ঐতিহ্য ফেরাতে হাডুডু খেলা ফিরিয়ে আনা জরুরী।

প্রতিটি দেশের একটি জাতীয় খেলা থাকে। ইংরেজদের জাতীয় খেলা ক্রিকেট, আমেরিকানদের জাতীয় খেলা বেস বল। তেমনি হাডুডু আমাদের দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী খেলা। এটি শুধু বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলাই নয়, এটি আমাদের দেশের জাতীয় খেলাও বটে। হালে কাবাডি হিসাবে খেলাটির নামকরণ হলেও গ্রামাঞ্চলে হাডুডু নামেই এটি পরিচিত সর্বমহলে।

হাডুডু বা কাবাডি কেবল আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী খেলাই নয় বরং পুরো উপমহাদেশেরই একটি জনপ্রিয় খেলা। বর্তমানে এই খেলাটিকে সাফ গেমসেও যোগ করা হয়েছে। ছোট ছেলে থেকে শুরু করে কিশোররা ও বড়রাও এই খেলা খেলতে পারে।হাডুডু আমাদের জাতীয় খেলা। গ্রামের খেলাগুলোর মধ্যে হা-ডু-ডু, সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব খেলা চলাকালে মানুষের ঢল নামতো।প্রায় বিলুপ্তির পথে জাতীয় এই খেলাকে ঘিরে তৈরি হয় উৎসব মুখর পরিবেশ। নারী পুরুষ ও শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়সের লোক সম্মিলিত ভাবে এই খেলা উপভোগ করেন। কিন্তু এখন গ্রামের খোলা মাঠে এসব খেলা শুধুই স্মৃতি। দিন দিন এই খেলাটি হারিয়ে যাচ্ছে।

সভ্যতার ক্রমবিকাশ আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঘরে বাইরে ভিডিও গেমের দৌরাত্মে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐহিত্যবাহী খেলাধূলা। শৈশবে যেসব খেলে দিন কাবার করেছেন আজকের বৃদ্ধরা, তারাও এখন ভুলতে বসেছেন সেসব খেলার নাম। একসময় গ্রামের শিশু-কিশোররা পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা করত। বিকেলে খোলা মাঠে দলবেঁধে খেলাধুলা করত সবাই। শৈশবে দুরন্তপনায় মেতে থাকতো ছেলে-মেয়ের দল। কিন্তু আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া ও কালের বিবর্তনে মহাকালের পাতা থেকে ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে এসব খেলাধূলার নাম।

আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে হাডুডু খেলাকে ধরে রাখতে হবে।গ্রামীণ খেলা আমাদের আদি সংস্কৃতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব খেলাধূলা এক সময় আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করতো। কিন্তু কালক্রমে এই খেলার কদর হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে গ্রামীণ খেলাগুলো বিলুপ্ত হতে হতে এর অস্তিত্বের শেষ সীমায় দাঁড়িয়েছে। খোদ অজপাড়াগাঁয়েও সবচেয়ে বেশি প্রচলিত হাডুডু বা কাবাডি খেলার প্রচলন নেই।

গ্রামবাংলার খেলাধূলার মধ্যে যেসব খেলা হারিয়ে গেছে তাদের মধ্যে হা-ডু-ডু, বা কাবাডি, খেলা অন্যতম। ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাওয়া এসব খেলাধূলা এখন আর তেমন কোথাও চোখে পড়ে না। নতুন প্রজন্মের কাছে এগুলো এখন শুধুই গল্প। আবার নাম শুনে অনেকেই হাসে।‘শুধু হাডুডু নয়, হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার ঐহিত্যবাহী সকল খেলাই ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

এক সময় এ দেশের ছেলেমেয়েরা গ্রামীণ খেলাকে প্রধান খেলা হিসেবে জানতো। কিন্তু তার জায়গা দখল করেছে লুডো, কেরাম, ক্রিকেট, টিভি, কম্পিউটার। আমাদের আদি ক্রীড়া সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অবশ্যই গ্রামীণ ক্রীড়া ফেডারেশন গঠন করা দরকার। এতে আগামী প্রজন্ম আমাদের এসব খেলাকে জানতে পারবে। ভুলে যাবে না আমাদের শত বছরের নিজস্ব ক্রীড়া ঐতিহ্য।

জনশ্রুতি রয়েছে, একসময় প্রতি বছর বর্ষায় উপজেলার পুটিজানা,কুশমাইল,বালিয়ান, দেওখোলা, ফুলবাড়ীয়া, বাক্তা, রাংগামাটিয়া, এনায়েতপুর, কালাদহ, রাধাকানাই, আছিম পাটুলী এবং ভবানীপুর ইউনিয়নের সর্বত্রই ব্যাপকভাবে বিনোদনের একটি বড় উৎসব ছিল এই হাডুডু খেলাকে ঘিরে। এ উপজেলায় ছিল বাঘা বাঘা সব হাডুডু খেলোয়াড়। তাদের নামডাক ছিল অন্য অঞ্চলেও। তারা এ উপজেলা থেকে আরেক জেলায় ভাড়ায় (খেপ) খেলতে যেতেন অহরহ। এ খেলাটি কেন্দ্র করে বসতো গ্রাম্য মেলাও। কিন্তু প্রায় এক দশক ধরে ফুলবাড়ীয়াসহ গ্রাম-গঞ্জে খেলাটি দেখা যাচ্ছিল না। কেননা ক্রিকেট ও ফুটবল দখল করে নিয়েছে এ জনপ্রিয় খেলাটির জায়গা। স্থানীয় স্কুলছাত্র জামিল হাডুডু প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি আগে কখনও এই খেলা দেখিনি। বাবা-মায়ের কাছে হা-ডু-ডু খেলার কথা শুনেছি। খেলাটি দেখে আমি খুবই আনন্দ পেয়েছি।

আজকের জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট ষোল শতকের দিকে বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। তখন বিলেতের ধনাঢ্য ব্যক্তিরা এগিয়ে আসেন ক্রিকেটকে বাঁচাতে। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত হয় মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। এ ক্লাবটিই ক্রিকেটকে অপমৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে যেকোনো অখ্যাত খেলাও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে।বিষেজ্ঞরা জানান, এমসিসির মতই গ্রামীণ খেলাকে বাঁচাতে এদেশের ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই ভূমিকা পালন করতে পারেন। তাছাড়া সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগেও ফিরে আনা সম্ভব এসব খেলার হারানো ঐতিহ্য।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও গবেষক খোকা রহমান বলেন, ‘চর্চা ও তথাকথিত আধুনিকতার কারণে হারিয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাধূলা। এজন্য প্রয়োজন সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ। তবেই ফিরে পাওয়া যাবে গ্রামীণ খেলাধূলার হারানো গৌরব।গ্রাম বাংলার আবহমান খেলা হাডুডু। শহুরে জীবনের ব্যস্ততায় এ খেলার রেশ না থাকলেও, গ্রামে কিন্তু এখনও চলে শারীরিক কসরতের এই খেলা। যাতে এখনও নিদারুণ আনন্দ উপভোগ করেন দর্শকরা।

তবে জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও নানা প্রতিবন্ধকতায় অনেকটাই কোণঠাসা এই খেলাটি। কিন্তু প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে,ময়মনসিংহে মুক্তাগাছায় আয়োজিত হাডুডু প্রতিযোগিতার আয়োজন অন্তত তাই প্রমাণ করে। বিগত ১০৪ বছর যাবৎ ময়মনসিংহে মুক্তাগাছায় আয়োজন করে যাচ্ছে হাডুডু’র এমন জমজমাট আসর।ঐতিহ্যবাহী এই খেলাটিকে স্ব-শরীরে উপভোগ করতে মাঠে হাজির হয়েছিল হাজার হাজার নারী ও পুরুষ। যাদের সকলেরই আকুতি ছিল বেশি-বেশি করে যেন আয়োজন করা হয় জনপ্রিয় এই খেলাটি।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ফুটবল তারকা আমিনুল ইসলাম খেলাটি সম্পর্কে বলেন, ‘যখন ছোট ছিলাম তখন দেখেছি হাডুডু খেলার জনপ্রিয়তা কতটা ছিল। মানুষ এ খেলা দেখার জন্য পাগল ছিল। এ খেলাটি এক সময় মানুষের প্রাণের খেলা ছিল। এখনও এ খেলাটিকে কিছুটা হলেও ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার বিকল্প নেই। অন্যান্য খেলার পাশাপাশি প্রতিটি এলাকার ক্লাব সংগঠনকে এই খেলাটি বাধ্যতামূলক করা উচিত।’

খেলার নিয়মাবলী
অনেকেই হাডুডু খেলার নিয়ম পর্যন্ত জানে না! আমাদের প্রত্যেকের হাডুডু খেলার নিয়ম জানা উচিত। চলুন জেনে নিই এই খেলা সম্পর্কে।

খেলার নাম :হাডুডু বা কাবাডির উত্পত্তিস্থল ফরিদপুর, আবার কেউ কেউ বলেন ময়মনসিংহে কেউ কেউ বলেন বরিশাল।তবে বাংলাদেশের সর্বত্র এই খেলার প্রচলন আছে।

মাঠঃ মাঠের সাইজ :৪২ ফুট লম্বা ও ২৭ ফুট চওড়া। (বালকদের মাঠ লম্বায় ১২.৫০ মিটার চওড়ায় ১০ মিটার হয়)। এবং বালিকাদের কাবাডি খেলার মাঠ লম্বায় ১১ মিটার এবং চওড়ায় ৮ মিটার হয়। খেলার মাঠের ঠিক মাঝখানে একটি লাইন টানা থাকে যাকে মধ্যরেখা বা চড়াই লাইন বলে। এই মধ্য রেখার দুই দিকে দুই অর্ধে দুটি লাইন টানা হয় যাকে কোল লাইন বলে।মাঠকে দুই ভাগে ভাগ করা হয় প্রতিটি ভাগকে কোট বলা হয়। মৃত বা আউট খেলোয়াড়দের জন্য মাঠের দুই পাশে ১ মিটার দূরে দুটি লাইন থাকে যাকে লবি বলা হয়।

সদস্যঃ প্রতি দলে ১২ জন খেলোয়াড় অংশ নেয়। কিন্তু প্রতি দলের ৭ জন খেলোয়াড় একসাথে মাঠে নামে। বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে থাকে। খেলা চলাকালীন সর্বাধিক তিন জন খেলোয়াড় পরিব্রর্তন করা যাবে।

সময়ঃ মোট সময় :৪৫ মিনিট (২০ মিনিট + ৫মিনিট + ২০ মিনিট) মাঝের ৫ মিনিট বিরতি।

৫ মিনিট বিরতি সহ দুই অর্ধে পুরুষদের ২৫ মিনিট করে এবং মেয়েদের ২০ মিনিট করে খেলা হবে। খেলা শেষে যেই দল বেশী পয়েন্ট পাবে সাই দলই জয়ী হবে। দুদলের পয়েন্ট সমান হলে দুঅর্ধে আরও ৫ মিনিট করে খেলা হবে। এরপরেও যদি পয়েন্ট সমান থাকে তবে যে দল প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছিল সে দলই জয়ী হবে।

পয়েন্টঃ যদি কোন খেলোয়াড় মাঠের বাহিরে চলে যায় তাহলে সে আউট হবে। এভাবে একটি দলের সবাই আউট হলে বিপক্ষ দল একটি লোনা(অতিরিক্ত ২ পয়েন্ট) পাবে। মধ্যরেখা থেকে দম নিয়ে বিপক্ষ দলের কোন খেলোয়াড়কে(একাধিক হতে পারে)স্পর্শ করে এক নিঃশাসে নিরাপদে নিজেদের কোর্টে ফিরে আসতে পারলে, যাদের কে স্পর্শ করবে সে বা তারা কয় জনই আউট হবে। এভাবে যতজন আউট হবে তাদের প্রত্যেকের জন্য এক পয়েন্ট পাওয়া যাবে।

সতর্কতাঃ এক নিঃশাসে স্পষ্ট ভাবে পুণঃপুণঃ কাবাডি বলে ডাক দেওয়াকে “দম নেওয়া” বলে। এই দম মধ্যরেখা থেকে শুরু করতে হবে।বিপক্ষ কোর্টে একসাথে একাধিক আক্রমণকারী যেতে পারবে না। কোন আক্রমণকারী বিপক্ষ দলের কোর্টে দম হারালে এবং বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় তাকে স্পর্শ করতে পারলে সে আক্রমণকারী আউট বলে গণ্য হবে।

অন্যান্যঃ এই খেলার মজার একটা নিয়ম আছে। সেটা হলো ৮০ কেজি বেশি ওজনের কাউকে এই খেলায় নেওয়া হয় না। এই খেলা পরিচালনা ও বিচারকার্য করে থাকেন একজন রেফারি, দুইজন আম্পায়ার, একজন স্কোরার।

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত – জিম্বাবুয়ে।

0

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতজিম্বাবুয়ে

এই অপরূপ সুন্দর ঝরণাটি অবস্থিত জিম্বাবুয়ের বর্ডার ও জিম্বাজি নদীর কোলঘেঁষে। যদিও এই জলপ্রপাতটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কিংবা প্রশস্ত জলপ্রপাত নয় তবু এই উত্তেজনাপূর্ণ জলপ্রপাত ২ কিলোমিটার মাইল প্রায় দখল করে এবং ৩৫৫ ফুট উঁচু অর্থাৎ ১০৮ মিটার। প্রায় ২০ কিলমিটার দূর পর্যন্ত এটি রোমহর্ষক কুয়াশার সৃষ্টি করে যা কিনা ‘গুড়–ম ধোঁয়া’ নামে সেই অঞ্চলে পরিচিত।

একনজরে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত

অবস্থান লিভিংস্টোন, জাম্বিয়া
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত, জিম্বাবুয়ে
স্থানাঙ্ক ১৭°৫৫′২৮″ দক্ষিণ ২৫°৫১′২৪″ পূর্ব
ধরন জলপ্রপাত
মোট উচ্চতা ৩৫৫ ফু (১০৮ মি) (কেন্দ্রস্থলে)
ঝরার সংখ্যা
জলপ্রবাহ জাম্বেজি নদী
গড়
প্রবাহের হার
১০৮৮ m³/s (৩৮,৪৩০ cu ft/s)
প্রাতিষ্ঠানিক নাম Mosi-oa-Tunya / Victoria Falls
ধরন প্রাকৃতিক
মানক vii, viii
অন্তর্ভুক্তির তারিখ ১৯৮৯ (১৩শ অধিবেশন)
রেফারেন্স নং 509
রাষ্ট্রীয় সীমারেখা জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
অঞ্চল আফ্রিকা

 

নামকরন

এই স্থানের পরিদর্শক আগে জিম্বাবুয়ের বেশি হতো, তবে আজকাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার পরিদর্শক এখানে বেড়াতে আসে। ট্রেন কিংবা বাস দিয়েও এই জলপ্রপাত দেখতে যাওয়া যায় এবং অনেক সস্তা।

স্থানীয় চিতোঙ্গা আদিবাসীরা একে মোজি-ওয়া-তুনিয়া নামে ডেকে থাকে। এর অর্থ হচ্ছে বজ্রের ধোঁয়া। জলপ্রপাতের আওয়াজ অত্যন্ত গর্জনশীল, তাই এরূপ নামকরণ। একজন স্কটিশ অনুসন্ধানকারীর নামের ব্যক্তি নামকরণ করেছেন।

ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী রাণী ভিক্টোরিয়াকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ১৬ নভেম্বর, ১৮৫৫ তারিখে স্কটিশ মিশনারি ও ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন নিজ নামে পরিচিত লিভিংস্টোন দ্বীপপুঞ্জ থেকে জলপ্রপাতটি দেখে এর নামকরণ করেন।

২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ জলপ্রপাতের পুণরায় নামকরণ করেছে মোজি-ওয়া-তুনিয়া।

খাসি বা গরুর শাহী পাক্কি বিরিয়ানি

0

পাক্কি বিরিয়ানি – আপনার বাসায় নিজেই তৈরি করুন খুব সহজে গরু বা খাসির মাংশে জনপ্রিয় পাক্কি বিরিয়ানি। তাই আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি পাক্কি বিরিয়ানি রেসিপি। সময় না নিয়ে চলুন শুরু করা যাক, আজকের এই রেসিপি টি sumi’s kitchen diaries পরিচালিত।

পাক্কি বিরিয়ানি এর উপকরণ :

০১। বিফ/খাসির মাংস ২ কেজি (বড় বড় পিস করা)
০২। দারুচিনি,এলাচ,তেজপাতা, লবঙ্গ ৪-৫ টি করে
০৩। আস্ত গোলমরিচ ৮-১০ টি
০৪। জয়ফল ২ টি
০৫। জয়ত্রি ১ পিস
০৬। আদা বাটা ২ টে চামচ
০৭। রসুন বাটা ২ টে চামচ
০৮। মরিচ গুঁড়া ১ টে চামচ
০৯। ধনে গুঁড়া ১ টে চামচ
১০। টক দই ১ কাপ
১১। পেঁয়াজ কুচি ১কাপ
১২। পেঁয়াজ বেরেস্তা ১কাপ
১৩। কাঁচা মরিচ ৭-৮ টি
১৪। তেল/ঘি- ১/২ কাপ
১৫। লবণ স্বাদমতো
১৬। চিনি ১/২ টে চামচ
১৭। ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
১৮। গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ
১৯। আলু ১/২ কেজি
২০। ফুড কালার সামান্য
২১। পোলাও এর জন্য লাগবে,
২২। কালিজিরা চাউল ১ কেজি
২৩। কুসুম গরম দুধ ১ কাপ
২৪। গরম পানি ৬+১/২ কাপ
২৫। আলুবোখারা ৭-৮ টি
২৬। গোলাপজল ১ টে চামচ
২৭। কেওড়া জল ১ টে চামচ
২৮। ঘি ২ টে চামচ

খাসি বা গরুর পাক্কি বিরিয়ানি প্রস্তত প্রণালী:

প্রথমে মাংস গুলো ধুয়ে ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিয়ে তার সাথে আদা বাটা,রসুন বাটা,টক দই ,লবণ ,ধনে গুঁড়া ,মরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিয়ে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে । এবার চুলায় একটি প্যানে তেল গরম করে নিয়ে তাতে গরম মসলা গুলো দিয়ে হালকা একটু ভেজে পেঁয়াজ কুচি গুলো দিয়ে ভেজে নিতে হবে সোনালী রং আসা পর্যন্ত।তারপর মেরিনেট করে রাখা মাংসগুলো দিয়ে নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিতে হবে।মাংস ভালো করে কষানো হয়ে গেলে তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি অথবা দুধ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে ।মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে কাঁচা মরিচ,পেঁয়াজ বেরেস্তা,ভাজা জিরা গুঁড়া ,গরম মসলা গুঁড়া ও সামান্য চিনি ছিটিয়ে দিয়ে ঢেকে রেখে দিতে হবে আরও কিছুক্ষণ।

এবার আলু গুলো কেটে ভাল করে ধুয়ে লবণ ও সামান্য একটু ফুড কালার দিয়ে মাখিয়ে ভেজে নিতে হবে। তবে সিদ্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই,হালকা একটু ভেজে নিলেই হবে।
পোলাও রান্নার জন্য চালগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।এবার একটি বড় প্যানে তেলদিয়ে গরম মসলা গুলো হালকা একটু ভেজে নিয়ে,পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে নিতে হবে।এবার পোলার চাল গুলি দিয়ে ভালো করে নেড়ে চেড়ে ভেজে নিয়ে পরিমাণমতো লবণ,পানি ও দুধ দিয়ে দিতে হবে।চাউল ফুটে উঠলে চুলা কমিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ২০ মিনিটের জন্য।

পোলাও রান্না হয়ে এলে অর্ধেকটা পোলাও তুলে নিয়ে আলাদা একটি পাত্রে রেখে দিতে হবে। এবার হাড়ির বাকিটা পোলাও চারদিকে ছড়িয়ে নিয়ে তার উপর রান্না করে রাখা মাংস দিয়ে তার উপর বেরেস্তা,কাঁচা মরিচ ,আলু বোখারা ও ভেজে রাখা আলু গুলো সুন্দর করে বিছিয়ে দিয়ে তার উপরে তুলে রাখা পোলাও ছড়িয়ে দিয়ে তার উপর আবার পেঁয়াজ বেরেস্তা,কাঁচা মরিচ, আলু বোখারা, গোলাপজল, কেওড়া জল ও ঘি(চাইলে কেউ সামান্য ফুড কালার ব্যবহার করতে পারেন)দিয়ে ঢাকা দিয়ে ঢেকে দমে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিটের জন্য।এসময় চুলার আঁচ একদম অল্প থাকবে।

ব্যাস তৈরি হয়ে গেল মজাদার শাহী খাসি/বিফ পাক্কি বিরিয়ানি।এবার আলতো হাতে পোলাও মাংস নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিয়ে পরিবেশন করুন।

Stop Smoking – Privacy Policy

0

Privacy Policy

EraCox built the Stop Smoking app as a Free app. This SERVICE is provided by EraCox at no cost and is intended for use as is.

This page is used to inform visitors regarding our policies with the collection, use, and disclosure of Personal Information if anyone decided to use our Service.

If you choose to use our Service, then you agree to the collection and use of information in relation to this policy. The Personal Information that we collect is used for providing and improving the Service. We will not use or share your information with anyone except as described in this Privacy Policy.

The terms used in this Privacy Policy have the same meanings as in our Terms and Conditions, which is accessible at Stop Smoking unless otherwise defined in this Privacy Policy.

Information Collection and Use

For a better experience, while using our Service, we may require you to provide us with certain personally identifiable information. The information that we request will be retained by us and used as described in this privacy policy.

The app does use third party services that may collect information used to identify you.

Link to privacy policy of third party service providers used by the app

Log Data

We want to inform you that whenever you use our Service, in a case of an error in the app we collect data and information (through third party products) on your phone called Log Data. This Log Data may include information such as your device Internet Protocol (“IP”) address, device name, operating system version, the configuration of the app when utilizing our Service, the time and date of your use of the Service, and other statistics.

Cookies

Cookies are files with a small amount of data that are commonly used as anonymous unique identifiers. These are sent to your browser from the websites that you visit and are stored on your device’s internal memory.

This Service does not use these “cookies” explicitly. However, the app may use third party code and libraries that use “cookies” to collect information and improve their services. You have the option to either accept or refuse these cookies and know when a cookie is being sent to your device. If you choose to refuse our cookies, you may not be able to use some portions of this Service.

Service Providers

We may employ third-party companies and individuals due to the following reasons:

  • To facilitate our Service;
  • To provide the Service on our behalf;
  • To perform Service-related services; or
  • To assist us in analyzing how our Service is used.

We want to inform users of this Service that these third parties have access to your Personal Information. The reason is to perform the tasks assigned to them on our behalf. However, they are obligated not to disclose or use the information for any other purpose.

Security

We value your trust in providing us your Personal Information, thus we are striving to use commercially acceptable means of protecting it. But remember that no method of transmission over the internet, or method of electronic storage is 100% secure and reliable, and we cannot guarantee its absolute security.

Links to Other Sites

This Service may contain links to other sites. If you click on a third-party link, you will be directed to that site. Note that these external sites are not operated by us. Therefore, we strongly advise you to review the Privacy Policy of these websites. We have no control over and assume no responsibility for the content, privacy policies, or practices of any third-party sites or services.

Children’s Privacy

These Services do not address anyone under the age of 13. We do not knowingly collect personally identifiable information from children under 13 years of age. In the case we discover that a child under 13 has provided us with personal information, we immediately delete this from our servers. If you are a parent or guardian and you are aware that your child has provided us with personal information, please contact us so that we will be able to do necessary actions.

Changes to This Privacy Policy

We may update our Privacy Policy from time to time. Thus, you are advised to review this page periodically for any changes. We will notify you of any changes by posting the new Privacy Policy on this page.

This policy is effective as of 2021-07-23

Contact Us

If you have any questions or suggestions about our Privacy Policy, do not hesitate to contact us at hello@eracox.com.

This privacy policy page was created at privacypolicytemplate.net and modified/generated by App Privacy Policy Generator

PDF Advance Tool – Privacy Policy

0

Privacy Policy

EraCox built the PDF Advance app as a Free app. This SERVICE is provided by EraCox at no cost and is intended for use as is.

This page is used to inform visitors regarding our policies with the collection, use, and disclosure of Personal Information if anyone decided to use our Service.

If you choose to use our Service, then you agree to the collection and use of information in relation to this policy. The Personal Information that we collect is used for providing and improving the Service. We will not use or share your information with anyone except as described in this Privacy Policy.

The terms used in this Privacy Policy have the same meanings as in our Terms and Conditions, which is accessible at PDF Advance unless otherwise defined in this Privacy Policy.

Information Collection and Use

For a better experience, while using our Service, we may require you to provide us with certain personally identifiable information. The information that we request will be retained by us and used as described in this privacy policy.

The app does use third party services that may collect information used to identify you.

Link to privacy policy of third party service providers used by the app

Log Data

We want to inform you that whenever you use our Service, in a case of an error in the app we collect data and information (through third party products) on your phone called Log Data. This Log Data may include information such as your device Internet Protocol (“IP”) address, device name, operating system version, the configuration of the app when utilizing our Service, the time and date of your use of the Service, and other statistics.

Cookies

Cookies are files with a small amount of data that are commonly used as anonymous unique identifiers. These are sent to your browser from the websites that you visit and are stored on your device’s internal memory.

This Service does not use these “cookies” explicitly. However, the app may use third party code and libraries that use “cookies” to collect information and improve their services. You have the option to either accept or refuse these cookies and know when a cookie is being sent to your device. If you choose to refuse our cookies, you may not be able to use some portions of this Service.

Service Providers

We may employ third-party companies and individuals due to the following reasons:

  • To facilitate our Service;
  • To provide the Service on our behalf;
  • To perform Service-related services; or
  • To assist us in analyzing how our Service is used.

We want to inform users of this Service that these third parties have access to your Personal Information. The reason is to perform the tasks assigned to them on our behalf. However, they are obligated not to disclose or use the information for any other purpose.

Security

We value your trust in providing us your Personal Information, thus we are striving to use commercially acceptable means of protecting it. But remember that no method of transmission over the internet, or method of electronic storage is 100% secure and reliable, and we cannot guarantee its absolute security.

Links to Other Sites

This Service may contain links to other sites. If you click on a third-party link, you will be directed to that site. Note that these external sites are not operated by us. Therefore, we strongly advise you to review the Privacy Policy of these websites. We have no control over and assume no responsibility for the content, privacy policies, or practices of any third-party sites or services.

Children’s Privacy

These Services do not address anyone under the age of 13. We do not knowingly collect personally identifiable information from children under 13 years of age. In the case we discover that a child under 13 has provided us with personal information, we immediately delete this from our servers. If you are a parent or guardian and you are aware that your child has provided us with personal information, please contact us so that we will be able to do necessary actions.

Changes to This Privacy Policy

We may update our Privacy Policy from time to time. Thus, you are advised to review this page periodically for any changes. We will notify you of any changes by posting the new Privacy Policy on this page.

This policy is effective as of 2021-07-23

Contact Us

If you have any questions or suggestions about our Privacy Policy, do not hesitate to contact us at hello@eracox.com.

This privacy policy page was created at privacypolicytemplate.net and modified/generated by App Privacy Policy Generator

English Writing Part – Privacy Policy

0

Privacy Policy of English Writing Part

EraCox built the English Writing Part app as a Free app. This SERVICE is provided by EraCox at no cost and is intended for use as is.

This page is used to inform visitors regarding our policies with the collection, use, and disclosure of Personal Information if anyone decided to use our Service.

If you choose to use our Service, then you agree to the collection and use of information in relation to this policy. The Personal Information that we collect is used for providing and improving the Service. We will not use or share your information with anyone except as described in this Privacy Policy.

The terms used in this Privacy Policy have the same meanings as in our Terms and Conditions, which is accessible at English Writing Part unless otherwise defined in this Privacy Policy.

Information Collection and Use

For a better experience, while using our Service, we may require you to provide us with certain personally identifiable information. The information that we request will be retained by us and used as described in this privacy policy.

The app does use third party services that may collect information used to identify you.

Link to privacy policy of third party service providers used by the app

Log Data

We want to inform you that whenever you use our Service, in a case of an error in the app we collect data and information (through third party products) on your phone called Log Data. This Log Data may include information such as your device Internet Protocol (“IP”) address, device name, operating system version, the configuration of the app when utilizing our Service, the time and date of your use of the Service, and other statistics.

Cookies

Cookies are files with a small amount of data that are commonly used as anonymous unique identifiers. These are sent to your browser from the websites that you visit and are stored on your device’s internal memory.

This Service does not use these “cookies” explicitly. However, the app may use third party code and libraries that use “cookies” to collect information and improve their services. You have the option to either accept or refuse these cookies and know when a cookie is being sent to your device. If you choose to refuse our cookies, you may not be able to use some portions of this Service.

Service Providers

We may employ third-party companies and individuals due to the following reasons:

  • To facilitate our Service;
  • To provide the Service on our behalf;
  • To perform Service-related services; or
  • To assist us in analyzing how our Service is used.

We want to inform users of this Service that these third parties have access to your Personal Information. The reason is to perform the tasks assigned to them on our behalf. However, they are obligated not to disclose or use the information for any other purpose.

Security

We value your trust in providing us your Personal Information, thus we are striving to use commercially acceptable means of protecting it. But remember that no method of transmission over the internet, or method of electronic storage is 100% secure and reliable, and we cannot guarantee its absolute security.

Links to Other Sites

This Service may contain links to other sites. If you click on a third-party link, you will be directed to that site. Note that these external sites are not operated by us. Therefore, we strongly advise you to review the Privacy Policy of these websites. We have no control over and assume no responsibility for the content, privacy policies, or practices of any third-party sites or services.

Children’s Privacy

These Services do not address anyone under the age of 13. We do not knowingly collect personally identifiable information from children under 13 years of age. In the case we discover that a child under 13 has provided us with personal information, we immediately delete this from our servers. If you are a parent or guardian and you are aware that your child has provided us with personal information, please contact us so that we will be able to do necessary actions.

Changes to This Privacy Policy

We may update our Privacy Policy from time to time. Thus, you are advised to review this page periodically for any changes. We will notify you of any changes by posting the new Privacy Policy on this page.

This policy is effective as of 2021-04-06

Contact Us

If you have any questions or suggestions about our Privacy Policy, do not hesitate to contact us at hello@eracox.com.

This privacy policy page was created at privacypolicytemplate.net and modified/generated by App Privacy Policy Generator

 

সুইসাইড নোট

0

বুক রিভিউ

সুইসাইড নোট
মো: সহিদুল ইসলাম রাজন

‘সুইসাইড নোট’ বইটির নাম ই রহস্যের মতো। নামটি শুনেই আমার আর দশজনের মতো পড়ার খুব তীব্র ইচ্ছে সৃষ্টি হয়েছিলো। বইটি আমি একদিনে পড়তে পারিনি। অনেকদিন লেগে গেছে। পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পড়ার জন্য আর শক্তি পেতামনা। তবে একটু একটু করে পড়তাম। চাইলেই এক দুইদিনে পড়ে শেষ করতে পারতাম কিন্তু গল্পের চরিত্রগুলোকে রাজন ভাইয়া এত বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলেছে যে আমি প্রথমবার পড়েই অনেক বেশি কষ্ট পাইছি সাথে ভীষণ কান্না ও করছি।
তাই অল্প করে পড়ছি, অল্প করে কষ্ট পাইছি আর অল্প করেই কাঁদছি। শ্রাবণ ভাইয়ার সবকিছু জানার পর নিজেকে খানিকটা শ্রাবণ ভাইয়ার মতোই লেগেছে। তার কষ্টের সাথে, ভালোবাসার সাথে, মা বাবার সাথে পুরোপুরি মিল খুঁজে না পেলেও অনেকটা মিল আমি নিখুঁত ভাবে খুঁজে পেয়েছি। শুধু তার মতো আমার খুন করার সাহস নেই।

এবার আসি বইয়ের কথায়।
শ্রাবণ আর নীলা, তাদের পরিবার সম্পর্ক গুলো যত বেশি সুন্দর ছিলো তার চেয়ে বেশি ছিলো কষ্টের। লেখক সাহেব চাইলেই চরিত্রগুলোকে এত কষ্ট না দিলেও পারতেন। আমি উপন্যাসটি পড়ার সময় এক মুহূর্তের জন্য ও ভাবিনি এটা একটা উপন্যাস। কারণ এত সাবলীল আর জীবন্ত করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে সত্যি ভেবেছি এটা একটা জীবন্ত কাহিনি চোখের সামনে ঘটতেছে।

একজন অসহায় সন্তান ই বুঝে মা বাবা থেকেও না থাকার অভাব, মায়া,মমতা,স্নেহ, ভালোবাসার অভাব। কাউকে খুব বেশি ভালোবেসে অবহেলা পাওয়ার কষ্ট অনেক বেশি। বিশ্বাস ভাঙার যন্ত্রণা। তার চেয়ে বেশি কষ্ট ছিলো সেই ভালোবাসার মানুষটার মুখে নিজের মাকে নিয়ে খারাপ ভাষায় গালি শোনার কষ্ট। সবচেয়ে বড় কষ্ট হচ্ছে সেই ভালোবাসার মানুষটাকে অন্যের সাথে দেখা। এই কষ্টগুলোই শ্রাবণ কে তিলে তিলে শেষ করেছে। শ্রাবণ কে অনেক বেশি ভয়ংকর বানিয়েছে। শ্রাবণ এত বেশি কষ্ট পেয়েছে যে শ্রাবণ ভুলেই গেছে মানুষকে মারার মতো কত বড় পাপ করেছে।এত বেশি কষ্ট পেয়েছে যে এতটা ভয়াবহ হতেও পিছপা হয়নি।

কীভাবে শ্রাবণ নীলার প্রেমে পড়লো, কীভাবে তাদের ভালোবাসার সম্পর্ক মজবুত হয়েও অবিশ্বাসের ফাটল ধরলো। কীভাবে শ্রাবণ নীলার বিচ্ছেদের পরও বিয়ে হলো। কীভাবে শ্রাবণ এত কষ্ট-যন্ত্রণা সহ্য করেও এতটা পথ পাড়ি দিলো। কিভাবে শ্রাবণ নীলার করা প্রতিটা অবহেলা, কষ্ট কড়ায়গন্ডায় বুঝিয়ে দিলো। কিভাবে শ্রাবণ ভয়ানক হয়ে উঠলো। কি ছিলো সেই ঝুমুর নামক চঞ্চল কিশোরীর কাহিনি। শ্রাবণের মায়ের শেষ পরিণতির অবস্থা কি ছিল।
নাজিমের শেষ পরিণতি কতটা ভয়ানক ছিলো। কে সুইসাইড করলো,কেন করলো। শ্রাবণের শেষ পরিণতি কতটা করুণ হয়েছে সব জানতে হলে অবশ্যই উপন্যাসটি পড়ুন।
রাজন ভাইয়া এত বেশি সুন্দর উপন্যাস লিখে আমাদের পড়ার আগ্রহ বাড়িয়ে তোলার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল অনেক। ভবিষ্যতে আরো ভালো ভালো গল্প, উপন্যাস পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম।

শুধু শ্রাবণ ভাইয়ার মাকে দেয়া তার বাবার চিঠিটায় কি লেখা ছিলো সেটাই জানা হলো না।।

সুইসাইড নোটের সবচেয়ে ভালোলাগার বাক্যগুলো–

১. শ্রাবণ: আমাকে কখনো ছেড়ে যেওনা প্লিজ।
নীলা: আমি চলে গেলে আমার পাগলটা কার কোলে এভাবে মাথা রাখবে?

২. কেবল তুমি গুছিয়ে দিবে বলে
আমি অগোছালো হয়ে যাবো আবার,
তুমি নিয়ম করে শাসন করবে বলে
আমি অনিয়ম করবো বারবার।

৩. তাকে আটকে রাখার জন্য করা চেষ্টাগুলোই তাঁকে হারিয়ে ফেলার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৪. সে আমার কেবল ভালোবাসা না সে আমার অভ্যাসও।

৫. আমাদের মতো কিছু সুখ পিয়াসী মানুষ আছে যারা সবাইকে খুব সহজে আপন ভাবে, অথচ আমরা একবারের জন্যও বুঝতে চাই না যে বিপরীত মানুষগুলো আমাদের থেকে সবসময় সমদূরত্বে অবস্থান করে, তাই আমরা যত কাছে যাই তারা ঠিক ততটা দূরে সরে যায়।

৬. অথচ তুমিও জানতে তোমাকে ছাড়া আমার ঠিক কতটা কষ্ট হয়।

৭. তোমাকে দেখার এক অদ্ভুত লোভ আমাকে আজীবন দুখি করে রাখবে।

৮. মাকে দেখে মুক্ত পাখির মতো মনে হল, মনে হলো যেন সকল বাঁধা পেরিয়ে এই বুঝি মুক্ত আকাশে উড়বার জন্য বের হলেন। চোখে-মুখে কত সজীবতা লেগেছিল মায়ের, মনে হচ্ছিল গভীর ঘুমে ঘুমাচ্ছেন তিনি। মা সত্যিই মুক্ত হয়ে গেলেন– এক বন্দী সংসার থেকে, বয়ে বেড়ানো অজস্র যন্ত্রণা থেকে, নীলার অহেতুক গালি থেকে। আমার মা সত্যিই মুক্ত হয়ে গেলেন।

৯. আমার কষ্ট হবে ভেবে কেউ পিছন ফিরে তাকায়নি কখনো।

১০. একদিনের আত্মহত্যা মহাপাপ বলে আমরা অনেকেই তা ধীরে ধীরে করি।

১১. আমার এ ঘরে চড়ুই পাখিরা বাসা বাঁধতে আসেনি কোনোদিন, তারাও জানে এ ঘরে সবাই ঘর ভাঙার গল্প বুনে কেবল।

১২. নীলা ঘুমিয়ে পড়ার পর প্রতি রাতে আমি তাকে মন ভরে দেখি, মেয়েটার মুখের দিকে তাকালে মায়ের কথা মনে পড়ে যায় আমার। মা ঠিক এভাবে ঘুমাতেন। নীলার চোখ, মুখ নিষ্পাপ চেহারা দেখে খুব কান্না পায় আমার, আমি খুব কাঁদি। তাকে আমি আমার করেই রাখবো, কষ্ট দিলেও আমার কাছেই রাখবো। সে যদি আমাকে অবহেলা না করত, মাকে গালি না দিত, তবে কখনোই আমি তাকে কষ্ট পেতে দিতাম না, একটুও না।
আমি তাকে আগলে রাখতাম, আমার সর্বোচ্চ দিয়ে ভালো রাখতে চাইতাম। কেন যে সে আমার সাথে এসব করল? এখন আমাকেও কষ্ট দিচ্ছে৷ নিজেকও কষ্ট দিচ্ছে।

১৩. কিছু কিছু জিনিস জানার থেকে অজানাতে থাকা ভালো এতে অন্তত একটা সুখ পাওয়া যায়, হোকনা সেটা একটা মিথ্যে সুখ, তাও তো সুখ।

১৪.পৃথিবীতে সবচেয়ে কষ্টের কাজ হলো ভালোবাসার মানুষটাকে অন্যের পাশে দেখা, ভালোবাসার মানুষটিকে অন্যের সাথে ভাগ করা। নীলা মরে গেলে আমি বাঁচতে পারব, খুব কষ্ট হবে তবুও বাঁচতে পারবো। কিন্তু তাকে অন্যের বুকে আমি কখনোই সহ্য করতে পারবো না। তাদের দু’ জনকেই মেরে ফেলবো কাল, আমি এভাবে কষ্ট সহ্য করতে চাই না আর। আমি একটু শান্তি চাই, শুধু একটু শান্তি।

১৫. এবং দেয়াল জুড়ে বারবার ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তিনটি অবয়ব, যাদের পাশে লেখা ছিল–‘আমি মা- বাবা, বাবা-মা আমি, বাবা আমি এবং মা, আমরা।’

১৬. যদি ভালোবাসা পাই আবার শুধরে নেব
জীবনের ভুলগুলি,
যদি ভালোবাসা পাই ব্যপক দীর্ঘপথে
তুলে নেব ঝোলাঝুলি।
যদি ভালোবাসা পাই শীতের রাতের শেষে
মখমল দিন পাব,
যদি ভালোবাসা পাই পাহাড় ডিঙ্গাবো
আর সমুদ্র সাতরাবো।
যদি ভালোবাসা পাই আমার আকাশ হবে
দ্রুত শরতের নীল,
যদি ভালোবাসা পাই জীবনে আমিও পাব
মধ্য অন্তমিল।( ১৬ নং কবিতাটি রফিক আজাদের বিখ্যাত কবিতা।)

# বই আর মানুষের মধ্যে হোক অন্তমিল।
# বই পাঠকের বন্ধু হোক।
# বইয়ের ভাঁজে খুঁজে পাক অনাবিল সুখ।
# বই হোক প্রতিটি মানুষের সময় কাটানোর একমাত্র সঙ্গী।

( বি:দ্র: এটা আমার জীবনের প্রথম বুক রিভিউ। ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)

error: Content is protected !!
Exit mobile version